ঢাকা ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ | বেটা ভার্সন

মোবাইল গেম এবং আজকের শিশু

রূপম চক্রবর্ত্তী, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট
মোবাইল গেম এবং আজকের শিশু

আমাদের শিশুদের মোবাইল গেম এবং ইন্টারনেট প্রীতি যে হারে বেড়ে যাচ্ছে তা অবশ্যই চিন্তার কথা। যেসব বাড়ির মা-বাবা দুইজনেই চাকরি করেন, সেসব বাসার শিশুদের অবস্থা আরো খারাপ। আজকের দিনে আমাদের শিশুরা ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে থাকতে থাকতে খুবই রোগা এবং খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। আজকাল অনেক পরিবারে এমনও শিশু রয়েছে যাদের মোবাইল গেম খেলতে না দিলে পড়াশোনা করতে চায় না, খাবার খেতে চায় না, রাগারাগি করে, বাবা-মার কথা শোনে না। শহরাঞ্চলের পাশাপাশি গ্রামীণ পর্যায়ের শিশুদের মাঝেও এ বিষফোঁড়া জন্মলাভ করেছে। গ্রামীণ নারীরা আগে শুধু সন্তান লালন-পালন ও ঘরের কাজেই লিপ্ত ছিল। কিন্তু বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজ গ্রামীণ নারীরাও দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, নিযুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রে। যার ফলে এখনকার মায়েরা পূর্বেকার মায়েদের মতো শিশুদের সময় দেওয়া কিংবা দেখাশোনা করা কমে এসেছে। ফলে অনেক বাবা-মাই সন্তানের হাতে তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়া দিচ্ছেন। যান্ত্রিক জীবনে বাস করতে করতে আমাদের জীবনও যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে। অর্থের পেছনে ছুটতে গিয়ে আমরা শিশুদের অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত করছি। অনেক সময় দেখা গেছে, শিশু একদিকে পড়ছে অন্যদিকে মা-বাবা মোবাইলে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে চ্যাট নিয়ে ব্যস্ত। একটা সময় ছিল ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন খেলাধুলার চর্চা করার সুযোগ দেওয়া হত। যার শিশুদের শারীরিক গঠন ঠিক ছিল। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের চলতে হবে। তা না হলে আমরা বিশ্বায়নের এই যুগে আমরা পিছিয়ে পড়ব। স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের সঙ্গে থাকব আবার পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারের শিশুরা যাতে শারীরিক বিকাশের সুযোগ পায় তার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের শিশুদের জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ লাগবে।

খোলা হাওয়ায় শ্বাস ফেলার অধিকার প্রতিটি শিশুর জন্মগত অধিকার। খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা শারীরিক শক্তি লাভ করবে। আর এই শক্তি লাভের জন্য চাই সুন্দর পরিবেশ যুক্ত খোলা মাঠ। সারাদিন কর্মব্যস্ততার পর মা-বাবা তার শিশুকে মাঠে নিয়ে যাবেন। যারা শহরে আছেন তাদের ছোট ছেলেমেয়েরা বাসা, বিদ্যালয়, লেখাপড়া, মোবাইল গেইম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। বর্তমানে পৃথিবীতে ২২০ কোটি মানুষ ভিডিও গেম খেলে। যাদের অধিকাংশই শিশু-কিশোর। যার বদৌলতে গ্লোবাল ভিডিও গেম বাজারের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০৯ মিলিয়ন ডলার। প্রতিবছর স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট গেমিং ১৯ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে পাবজি অর্থাৎ প্লেয়ার্স আননোন ব্যাটেল গ্রাউন্ড নামের একটি অনলাইন গেম তরুণ প্রজন্মের কাছে অতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন এ গেম খেলে ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ। পাবজির মতো শুধু অনলাইন গেম নয়, বরং টেম্পল রান, সাবওয়ে সারফারস, ব্যাডল্যান্ড, ফ্রুট নিনজা, লিম্বো, মাইনক্রাফ্ট পকেট এডিশন, ওয়ার্ল্ড অব গু এবং স্ম্যাশ হিটসহ বিভিন্ন অফলাইনভিত্তিক গেম আজ শিশুদের জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

