ঝোপঝাড়ে বিলীন সোয়া কোটি টাকার সড়ক

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  পাবনা প্রতিনিধি

এক যুগেরও বেশি সময় আগে নির্মাণ করা হয় পাবনার বেড়া উপজেলার বড়শিলা-নলভাঙা-খাকছাড়া পাকা সড়ক। শত শত বিঘা জমির ফসল আনা-নেওয়া ও অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগ সহজ করতে সড়কটি নির্মাণ করা হয়। এতে ব্যয় হয় এক কোটি ২০ লাখ টাকা। তবে দীর্ঘ পাঁচ কিলোমিটার সড়কটি এখন নিশ্চিহ্নের পথে। ছেয়ে গেছে ঝোপঝাড়ে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, এক কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৩ সালে বড়শিলা-নলভাঙা-খাকছাড়া সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হয়। বেড়া পৌরসভার বড়শিলা থেকে চাকলা ইউনিয়নের নলভাঙা হয়ে খাকছাড়া পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি বিল এলাকার মধ্য দিয়ে গেছে। সড়কটি চালু হওয়ার পর উপজেলা সদরের সঙ্গে চাকলা ও কতলা ইউনিয়নের নলভাঙা, খাকছাড়া, চাকলা, দমদমা, জয়নগর, কৈতলাসহ অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগ সহজ হয়ে যায়। কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে এটি দ্রুতই উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত সড়কে পরিণত হয়। প্রতিদিন কয়েকশ যানবাহন চলাচল করত এ পথে। কিন্তু এখন এর চিত্র ঠিক উল্টো। সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিল এলাকার কথা বিবেচনায় না এনে নিচু ও সরু করে সড়কটি নির্মাণ করা হয়। ফলে নির্মাণের প্রথম বছর থেকেই বৃষ্টি ও বিলের পানির চাপে বিভিন্ন অংশ ভাঙতে শুরু করে। বর্ষা মৌসুমে কয়েকটি স্থানে পানি উঠে যেত। তারপরও কয়েক বছর সড়কটি ব্যবহার করা গেছে। তবে নিয়মিত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে একসময় এটি পুরোপুরি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।'বিল এলাকার কথা বিবেচনায় না এনে নিচু ও সরু করে সড়কটি নির্মাণ করা হয়। ফলে নির্মাণের প্রথম বছর থেকেই বৃষ্টি ও বিলের পানির চাপে বিভিন্ন অংশ ভাঙতে শুরু করে। বর্ষা মৌসুমে কয়েকটি স্থানে পানি উঠে যেত। তারপরও কয়েক বছর সড়কটি ব্যবহার করা গেছে। তবে নিয়মিত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে একসময় এটি পুরোপুরি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে' সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তার ওপরই জন্মেছে ঘন আগাছা।

দুই পাশের ঝোপঝাড় মিলিয়ে অনেক স্থানে রাস্তা নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে। সড়কটি দিয়ে কেউ চলাচল করতে পারেন না।