ঢাকা সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

শিক্ষা সংস্কারের ডাক : নকল, অনিয়ম ও কাঠামোগত পরিবর্তনের সময় এখনই

জুবাইয়া বিন্তে কবির
শিক্ষা সংস্কারের ডাক : নকল, অনিয়ম ও কাঠামোগত পরিবর্তনের সময় এখনই

আগামী ২১ এপ্রিল শুরু হতে যাচ্ছে দেশের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষা। লাখো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, উৎকণ্ঠা ও প্রত্যাশার এক গভীর ও সংবেদনশীল সময়। এ মুহূর্তে পরিবার, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে একটি পরীক্ষা, যা জাতীয় জীবনে এক বিশেষ আবহ তৈরি করে। তবে এবারের প্রেক্ষাপট শুধু প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নকল ও প্রশ্নফাঁস রোধে নেওয়া ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই কঠোরতা একদিকে যেমন শৃঙ্খলার বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি একটি মৌলিক প্রশ্নও সামনে আনছে শিক্ষার মানোন্নয়ন কি শুধু নিয়ন্ত্রণনির্ভর কঠোরতায় সম্ভব, নাকি প্রয়োজন গভীর কাঠামোগত সংস্কার?

শিক্ষা কোনো একক পরীক্ষার নাম নয়; এটি একটি জাতির চিন্তা, মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। কিন্তু বাস্তবতায় আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ক্রমশ পরীক্ষাকেন্দ্রিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে, যেখানে নম্বর ও ফলাফলই সাফল্যের প্রধান মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে- নকল, প্রশ্নফাঁস, ভুয়া সনদধারী শিক্ষক এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার মতো দীর্ঘস্থায়ী সংকট, যা পুরো ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। অন্যদিকে, অনলাইন শিক্ষা, ভর্তি পরীক্ষার বিতর্ক, কোচিংনির্ভরতা এবং মানসম্মত শিক্ষার অভাব শিক্ষাব্যবস্থার ভেতরে নতুন বৈষম্য ও চাপ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষা যখন শুধু বাছাই ও প্রতিযোগিতার কাঠামোয় আটকে যায়, তখন তা মানবিক বিকাশের বিস্তৃত পথ থেকে সরে গিয়ে এক সংকীর্ণ প্রতিযোগিতার ময়দানে রূপ নেয়। এই বাস্তবতায় প্রশ্নটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে আমরা কি সত্যিই একটি জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক সমাজের দিকে এগোচ্ছি, নাকি অদৃশ্য সংকটের ভেতর দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সীমাবদ্ধতার দিকে ঠেলে দিচ্ছি? এই লেখাটি সেই প্রশ্নেরই এক গভীর অনুসন্ধান।

নকল ও প্রশ্নফাঁস দীর্ঘদিন ধরে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত। এটি শুধু পরীক্ষার স্বচ্ছতাকেই নষ্ট করে না, বরং প্রকৃত মেধা ও পরিশ্রমের মূল্যায়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সিসিটিভি নজরদারি, প্রশ্নপত্র বিতরণে প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা, ভ্রাম্যমাণ টিমের তৎপরতা এসব নিঃসন্দেহে ইতিবাচক উদ্যোগ। একটি নকলমুক্ত পরিবেশ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং সমাজে শিক্ষার প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনে। কিন্তু এখানেই যদি আমরা থেমে যাই, তাহলে সমস্যার মূল জায়গাটি অমীমাংসিত থেকে যাবে। কারণ, শিক্ষা শুধু নকল ঠেকানোর প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি সামগ্রিক মানবিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের পথ। বাস্তবতা হলো, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ক্রমেই পরীক্ষাকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ননির্ভর করছে নম্বর ও ফলাফলের ওপর। এই প্রবণতা শিক্ষাকে একটি প্রতিযোগিতামূলক বাছাই ব্যবস্থায় রূপান্তর করেছে, যেখানে শেখার আনন্দের চেয়ে জয়ের তাড়না বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই পরীক্ষানির্ভর সংস্কৃতি থেকেই জন্ম নিয়েছে কোচিংনির্ভরতা। বর্তমানে কোচিং একটি বিকল্প নয়, বরং মূলধারার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নোট, গাইড, মডেল টেস্ট সবকিছুই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করে; কিন্তু শেখার জন্য নয়। এর ফলে শিক্ষার সুযোগ ক্রমেই আর্থিক সামর্থ্যরে ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। যে পরিবার বেশি ব্যয় করতে পারে, তার সন্তান এগিয়ে যাচ্ছে; আর যারা পারে না, তারা শুরু থেকেই পিছিয়ে পড়ছে।

এই বৈষম্য শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। করোনাকাল আমাদের সামনে আরেকটি বাস্তবতা তুলে ধরেছে অনলাইন শিক্ষার সীমাবদ্ধতা। প্রযুক্তিনির্ভর এই পদ্ধতি কিছু ক্ষেত্রে কার্যকর হলেও, সামগ্রিকভাবে এটি বৈষম্য কমানোর বদলে বাড়িয়েছে। দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ডিভাইস, ইন্টারনেট ও উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে অনলাইন শিক্ষার বাইরে থেকে গেছে। ফলে শিক্ষা একটি সমান সুযোগের ক্ষেত্র না হয়ে, বিভাজনের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে প্রযুক্তি সহায়ক হতে পারে; কিন্তু এটি কখনোই মূল শিক্ষার বিকল্প নয়।

এই প্রেক্ষাপটে আবারও অনলাইন ক্লাস চালুর প্রস্তাব নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দেয়। শিক্ষা কেবল তথ্য আদান-প্রদানের বিষয় নয়; এটি একটি সামাজিক অভিজ্ঞতা। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সরাসরি যোগাযোগ, সহপাঠীদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সামাজিক আচরণের চর্চা—এসব একটি শিশুর পূর্ণাঙ্গ বিকাশের জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে এই বাস্তব অভিজ্ঞতার কোনো বিকল্প নেই।

অন্যদিকে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষার পুনঃপ্রবর্তনের আলোচনা শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। মেধা যাচাইয়ের যুক্তি থাকলেও, এর বাস্তব প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ কম নয়। ভর্তি পরীক্ষা কোচিংনির্ভরতা বাড়ায়, শিশুদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে এবং প্রতিযোগিতার সংস্কৃতিকে আরও তীব্র করে তোলে। অল্প বয়সেই শিশুদের এই প্রতিযোগিতার মধ্যে ঠেলে দেওয়া তাদের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর। এই বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত দেশগুলো প্রাথমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে এলাকাভিত্তিক ভর্তি ব্যবস্থা চালু করেছে এবং সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়নে জোর দিয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রতি অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয় না। বাংলাদেশে এই মডেল বাস্তবায়ন করতে গেলে সীমাবদ্ধতা থাকলেও, মূল শিক্ষা হওয়া উচিত মানের সমতা নিশ্চিত করা।

এখানেই উঠে আসে শিক্ষাব্যবস্থার আরেকটি গভীর সংকট ভুয়া সনদধারী শিক্ষক নিয়োগ। সাম্প্রতিক বিভিন্ন তদন্তে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া সনদের মাধ্যমে শিক্ষকতা করছেন এমন বহু ব্যক্তি। সরকারি নিরীক্ষায় শত শত নয়, বরং হাজারের বেশি শিক্ষককে এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এই বাস্তবতা শুধু প্রশাসনিক দুর্বলতার পরিচয় দেয় না, বরং শিক্ষার গুণগত মানকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ করে।

একজন শিক্ষক একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেখানে যদি তার নিজস্ব যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন থাকে, তবে শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি কীভাবে জ্ঞানের আলো পৌঁছে দেবেন? ভুয়া সনদধারী শিক্ষক মানে শুধু একটি অনিয়ম নয়; এটি একটি প্রজন্মের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি। তাই এই সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ। সকল শিক্ষকের সনদ যাচাই, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, প্রযুক্তিনির্ভর ডাটাবেজ তৈরি এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এসব এখন সময়ের দাবি।

