পাবনায় আ.লীগের ১৪ নেতাকর্মী আটক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
পাবনা প্রতিনিধি
পুরো পাবনা শহরে ব্যাপক নাশকতা করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, সঙ্গে ছিল পাসপোর্টও। বড় ধরনের নাশকতার জন্য হাতবোমা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ব্যাপক প্রস্তুতিও ছিল আটক নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের। ভোর থেকেই শহরের অলিগলিতে জড়ো হয়েছিলেন তারা। তাদের নেতা আব্দুল ওহাব এসে পৌছালেই শুরু হতো নাশকতা। কিন্তু গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের তৎপরতায় সেই চেষ্টা ভেস্তে যায়। সদর থানা পুলিশ, ডিবি, সিআরটিসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের যৌথ অভিযানে নাশকতার প্রস্তুতিকালেই তাদের আটক করা হয়। গতকাল বুধবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে পাবনা শহরের প্রধান সড়ক আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। আটকরা হলেন- পাবনার সুজানগর পৌর এলাকার মথুরাপুরের মৃত জাহেদ আলী শেখের ছেলে সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুজানগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহাব, তার সহযোগী সুজানগরের মাস্টার পাড়ার আব্দুর রশিদ শেখের ছেলে মো. রাব্বি, মথুরাপুর এলাকার ইকবাল মিয়ার ছেলে মিথুন মিয়া, নাজির প্রামাণিকের ছেলে মো. হৃদয়, এনামুল হকের ছেলে ফয়সাল। একই এলাকার সাদেক সরদারের ছেলে আরাফাত হোসেন শুভ, সুবাহান প্রামাণিকের ছেলে শিমুল প্রামাণিক, মাহাতাব প্রামাণিকের ছেলে মিজান প্রামাণিক, ওসমান খাঁর ছেলে আলহাজ্ব খাঁ, দুর্গাপুর এলাকার আব্দুল আলীম শেখের ছেলে নাজমুল হাসান, আব্দুল মান্নানের ছেলে মতিউর রহমান, নারায়ণপুর এলাকার নবীর উদ্দিন শেখের ছেলে রঞ্জু শেখ, সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের নতুন গোয়ালবাড়িয়া এলাকার খলিল প্রামাণিকের ছেলে সাবিক এবং সাগর প্রামাণিকের ছেলে নাজমুল হোসেন ।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। তারা জানান, বড় ধরনের নাশকতার জন্যই তারা মাইক্রোবাসে করে পাবনা শহরে এসেছিল। এখানে নাশকতা করে সঙ্গে সঙ্গেই তারা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছিল।
