২ কি.মি. রাস্তা পাকা না করায় জনদুর্ভোগে এলাকাবাসী

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার চর এলাকার পীরগাছা-খাসরাজবাড়ি বাজার পর্যন্ত মাত্র প্রায় ২ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক পাকা না করায় চরম দূর্ভোগ পোহাে"ছ এলাকাবাসী। এ জনদূর্ভোগের বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেও কাজে আসেনি। এতে ৭টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এ দূর্ভোগের শিকার দীর্ঘদিন ধরে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উক্ত চরাঞ্চলের এ কাঁচা সড়ক মেরামত ও পাকাকরণ না করায় চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এ কাঁচা সড়কে যোগাযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে স্'ানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চরম দূর্ভোগে পোহাতে হে"ছ এবং আধা ঘন্টার সড়ক যোগাযোগে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগে বিভিন্ন পেশার মানুষ কর্মস্'লে পৌছতে। এছাড়া ভারী বৃষ্টিপাতে এ সড়কে কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, পীরগাছা গ্রামে পীরগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাসরাজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা, স্'ানীয় বাজার ও মসজিদসহ বিভিন্ন গ্রাম রয়েছে এই এলাকায় এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে এ কাঁচা সড়ক দিয়েই প্রতিদিন জনসাধারণ যাতায়াত করতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে এ কাঁচা সড়ক পাকা না করায় এ পরিস্'িতির সৃষ্টি হয়েছে। এ দূর্ভোগ লাঘবে স্'ানীয়রা একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেও এখনও কাজে আসেনি। স্'ানীয়রা বলছেন, মাত্র ২ কিঃ মিটার সড়ক পাকা না করায় দীর্ঘদিন ধরে এ দূর্ভোগ পোহাতে হে"ছ। এ জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে সময়মতো কৃষি উৎপাদিত পণ্য, মালামাল বাজারে নিতে পারছেনা স্'ানীয়রা। এতে বাড়তি পরিবহন খরচ গুনতে গিয়ে তারা আর্থিক লোকসানের মুখে পড়ছেন এবং কোনো জরুরি রোগী দ্রুত হাসপাতালে নিতে পারছেনা। প্রশ্ন উঠছে সড়কটি এখন এলাকাবাসীর মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এ সম্পর্কে পীরগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিকসহ অনেকেই বলেন, মাত্র ২ কিঃ মিটার এ সড়কের বেহালাবস্'ায় দুর্ভোগ পোহাতে হে"ছ স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের। বিশেষ করে ভারী বৃষ্টিতে কাদা পেরিয়ে কোমলমতি শিশুদের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এতে তাদের পোশাক ও বইখাতা কাদা লেগে নষ্ট হয় এবং অনেক সময় শিশু শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতেও অনিহা। এছাড়াও কাঁচা সড়কে মাঝেমধ্যে ছোটখাট দূর্ঘটনাও ঘটে। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ এলজিইডি বিভাগের নির্বার্হী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, এ রাস্তা পাকাকরণের বিষয়ে ইতিমধ্যেই উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগ নজরে নিয়েছে। যথাসময়ে এ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হবে এবং অনুমোদন পাওয়া গেলে এ সড়ক পাকাকরণ প্রকল্পের কাজ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।