শিশুদের ভবিষ্যৎ বনাম স্ক্রিনের আসক্তি সময়ের কঠিন প্রশ্ন

জুবাইয়া বিন্তে কবির

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হয়তো এখানেই যে প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ, দ্রুত ও সংযুক্ত করেছে, সেই প্রযুক্তিই নিঃশব্দে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিচ্ছিন্ন, নির্ভরশীল এবং ঝুঁকিপূর্ণ এক বাস্তবতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। শিশুরা, যারা একসময় প্রকৃতির সঙ্গে কথা বলত, গল্পে-খেলায় গড়ে তুলত তাদের কল্পনার জগত, তারা আজ ক্রমশ বন্দি হয়ে পড়ছে এক নীল আলোয় ভাসা ভার্চুয়াল পরিসরে। এই পরিবর্তন শুধু অভ্যাসের নয়; এটি এক গভীর সামাজিক রূপান্তর, যার প্রভাব স্পর্শ করছে শিশুর মন, মস্তিষ্ক, সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে। এই প্রেক্ষাপটে ‘শিশু, স্ক্রিন ও সমাজ’ শুধু একটি আলোচনার বিষয় নয় এটি আমাদের সময়ের এক জরুরি আত্মসমালোচনা। এখানে প্রশ্ন শুধু প্রযুক্তির ব্যবহার নয়, বরং আমাদের দায়বদ্ধতা, সচেতনতা এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের দর্শন। আমরা কি আমাদের সন্তানদের হাতে সম্ভাবনার আলো তুলে দিচ্ছি, নাকি অজান্তেই তাদের ঠেলে দিচ্ছি এক নীরব সংকটের দিকে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার প্রয়োজন এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি।

স্মার্টফোন নিঃসন্দেহে আধুনিক জীবনের এক অপরিহার্য অংশ। কিন্তু শিশুদের জন্য এটি যেন হয়ে উঠেছে এক নীরব বিপদ। ছোট্ট হাতে যখন একটি শক্তিশালী ডিজিটাল যন্ত্র তুলে দেওয়া হয়, তখন তা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয় বরং একটি অপ্রস্তুত মনকে অসংখ্য অনিয়ন্ত্রিত প্রভাবের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া। শিশুরা বুঝে না, তারা কী দেখছে; কিন্তু সেই দেখাই তাদের চিন্তা, আচরণ ও ভবিষ্যৎকে গড়ে দেয়।

গবেষণার পরিমিত সংখ্যাগুলো কখনও কখনও বাস্তবতার চেয়েও বেশি তীক্ষণ্ণভাবে আমাদের সামনে সত্যকে তুলে ধরে। প্রি-স্কুল বয়সেই বিপুল সংখ্যক শিশু স্মার্টফোনের সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে পড়ছে, যা তাদের শৈশবের স্বাভাবিক বিকাশকে ধীরে ধীরে সংকুচিত করে দিচ্ছে। দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিনে নিমগ্ন এই প্রজন্ম ক্রমেই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে সরে গিয়ে এক কৃত্রিম জগতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে যেখানে স্পর্শ নেই, অনুভব নেই, আছে শুধু দৃশ্যের অবিরাম প্রবাহ। সাম্প্রতিক পর্যালোচনায় উঠে আসা তথ্য আরও উদ্বেগজনক চিত্র আঁকে বাংলাদেশে প্রায় ৮৬ শতাংশ শিশু বিদ্যালয়ে পা রাখার আগেই স্মার্টফোন ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে এবং তাদের একটি বড় অংশ এরইমধ্যে গভীর নির্ভরতার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যার হিসাব নয়; এগুলো আমাদের আগামী প্রজন্মের মানসিক ভারসাম্য, শারীরিক সুস্থতা এবং সামাজিক বিকাশের ওপর আসন্ন চাপের এক সতর্ক সংকেত।

আমি একজন মা। আমারও দুই মেয়ে ও এক পুত্র সন্তান আছে। প্রতিদিনের জীবনে আমি চেষ্টা করি তাদের মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখতে। সহজ নয় এই লড়াই। চারপাশে যখন প্রযুক্তি সর্বব্যাপী, তখন সন্তানকে সীমার ভেতরে রাখা মানে এক ধরনের সচেতন প্রতিরোধ গড়ে তোলা। আমি তাদের হাতে বই তুলে দিই, গল্প বলি, তাদের সঙ্গে খেলি- কারণ আমি জানি, এই সময়টুকুই তাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি। একসময় শিশুরা বিকালের আলোয় মাঠে ছুটত, বন্ধুদের সঙ্গে খেলায় মেতে উঠত। এখন সেই মাঠ হারিয়ে গেছে কংক্রিটের জঙ্গলে, আর খেলার সঙ্গী হয়েছে ভার্চুয়াল চরিত্র। বাস্তবের বন্ধুত্বের জায়গা দখল করছে নিঃসঙ্গতা- যা শিশুর সামাজিক বিকাশকে করে তুলছে ভঙ্গুর।

গবেষণায় দেখা যায়, অধিকাংশ শিশু স্মার্টফোন ব্যবহার করে কার্টুন দেখা, গেম খেলা বা ভিডিও উপভোগের জন্য। পড়াশোনার জন্য ব্যবহার করে খুবই কম। ফলে প্রযুক্তির সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এটি হয়ে উঠছে বিনোদননির্ভর এক বিভ্রান্তিমূলক মাধ্যম। দীর্ঘসময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে শিশুদের চোখের সমস্যা, মাথাব্যথা, ঘুমের ব্যাঘাত এবং স্থূলতা বাড়ছে। শিশুদের শারীরিক সক্রিয়তা কমে যাওয়ায় তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই ক্ষয় ধীরে ধীরে হলেও এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী। অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার শিশুদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা, অতিচঞ্চলতা এবং আক্রমণাত্মক আচরণ তৈরি করছে। তারা বাস্তব সামাজিক যোগাযোগ থেকে দূরে সরে গিয়ে একাকিত্বে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে- যা তাদের মানসিক সুস্থতার জন্য মারাত্মক হুমকি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট বয়সে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে অনেক শিশুর ভাষা বিকাশ বিলম্বিত হচ্ছে। তারা কথা বলতে দেরি করছে, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতাও হারিয়ে ফেলছে। এটি একটি গভীর উদ্বেগজনক সংকেত। ভিডিও দেখতে দেখতে খাওয়ার অভ্যাস শিশুদের হজম প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করছে। খাবারের প্রতি মনোযোগ না থাকায় শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ঠিকভাবে কাজে লাগছে না। এর ফলে দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ নানা সমস্যা। আজকের শিশুদের মধ্যে ‘স্ক্রিন ডিপেন্ডেন্সি সিনড্রোম’ একটি বাস্তবতা হয়ে উঠেছে। মোবাইল ছাড়া তারা অস্থির হয়ে পড়ে, রাগান্বিত হয়, এমনকি স্বাভাবিক আচরণও হারিয়ে ফেলে। এটি এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আসক্তি, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর মনোযোগ আটকে রাখার জন্যই নির্মিত, যা শিশুদের ক্ষেত্রে আরও ঝুঁকিপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো দেখিয়েছে এই প্ল্যাটফর্মগুলো অনেক সময় আসক্তি তৈরি করে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। ফলে স্পষ্ট হচ্ছে, শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকেও জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।

সময়ের ব্যস্ততায় অনেক অভিভাবকের কাছে স্মার্টফোন হয়ে উঠেছে এক সহজ আশ্রয় কখনও বিনোদনের মাধ্যম, কখনও নীরব ‘ডিজিটাল বেবিসিটার’। শিশুকে শান্ত রাখা, খাওয়ানো কিংবা ব্যস্ত রাখার সুবিধাজনক উপায় হিসেবে প্রযুক্তির ওপর এই নির্ভরতা দিন দিন বাড়ছে। একই সঙ্গে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সন্তানের ব্যক্তিগত মুহূর্ত তুলে ধরে জনপ্রিয়তা অর্জনের প্রবণতাও লক্ষণীয় হয়ে উঠছে, যা তাদের গোপনীয়তা ও স্বাভাবিক মানসিক বিকাশকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এই সাময়িক স্বস্তি ও স্বীকৃতির আড়ালে ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে এক গভীর আসক্তি যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বহন করতে হচ্ছে শিশুকেই। এছাড়াও শিশুদের কনটেন্ট এখন অনেক ক্ষেত্রে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম। অথচ এই আয়ের অংশ শিশুদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তায় ব্যয় করা হয় না। এটি এক ধরনের আধুনিক শিশুশ্রম যা সমাজের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে শিশু সুরক্ষার জন্য আইন থাকলেও ডিজিটাল পরিসরে তার প্রয়োগ দুর্বল। ফলে শিশুরা অনলাইনে বিভিন্ন ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এই ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট নীতিমালা ও কার্যকর প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। ডিজিটাল যোগাযোগের অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের বাস্তব সম্পর্ককে দুর্বল করে দিচ্ছে। পরিবার, বন্ধু এবং সমাজের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ কমে যাচ্ছে, যা মানবিক বন্ধনকে ক্ষয় করছে। তবুও প্রযুক্তি সম্পূর্ণ নেতিবাচক নয়। সঠিক ব্যবহারে এটি শিক্ষা, ব্যবসা এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে অসাধারণ সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। মূল প্রশ্ন হলো- আমরা কীভাবে এটি ব্যবহার করছি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয়; এটি একটি পরিকল্পিত ব্যবস্থা, যেখানে ব্যবহারকারীর মনোযোগ ধরে রাখাই প্রধান লক্ষ্য। শিশুদের জন্য এটি আরও বিপজ্জনক। তারা বুঝতে পারে না, কীভাবে অ্যালগরিদম তাদের পছন্দ, চিন্তা ও আচরণকে প্রভাবিত করছে। একসময় এই প্রভাব তাদের বাস্তব জীবনের সিদ্ধান্তেও প্রতিফলিত হয়। আজ আমরা প্রায়ই শুনি কিশোর গ্যাং, সহিংসতা, কিংবা অপরাধের খবর। অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে রয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার। মুহূর্তেই যোগাযোগ, সংগঠন এবং উসকানি সবকিছু সম্ভব হচ্ছে ডিজিটাল মাধ্যমে। প্রযুক্তি এখানে শুধু একটি মাধ্যম নয়; এটি হয়ে উঠছে অপরাধের সহায়ক শক্তি।

শিশুদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে অভিভাবকদের সচেতন ভূমিকা অপরিহার্য। তাদের উচিত শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো, বিকল্প সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা এবং নিজেরাও প্রযুক্তি ব্যবহারে সংযমী হওয়া। অভিভাবকত্বের শর্টকাট ও তার দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি আমরা অনেকেই ব্যস্ততার অজুহাতে সন্তানের হাতে ফোন তুলে দিই। খাওয়ানোর জন্য, চুপ করানোর জন্য, কিংবা নিজেদের কাজের সুবিধার জন্য। এটি হয়তো তাৎক্ষণিক সমাধান, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি আসক্তির বীজ বপন করে। একটি শিশুর মন ধীরে ধীরে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এমন এক জগতের ওপর, যেখানে বাস্তবের কোনো স্পর্শ নেই। দীর্ঘসময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে শিশুদের চোখের সমস্যা, ঘুমের ব্যাঘাত, স্থূলতা এবং পুষ্টিহীনতা বাড়ছে। একই সঙ্গে মানসিকভাবে তারা হয়ে পড়ছে উদ্বিগ্ন, একাকী এবং কখনও কখনও আক্রমণাত্মক। এই পরিবর্তনগুলো ধীরে ধীরে তাদের ব্যক্তিত্বকে বিকৃত করে দিচ্ছে। শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় বিশ্বজুড়ে এখন দৃশ্যমান এক নীতিগত কঠোরতা। অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে; যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ডেনমার্ক ও নরওয়েও বয়সসীমা ও তদারকি জোরদারের পথে এগোচ্ছে। চীন আরও কঠোর হয়ে নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে শিশুদের ডিজিটাল প্রবেশাধিকার বন্ধ করেছে। এই উদ্যোগগুলো স্পষ্ট করে- এটি শুধু প্রযুক্তির প্রশ্ন নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার বিষয়। এই সংকট মোকাবিলায় পরিবার একা নয়; সরকার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও নিতে হবে সুসংগঠিত ও দূরদর্শী ভূমিকা। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা স্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, বয়সভিত্তিক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নজরদারি জোরদার করা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম বিস্তৃত করা। পাশাপাশি, শিক্ষাব্যবস্থায় ডিজিটাল সাক্ষরতা ও নৈতিক ব্যবহারকে পাঠ্যক্রমের অংশ করে তোলা জরুরি, যাতে শিশুরা প্রযুক্তিকে শুধু ভোগের নয়, সৃজন ও জ্ঞানের হাতিয়ার হিসেবে চিনতে শেখে। অন্যদিকে, শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ও বাইরে শিশুদের প্রযুক্তি ব্যবহারে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারেন তাদের বিকল্প সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করা, পারস্পরিক যোগাযোগ ও দলগত কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতি আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। এই সম্মিলিত প্রয়াসই পারে প্রযুক্তির অন্ধ নির্ভরতা থেকে শিশুদের সরিয়ে এনে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সুস্থ ভবিষ্যতের পথে পরিচালিত করতে।

সময়ের এই ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে যে প্রশ্নটি ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে, তা শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারের নয় বরং মানবিক ভবিষ্যৎ রক্ষার প্রশ্ন। শিশুদের শৈশব যদি স্ক্রিনের নীল আলোয় হারিয়ে যায়, তবে আমরা হারাবো শুধু কিছু খেলার মুহূর্ত নয়; হারাবো একটি প্রজন্মের সৃজনশীলতা, সংবেদনশীলতা এবং মানবিকতা।

জুবাইয়া বিন্তে কবির

অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট