বাঞ্ছারামপুরে মুকবুল হত্যার বিচার দাবি

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে তিতাস নদী থেকে মুকবুল হোসেন গুড্ডু (৩৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গতকাল শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী। গ্রেপ্তার আসামিদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার পাঠামারা গ্রামের লোকজন উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় ও বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীর পানির তলদেশ থেকে মুকবুল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নৌকার সঙ্গে লোহার অ্যাঙ্গেল ও রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করেন নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দলের সদস্যরা। নিহত মুকবুল হোসেন গুড্ডু ছলিমাবাদ ইউনিয়নের প্রয়াত মোহন মিয়া ব্যাপারীর ছেলে। তিনি পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তিনি তিতাস নদীতে বালু উত্তোলনের একটি ড্রেজার ব্যবসায় আসামী রুবেলের সাথে অংশীদার ছিলেন। এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন অবিদ মিয়া, বিল্লাল হোসেন, আকলিমা আক্তার আখি ও রুবেল। আদালত তাঁদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আসামিদের রিমান্ডে থানায় আনার খবর পেয়ে পাঠামারা গ্রামের লোকজন তাঁদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। নিহত মুকবল হোসেন গুড্ডুর স্ত্রী ছাড়াও নুছরাত (১০),ইসরত (৫) নামে ২ মেয়ে ও জুনায়েদ (১২) নামে এক ছেলে রয়েছে। মানববন্ধনে নিহতের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার বলেন, যেমন নৃশংসভাবে আমার স্বামীকে হত্যা করেছে, খুনিদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে শাস্তি দেয়া হোক।