শিক্ষাব্যবস্থার আরেকটি গভীর ও বহুল আলোচিত সংকট হলো শিক্ষকদের নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতি, নৈতিক আচরণগত অবক্ষয় এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার ঘাটতি। সাম্প্রতিক শিক্ষা প্রশাসনের পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসছে, দেশের বহু স্কুল, কলেজ ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক উপস্থিতি ও পাঠদানের মানে উদ্বেগজনক অসামঞ্জস্য বিদ্যমান। একই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থী ও নারী সহকর্মীদের প্রতি অনৈতিক প্রস্তাব, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সময়ে সময়ে সামনে এসেছে, যা শিক্ষাঙ্গনের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে বিশেষ করে কিছু উপাচার্য, অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে তদন্তাধীন হয়েছে, যা পুরো শিক্ষাব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করে দিচ্ছে। এই বাস্তবতায় শুধু প্রশাসনিক নির্দেশনা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন একটি শক্তিশালী আইনগত কাঠামো, নিয়মিত ও ডিজিটাল ক্লাস মনিটরিং ব্যবস্থা, স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রত্যাশা, তারা এ বিষয়ে শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করে অপরাধের ধরন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সুশাসন ও নৈতিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কার্যকর ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ নিশ্চিত করবে। কারণ, শিক্ষকই যখন দায়িত্ব ও নৈতিকতার সীমা অতিক্রম করেন, তখন শিক্ষার্থীর কাছে সঠিক মূল্যবোধের বার্তা পৌঁছায় না আর সেখানেই শিক্ষার ভিত্তি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। শিক্ষা সংস্কারের আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সংকট মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণ। জ্বালানি সংকট বা অন্যান্য বাস্তব সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে যদি শিক্ষাব্যবস্থাকে পরীক্ষাগারে পরিণত করা হয়, তবে তার দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি অনিবার্য। এর পরিবর্তে প্রয়োজন বাস্তবসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ। সময়সূচি পুনর্বিন্যাস, শিফটভিত্তিক ক্লাস, সীমিত সশরীরে পাঠদান এসব উদ্যোগ শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে।

সবশেষে মনে রাখতে হবে শিক্ষা কোনো একদিনের পরীক্ষা নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাজ নির্মাণের প্রক্রিয়া। একটি সুস্থ ও কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা শুধু সনদধারী নয়, বরং চিন্তাশীল, প্রশ্নমুখর ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক তৈরি করে। কিন্তু যখন শিক্ষা বাছাই, নিয়ন্ত্রণ ও ফলাফলের সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন তার মৌলিক উদ্দেশ্য হারিয়ে যায়, আর আমরা হারাই একটি সম্ভাবনাময় প্রজন্মের পূর্ণ বিকাশের সুযোগ। নকলবিরোধী কঠোরতা অবশ্যই প্রয়োজন, তবে সেটিই শিক্ষার একমাত্র মানদণ্ড হতে পারে না। এর পাশাপাশি জরুরি হয়ে উঠেছে শিক্ষাব্যবস্থার ভেতরের অনিয়ম দূর করা, ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের আইনের আওতায় আনা, শিক্ষকদের নিয়মিত ও দায়িত্বশীল পাঠদান নিশ্চিত করা, ছাত্রী ও নারী সহকর্মীদের প্রতি যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা বজায় রাখা এবং আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ।

এসব পদক্ষেপ শুধু শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাই করবে না, বরং শিক্ষার প্রতি আস্থা পুনর্গঠনের পথও প্রশস্ত করবে। অতএব, প্রয়োজন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, মানবিক ও গুণগত শিক্ষাব্যবস্থা যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী সমান সুযোগ পাবে এবং তার নিজস্ব সম্ভাবনা বিকাশের ক্ষেত্র তৈরি হবে। এখনই সময় দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের; তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং দূরদর্শী ও টেকসই নীতিনির্ধারণের পথে এগিয়ে যাওয়ার। কারণ আজকের শিক্ষা-ভাবনা ও সিদ্ধান্তই গড়ে দেবে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ আর সেই ভবিষ্যৎ যেন সীমাবদ্ধতার নয়, সম্ভাবনার উন্মুক্ত দিগন্তে প্রসারিত হয়, সেটিই আমাদের সর্বোচ্চ অঙ্গীকার হওয়া উচিত।

জুবাইয়া বিন্তে কবির

অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত