এলজিইডির উন্নয়ন প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে চরাঞ্চল

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  এস, এম তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জে এলজিইডি'র নির্বাহী প্রকৌশলীর তত্বাবধানে কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলে ৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি প্রকল্পের আওতায় ৩৫টি স্কিমের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এসব স্কিমের কাজ শেষ হলে চরাঞ্চলের বদলে যাবে দৃশ্যপট। ইতোমধ্যে এসব স্কিমের প্রায় ৭৫% কাজ শেষ হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চলের নাটোয়ারপাড়া, মুনসুরনগর, মাইজবাড়ি, তেকানি, চরগিরিশ, নিশ্চিন্তপুর ও শুভগাছা ইউনিয়ন রয়েছে এবং এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে যমুনার ভাঙ্গনে রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন স্'াপনাও নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। প্রতিবছরই এ ভাঙ্গনে চরাঞ্চলবাসী চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ ভাঙনে তাদের বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগেও বিঘ্ন ঘটছে দীর্ঘদিন ধরে। সরকার চরাঞ্চলবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে ২০২৫/২০২৬ অর্থবছরে রাস্তাঘাট ও ব্রিজসহ বিভিন্ন উন্নয়নে ১১টি প্রকল্পের আওতায় ৩৫টি স্কীম বাস্তবায়নে ৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এসব প্রকল্পের আওতায় রয়েছে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, সামাজিক বনায়ন, মার্কেট উল্লেখযোগ্য। এ প্রকল্পের স্কীমের কাজ বাস্তবায়নে সিরাজগঞ্জ এলজিইডি বিভাগ যথাসময়ে দরপত্র আহবান করেন এবং সরকারি বিধি মতে ৩৫ জন ঠিকাদার নির্বাচিত হন। নির্বাচিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওই অর্থ বছরের মার্চ থেকে এসব স্কীমের কাজ শুরু করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, এলজিইডি বিভাগের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসমাইল হোসেন। তিনি বলেন, কাজিপুর উপজেলা পরিষদ থেকে বিচ্ছিন্ন যমুনা নদীর চরাঞ্চলে যোগাযোগেও নানা ভোগান্তি রয়েছে। তারপরেও এসব স্কিমের কাজ বাস্তবায়নে দ্রুত এগিয়ে চলছে। বিশেষ করে এসব স্কিমের মধ্যে নাটোয়ারপাড়া-চরগিরিশ ইউপি অফিস ভায়া রঘুনাথপুর বাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন পাকাকরণ রাস্তার যমুনার শাখা নদীর উপর ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৮ মিটার ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের এসব স্কীমের কাজ সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীসহ উর্ধতন কর্মকর্তারাও তদারকি করছেন। ইতিমধ্যেই এ ব্রিজসহ স্কীমের কাজগুলোর ইতোমধ্যে ৭৫% কাজ শেষ হয়েছে এবং আগামী জুন ২০২৭ সালের মধ্যেই এসব কাজ শেষ হবে।

এ বিষয়ে এলজিইডি'র নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, চরাঞ্চলে উন্নয়নের ১১টি প্রকল্পের আওতায় ৩৫টি স্কীমের কাজ বাস্তবায়ন দ্রুত এগিয়ে চলছে। তবে চরাঞ্চলের যোগাযোগে নানা দূর্ভোগ থাকলেও যথানিয়মে প্রকল্পের কাজ তদারকি করা হে"ছ। এ প্রতিবেদকের এক প্রশ্নাত্তোরে তিনি আরও বলেন, স্কীমের কাজ বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কোন প্রকার অনিয়মের আশ্রয় নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এসব স্কিমের কাজ শেষ হলে চরাঞ্চলের দৃশ্যপট বদলে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।