১২ উপকূলীয় অঞ্চলে স্পিডবোট বিতরণ

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সাম্প্রতিক বন্যার প্রসঙ্গে বলেন, বন্যার সময় দ্রুততার সঙ্গে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের শুকনা ও রান্না করা খাবার দেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও ভেঙে যাওয়া বাড়িঘর পুনঃনির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় তারা এখন নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের বীজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও গ্রামীণ এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো কাবিখার মাধ্যমে পুনঃনির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি এলজিইডির আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোও দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দেশের দুর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধারকাজে ব্যবহারের জন্য ১২টি উপকূলীয় জেলায় স্পিডবোট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। উদ্ধারযান হিসেবে জাইকার অর্থায়নে এই স্পিডবোট দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় মন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতার জন্য জাপান সরকার ও জাইকাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ডাবল ইঞ্জিনের এসব স্পিডবোট সমুদ্রে ৪ নম্বর বিপদ সংকেত জারি থাকলেও উদ্ধারকাজ পরিচালনায় সক্ষম। দুর্যোগের সময় দুর্গম এলাকায় দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য এসব স্পিডবোট ব্যবহার করা হবে। আমাদের আরও প্রকল্প রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২৫টি জেলায় এসব বোট দেওয়া হবে। দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার তৎপরতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বন্যার সময় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত জরুরি। জলোচ্ছ্বাস কিংবা ঘূর্ণিঝড় হলে দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

আজকের এই স্পিডবোট হস্তান্তর কার্যক্রম দুর্যোগ মোকাবিলায় একটি মাইলফলক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের অন্যান্য জেলাতেও উদ্ধারযান দেওয়ার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই এসব জেলায় বোট হস্তান্তর করা হবে। বিশেষ করে হাওড়াঞ্চলকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. মি. সাইদা শিনিচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রেজওয়ানুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক নূরজাহান খানম এবং জাইকা বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো।