সরিষাবাড়ীতে দুই উপজেলার লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ লাঘব
প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী (জামালপুর)

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষের চলাচলের দীর্ঘদিনের দুঃখ ও দূর্ভোগ লাঘবে যমুনা শাখা নদীর উপর নির্মাণ করা হচ্ছে ২৭৮ মিটার ব্রীজ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের ঘোড়ামারা চর সরিষাবাড়ীতে ব্রীজ নির্মাণ কাজের উদ্ভোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম এমপি।
জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়)" প্রকল্পে সরিষাবাড়ী উপজেলাধীন আরামনগর জিসি-ঘোড়ামারা বাজার সড়কের ১৫২০ মিটার চেইনেজে যমুনার শাখা নদীর উপর ৪০ কোটি ৩৩ লক্ষ ১২ হাজার ৮৫২ টাকা ব্যায়ে ২৭৮.৩০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ কাজ পায় জামালপুরের চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ। সোমবার দুপুরে ব্রীজের কাজের উদ্ভোধন উপলক্ষ্যে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামিম এমপি।
?স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যমুনা শাখা নদীর ওপর কোনো সেতু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে সরিষাবাড়ী উপজেলা ও পাশ্ববর্তী কাজিপুর উপজেলার কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের চলাচলের জন্য নানা দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিলো। খেয়া নৌকা বা শুষ্ক মৌসুমে হেঁটে নদী পার হতে হতো। নতুন এই ব্রিজটি নির্মিত হলে দুই উপজেলার মধ্যে সুদৃঢ় সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগ গড়ে উঠবে এবং তাদের বহু বছরের কষ্টের অবসান ঘটবে।
জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রমজান আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা, এলজিইডির প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া তমাল, পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশীদ ফকির, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম পিন্টু, সাতপোয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল হোসেন মেম্বার, যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, কৃষকদলের সভাপতি জুরান সরকার সহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমপি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের মানুষদের যাতায়াতে পোহাতে হয়েছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। এই ব্রিজটি নির্মিত হলে দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরবে।" তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্মাণকাজ শেষ করার ওপর জোর দেন।
