মুন্সীগঞ্জে ১৭ জেলের কারাদণ্ড
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মা ইলিশ সংরক্ষণে মুন্সীগঞ্জের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে পৃথক অভিযান চালিয়েছে মৎস্য বিভাগ, প্রশাসন ও নৌ পুলিশ। গত মঙ্গলবার দিনব্যাপী এসব অভিযানে ১৭ জেলেকে কারাদণ্ড ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় জব্দ করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল, ২৭ কেজি ২০০ গ্রাম ইলিশ মাছ এবং মাছ ধরার তিনটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা। জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ টাকা।অভিযানের অংশ হিসেবে শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকূল, বাঘড়া ও নূর বয়াতির চর এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে মা ইলিশ ও জাটকা শিকারের অপরাধে আটজনকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় প্রায় ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও পাঁচ কেজি মা ইলিশ ও জাটকা জব্দ করা হয়। পরে জালগুলো ধ্বংস করা হয় এবং মাছ সরকারি শিশু পরিবারে হস্তান্তর করা হয়।অন্যদিকে, পদ্মা সেতু উত্তর থানাধীন কান্দাপাড়া এলাকায় মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে নয় জেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ২৭ কেজি ২০০ গ্রাম ইলিশ মাছ, ২ হাজার ৩০০ মিটার জাল এবং মাছ ধরার তিনটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।এ ছাড়া মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসেম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুকের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৫০ হাজার মিটার মালিকবিহীন কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ টাকা। পরে নদীর তীরে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে জালগুলো ধ্বংস করা হয়। অভিযানে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আব্দুল মাবুদ, উপপরিদর্শক শওকত ওসমানসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মা ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা এবং ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