শিশুদের ভবিষ্যৎ আটকা পড়েছে মোবাইল গেইম, টিভি কার্টুন কম্পিউটার গেমস-এর বেড়াজালে। আমাদের শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার জায়গা না থাকায় শিশুরা ঘরে বসে এই সব যন্ত্রনির্ভর হয়ে পড়ছে। যার জন্য অনেক শিশু শারীরিক ও মানসিকভাবে অলস হয়ে যাচ্ছে। এই সব শিশুর খিটখিটে মেজাজের, অপরিপক্ব আচরণ বেড়েই চলেছে। মোবাইল গেমের অপরিমিত ব্যবহার শিশু-কিশোরদের চিন্তা ও আচরণের ওপর মারাত্মকভাবে প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলেন- মোবাইল বা কম্পিউটার গেমের প্রতি আকর্ষণ একটি আসক্তিমূলক আচরণ। এর অর্থ দিনকে দিন আরো বেশি গেম খেলতে চাইবে। আর শিশুমন স্বভাবতই কৌতূহলপ্রবণ তাই ভুলক্রমে একবার তাদের হাতে ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি কিংবা লোভনীয় গেম তুলে দিলে সহজে ছাড়ার পাত্র তারা নয়। স্কুলের পারফরম্যান্স খারাপ হওয়ার পেছনে ভিডিও গেম খেলার পরিমাণ অনেকাংশে দায়ী। সহিংসতামূলক ভিডিও গেম খেলার মধ্য দিয়ে ‘পৃথিবীটা একটা নির্মম জায়গা’ এ রকম একটা ধারণার জন্ম নেয়। কথাবার্তা ও শারীরিক অঙ্গভঙ্গির মধ্যে এক ধরনের উগ্রতা কাজ করে, সমাজগত আচরণ তাদের মধ্যে লোপ পায়। যদি অভিভাবকরা সন্তানদের ভিডিও গেম খেলার পরিমাণ এবং স্ক্রিনে কী দেখবে- তার ধরনের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তাহলে অনেক উপকার হবে।

গবেষকরা দেখিয়েছেন- স্মার্টফোন বা গেমিং আসক্তির কারণে মানুষের আবেগ কমে যায়, রাগ ও হতাশা বৃদ্ধি পায়, সৃষ্টি হয় অনিদ্রার। গেমের প্রতি আসক্তি শিশুর কর্মদক্ষতা ও সৃজনশীলতা হ্রাসের পাশাপাশি সৃষ্টি করে দৈহিক ও মানসিক সমস্যার। সুতরাং একে হালকা করে দেখার কোন সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাসরিন ওয়াদুদ বিবিসিকে বলেন, ‘প্রতিনিয়ত এসব ভিডিও গেম খেললে শরীরে এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ হয়। এতে শিশু সব কিছু নিয়েই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। বাবা-মায়ের অবাধ্য হয়ে যায়। মেজাজ খিটমিটে হয়ে যায়।’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক রোগ শ্রেণীকরণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গেমিংয়ে আসক্ত ব্যক্তি মূলত অন্য সব কিছুর প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে। এছাড়া কারো সঙ্গে মিশতে না পারা, ঘুম, খাওয়া-দাওয়ায় অনিয়ম তো রয়েছেই। বিবিসির মাধ্যমে জানতে পারি গেমিং ডিজঅর্ডার এর এমন বিভিন্ন লক্ষণের ব্যাপারে ড. ওয়াদুদ বলেন, ‘লক্ষ্য রাখতে হবে শিশু কতটুকু সময় ধরে গেম খেলছে। মা-বাবা খেলা বন্ধ করতে বললে সে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়। কিছু কিছু বাচ্চা আছে, যাদের গেম খেলতে নিষেধ করলে তারা ভীষণ রেগে যায়, ভীষণ চেঁচামেচি করে। সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে সে হয়তো গেমে আসক্ত।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, বিশ্বে গেমারদের দুই থেকে তিন শতাংশ ‘গেমিং ডিজঅর্ডারে’ ভোগে। শতাংশের হিসেবে সংখ্যাটি কম মনে হলেও বিশ্বের অনেক দেশই গেমিংয়ের আসক্তি নিয়ে চিন্তিত। দক্ষিণ কোরিয়ায় তো সরকার এমন আইন করেছে যাতে ১৬ বছরের কম বয়সি শিশুরা মধ্যরাত থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত অনলাইন গেম খেলতেই না পারে। জাপানে কেউ যদি একটি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি গেম খেলে তাকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।

মোবাইল গেম আসক্তি ছোট্ট ছোট্ট শিশু থেকে তরুণ প্রজন্মের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। যে বয়সে একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা অর্জনে খেলাধুলা কিংবা শারীরিক কসরতে ব্যস্ত থাকার কথা; কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় সেই বয়সের একটি শিশু আজকাল ইন্টারনেট কিংবা মোবাইল গেমে নিমগ্ন থাকে। অনেক সময় নিরাপত্তাহীনতার অজুহাতে সন্তানকে নিজের চোখের সামনে রাখতে মুঠোফোন কিংবা ল্যাপটপ তুলে দিয়ে আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে অভিভাবকরা। অনেকে কর্মস্থলে ব্যস্ততার দরুনও শিশুকে সময় দিতে না পেরে স্মার্টফোন কিংবা ল্যাপটপ তুলে দিয়ে থাকেন। কিন্তু আমরা বুঝতে পারছি না এই সাময়িক স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে গিয়ে ভবিষ্যৎ এ না জানি অস্বস্তিকর নিঃশ্বাসে ভুগতে হয় আমাদের। ঢাকার ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের শিশু বিভাগের তথ্য অনুযায়ী ৮-১৪ বছরের শিশুদের চোখের সমস্যা বাড়ছে। ডাক্তারের পরীক্ষা, রোগী ও অভিভাবকদের কথায় জানা গেছে, মোবাইল-কম্পিউটারে অতিরিক্ত গেমস খেলা এবং টিভি দেখার কারণে শিশুর চোখের সমস্যার সৃষ্টি হয়। বেশ কয়েকজন অভিভাবক ও শিশুদের দেয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, তারা গড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ডিজিটাল ডিভাইসের পেছনে ব্যয় করে, যার বড় অংশই একাডেমিক বা ব্যবসায়িক প্রয়োজনের বাইরে।

বাংলাদেশ আই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা শিশুদের মধ্যে ৮০ শতাংশ শিশু মায়োপিয়া সমস্যায় ভুগছে। তাদের এখনই রোধ করা না গেলে ৫ বছরের নিচে শিশুদের দূরদৃষ্টিজনিত সমস্যা বেড়ে যাবে এবং তা ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে উন্নীত হবে। যা গোটা জাতির জন্য এক ভয়াবহ বার্তা বহন করছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞজনরা।

শহরের মধ্যে অনেক বিদ্যালয় দেখা যাবে যেগুলোতে খেলার মাঠ নাই। এই সব বিদ্যালয়ে না আছে খেলাধুলা বা শরীরচর্চার সুযোগ, না আছে মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ। অথচ একটা বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ খুবই দরকার। সুস্থ দেহেই সুন্দর মন বিরাজ করে। দেহ অসুস্থ হয়ে পড়লে মন ভালো থাকে না। স্মার্ট ফোন আর ইন্টারনেট ছাড়া আমাদের প্রতিদিনের কার্যক্রম অসম্পূর্ণ থেকে যায়। সারাদিন আমরা যোগাযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন কেনাকাটা পর্যন্ত মোবাইলের মাধ্যমে সেড়ে নিচ্ছি। আমি একবার চট্টগ্রাম শহরের একটি শিশুপার্কে গিয়েছিলাম। শিশুপার্কের অনেক জায়গায় দেখলাম কিশোর কিশোরীর দল। যারা জুটি করে বিভিন্ন জায়গায় বসে আছে। এদের কার্যকলাপ দেখে আমি দ্রুত সেই শিশু পার্কটি ত্যাগ করে চলে এসেছিলাম।

আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, প্রতিটি শিশু আগামী দিনের জন্য এক একজন সম্পদ। যাদের মাধ্যমে দেশের মানুষ অনেক কিছু পাবে। একজন শিশুকে সুষমভাবে গড়ে তুলতে পারলে সবার জন্য ভালো হবে। আজকের শিশুরা তা খুব চিন্তার ব্যাপার। যেভাবে ছোট ছোট শিশুরা মোবাইল গেমের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে, সেভাবে আমরা তাদের পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছি না। আজকের দিনে আমাদের শৈশব কৈশোরের দূরন্তপনা শিশুদের মধ্যে খুব মিস করছি। গেমিং আসক্তি একটি মানসিক রোগ। এটি অন্যান্য নেশাজাত দ্রব্যের আসক্তির মতোই। পার্থক্য হলো একটি আচরণগত আসক্তি অপরটি নেশাজাত দ্রব্যের আসক্তি। তাই আপনার সন্তান এতে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি হয়ে পড়লে দ্রুত কোনো সাইকোলজিস্টটের সাহায্য নিন। আপনার ছোট্ট বাচ্চাটি যেন স্মার্টফোনের নাগাল না পায়, সেদিকে নজর রাখুন। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনুপযোগী হলে সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিবেন না। একান্তই যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেন সেক্ষেত্রে সময়সীমা বেঁধে দিন, তার সঙ্গে চুক্তিতে আসুন।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে অনেক উন্মুক্ত খেলার মাঠ ছিল। যেখানে শিশুরা খেলতে পারত। তবে সবাই আমার সঙ্গে একমত হবেন ক্রমে এসব মাঠ সংকুচিত হয়েছে, অনেক মাঠে স্থাপনা তৈরি হয়েছে, কোনো কোনো মাঠে বিভিন্ন মার্কেট তৈরি হয়েছে। আবার অনেক মাঠ নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছে। কিছু মাঠ চলে গেছে অসামাজিক চরিত্রের লোকজনের দখলে, শিশুদের সেসব জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগই নেই। নতুন ও পুরান ঢাকায় অনেক জলাশয় ছিল, যেগুলোতে শিশুরা সাঁতার কাটতে পারত। ঢাকার মতো আমাদের চট্টগ্রামের অবস্থা ঠিক একই রকম। দিন দিন খেলার মাঠ কমে যাচ্ছে। অনেক রাস্তা দিয়ে শিশুদের মাঠে নিয়ে যাওয়া খুব কষ্টকর। কেন না, রাস্তায় হাঁটলে বোঝা যায়- বাইরে কীভাবে বায়ুদূষণ হচ্ছে। শুধু ঢাকা আর চট্টগ্রাম নয়, অনেক বড় শহরগুলোতেও একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে। যেখানে নতুন বিল্ডিং দেখা যাচ্ছে। নিত্য নতুন স্থাপনা দেখা যাচ্ছে।

আমি প্রত্যাশা করছি- ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহীসহ সকল নগরী, মহানগরীর সকল এলাকা, মহল্লা, বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গন খেলার মাঠবিহীন থাকবে না। সরকারিভাবে মাঝে মাঝে মাঠ সংরক্ষণের যে আশার বাণী দেওয়া হয়, তার দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুন্দর একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়। অনেক শিশু এবং কিশোরের বিপথগামী পথে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সময় থাকতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। যেভাবে প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষিত হচ্ছে সেভাবে দূষণমুক্ত করার জন্য আমরা কাজ করছি না। বায়ু, পানি, শব্দ থেকে শুরু করে আমাদের পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান সংক্রমণ দোষে দুষ্ট। অনেকে লেখাপড়া শিখছেন। কিন্তু মানসিকতার পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন না, এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত