নারী ও শিশু নির্যাতন : কঠোর আইন, দীর্ঘ বিচার ও পরিবর্তনের প্রত্যাশা
জুবাইয়া বিন্তে কবির
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন, অর্থনীতি, শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। নারীর অংশগ্রহণে কৃষি, শিল্প, প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও উদ্যোক্তা খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। দেশের অগ্রযাত্রায় নারীরা এখন শুধু সহযাত্রী নন, বরং উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। কিন্তু এই অগ্রগতির বিপরীতে এক নির্মম বাস্তবতাও আমাদের সামনে ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ভয়াবহ বিস্তার এবং বিচারহীনতার দীর্ঘ সংস্কৃতি। প্রতিদিনের সংবাদ শিরোনামে ধর্ষণ, যৌতুক, গৃহ নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, সাইবার হয়রানি কিংবা হত্যার খবর আমাদের শুধু ব্যথিতই করে না; রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও গভীর প্রশ্ন তোলে। আইন আছে, আদালত আছে, বিচারিক কাঠামোও রয়েছে তবুও কেন একজন নির্যাতিত নারী বছরের পর বছর ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় থাকেন? কেন অধিকাংশ মামলায় অপরাধীরা শাস্তি এড়িয়ে যায়? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার মধ্যেই আজকের বাস্তবতা, সংকট এবং প্রত্যাশার আলোচনাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে একাধিক আইন রয়েছে। ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, অ্যাসিড অপরাধ দমন আইন, যৌতুক নিরোধ আইনসহ নানা বিধান আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করেছে। কাগজে-কলমে এসব আইনে কঠোর শাস্তির বিধান আছে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, আইন যতটা কঠোর, তার প্রয়োগ ততটাই দুর্বল। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর মামলা হয়, তদন্ত হয়, শুনানি চলে- কিন্তু শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিচার অধরাই থেকে যায়। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট ও ব্র্যাকের যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলায় সাজার হার মাত্র ৩ শতাংশ। প্রায় ৭০ শতাংশ মামলায় আসামিরা খালাস পেয়ে যাচ্ছে। বাকি অনেক মামলা আপস কিংবা দীর্ঘসূত্রতায় ঝুলে আছে। গবেষণাটি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দেশের ৩২ জেলার ৪৬টি ট্রাইব্যুনালের ৪ হাজার ৪০টি মামলার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে করা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান শুধু বিচারব্যবস্থার দুর্বলতাই প্রকাশ করে না; এটি ভুক্তভোগীদের জন্য এক গভীর হতাশার বার্তাও বহন করে। আইন অনুযায়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির কথা। কিন্তু বাস্তবে একটি মামলা শেষ হতে গড়ে ৩ বছর ৭ মাস সময় লাগছে। প্রতিটি মামলায় গড়ে ২২ বার শুনানির তারিখ পড়ছে। এই দীর্ঘসূত্রতা শুধু বিচারপ্রার্থীর মানসিক যন্ত্রণা বাড়ায় না; বরং অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষ্যপ্রমাণ দুর্বল হয়ে পড়ে, সাক্ষীরা আগ্রহ হারান, ভুক্তভোগীর পরিবার সামাজিক চাপের মুখে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত মামলার গতি থেমে যায়। নারী নির্যাতনের মূল কারণ কেবল অপরাধপ্রবণতা নয়; এর পেছনে রয়েছে গভীর সামাজিক বৈষম্য। পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা, অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা, কুসংস্কার, বাল্যবিয়ে, যৌতুক সংস্কৃতি এবং নারীর প্রতি অবমূল্যায়ন এসবই সহিংসতার মাটি তৈরি করে। সমাজে এখনো অনেক মানুষ মনে করেন, নারীর নীরবতা হলো ‘সম্মান’ রক্ষার উপায়। ফলে নির্যাতনের শিকার হয়েও বহু নারী মামলা করতে সাহস পান না। বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতার অন্যতম বড় কারণ যৌতুক। বিয়েকে এখনও অনেক পরিবার আর্থিক লেনদেনের বিষয় হিসেবে দেখে। যৌতুক দিতে না পারলে নারীরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন, অনেক সময় হত্যাও করা হয়। দারিদ্র্য ও সামাজিক অশিক্ষা এই প্রথাকে টিকিয়ে রেখেছে। আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও গ্রাম থেকে শহর- সবখানেই যৌতুক এখনও এক নির্মম বাস্তবতা। অ্যাসিড হামলা বাংলাদেশের ইতিহাসে নারীর বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতাগুলোর একটি। অ্যাসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী গত দুই দশকে প্রায় দেড় হাজার নারী ও শিশু অ্যাসিড সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। যদিও এই অপরাধ কমেছে, তবুও বিচার প্রক্রিয়ার ধীরগতি ও শাস্তি কার্যকরে বিলম্ব অপরাধীদের মধ্যে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। সাবেক এ্যাটর্নি জেনারেল ও বর্তমান আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সম্প্রতি বলেছেন, রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত। জাতীয় বাজেটে বিচার বিভাগের বরাদ্দ অত্যন্ত কম। সীমিত বাজেট, বিচারকের স্বল্পতা, অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রশাসনিক জটিলতা বিচারপ্রক্রিয়াকে মন্থর করে তুলেছে। যেখানে দেশে বর্তমানে ৪০ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন, সেখানে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে বিচারাধীন মামলাই প্রায় তিন লাখ। এই বাস্তবতায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার অন্যতম বড় দুর্বলতা হলো সাক্ষী সুরক্ষার অভাব। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানো হয়, সামাজিকভাবে হেনস্তা করা হয় কিংবা আপসের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। ফলে আদালতে গিয়ে অনেকেই সাক্ষ্য দিতে অনিচ্ছুক হয়ে পড়েন। এতে মামলার ভিত্তি দুর্বল হয়ে যায়। বহু মামলায় সঠিক তদন্ত হয় না। ফরেনসিক রিপোর্ট বিলম্বিত হয়, আলামত সংরক্ষণে গাফিলতি থাকে, তদন্ত কর্মকর্তার বদলি হয় এসব কারণে মামলার শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা অনেকাংশেই নির্ভর করে নিরপেক্ষ ও দক্ষ তদন্তের ওপর। কিন্তু সেই জায়গাটিই এখন সবচেয়ে দুর্বল। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধেও অনেক মামলা আপসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হচ্ছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় ১০ থেকে ১৩ শতাংশ মামলা আপসে শেষ হচ্ছে। এ ধরনের আপস কখনোই প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবার সামাজিক চাপ, আর্থিক সংকট বা নিরাপত্তাহীনতার কারণে আপসে বাধ্য হয়।
যখন একজন অপরাধী দেখে যে মামলার পরও সাজা হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম, তখন তার মধ্যে আইনের ভয় কমে যায়। বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটায়। সমাজে এক ধরনের বার্তা যায় ক্ষমতা, প্রভাব বা অর্থ থাকলে শাস্তি এড়ানো সম্ভব। আমাদের সমাজে নারীদের এখনও ‘অসহায়’ হিসেবে দেখার প্রবণতা আছে। অথচ বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিতে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। পোশাকশিল্প থেকে প্রশাসন, চিকিৎসা থেকে প্রযুক্তি- সবখানেই নারীরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কিন্তু রাষ্ট্র যদি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা টেকসই হবে না। শিশুদের নিরাপত্তা কোথায়? শিশুরা সবচেয়ে বেশি সুরক্ষার দাবিদার। অথচ শিশুরাও যৌন সহিংসতা, নির্যাতন ও পাচারের শিকার হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অপরাধী পরিবারের পরিচিত মানুষ। শিশুরা ভয়, লজ্জা ও সামাজিক চাপে সত্য বলতে পারে না। ফলে অপরাধ আড়ালেই থেকে যায়। শুধু আইন প্রয়োগ দিয়ে নারী নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, পারিবারিক শিক্ষাবোধ এবং মানবিক মূল্যবোধের পুনর্গঠন। স্কুল, কলেজ, পরিবার ও গণমাধ্যমকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারীর প্রতি সম্মান শেখাতে হবে ছোটবেলা থেকেই। গণমাধ্যম অনেক নির্যাতনের ঘটনা সামনে নিয়ে আসে। কিন্তু কখনও কখনও ভুক্তভোগীর পরিচয় প্রকাশ, চাঞ্চল্যকর উপস্থাপন কিংবা বিচার শুরুর আগেই সামাজিক রায় দিয়ে ফেলার প্রবণতাও দেখা যায়। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা বিচারপ্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে পারে; অন্যদিকে অসতর্কতা ভুক্তভোগীর ক্ষত আরও বাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে অনলাইন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইল, সাইবার বুলিং ও গোপন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার মতো অপরাধও দ্রুত বাড়ছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নারীর বিরুদ্ধে নতুন ধরনের সহিংসতার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। তাই আইনের আধুনিকায়ন এবং সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি। একজন নারী যদি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন যে আদালত তাকে ন্যায়বিচার দেবে, তবে সেটি শুধু একটি ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়; এটি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা। বিচার বিলম্ব, দুর্নীতি ও কাঠামোগত দুর্বলতা দূর না করলে এই আস্থা ফেরানো সম্ভব হবে না। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ এরইমধ্যে কার্যকর ও ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক বিচারব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে স্পেন ২০০৪ সালে ‘জেন্ডার ভায়োলেন্স আইন’ প্রণয়ন করে নারী নির্যাতন মামলার জন্য বিশেষায়িত আদালত গঠন করে, যেখানে দ্রুত বিচার, মনোসামাজিক সহায়তা ও নিরাপত্তা সেবা একসঙ্গে নিশ্চিত করা হয়। কানাডায় পারিবারিক সহিংসতা মামলায় ‘ভিকটিম সাপোর্ট ইউনিট’ ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা, কাউন্সেলিং ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে। যুক্তরাজ্যে ‘ডোমেস্টিক অ্যাবিউজ অ্যাক্ট ২০২১’ অনুযায়ী নির্যাতিত নারীদের সুরক্ষায় জরুরি নিষেধাজ্ঞা, ডিজিটাল নজরদারি ও সাক্ষী সুরক্ষার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। সুইডেনে ধর্ষণের মামলায় সম্মতির বিষয়কে আইনের কেন্দ্রবিন্দু করা হয়েছে; সেখানে শারীরিক প্রতিরোধের প্রমাণ ছাড়াই অপরাধ প্রমাণের সুযোগ রয়েছে। জাতিসংঘ ও ইউএন উইমেনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, যেসব দেশে দ্রুত তদন্ত, ফরেনসিক সক্ষমতা, সাক্ষী সুরক্ষা এবং নারীবান্ধব আদালত ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে, সেসব দেশে নারী নির্যাতনের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তির হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি এবং পুনরাবৃত্ত অপরাধের হার কমেছে। উন্নত বিশ্বের এসব অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে শুধু কঠোর আইন নয়, বরং কার্যকর বাস্তবায়ন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং মানবিক বিচারব্যবস্থাই নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল চাবিকাঠি। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ভয়াবহ অপরাধ মোকাবিলায় শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দ্রুত, কার্যকর ও মানবিক বাস্তবায়ন। এ জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি, আধুনিক তদন্তব্যবস্থা ও ফরেনসিক সক্ষমতা উন্নয়ন এখন অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে সাক্ষী সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা ভয়ভীতি কিংবা সামাজিক চাপে ন্যায়বিচার থেকে সরে যেতে বাধ্য না হন। নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মানসিক সহায়তা, আইনি পরামর্শ ও পুনর্বাসন সেবা আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিচারপ্রক্রিয়াকে ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর, স্বচ্ছ ও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে বছরের পর বছর আদালতের বারান্দায় ঘুরেও একজন ভুক্তভোগীকে হতাশ হয়ে ফিরতে না হয়। পরিশেষে, বাংলাদেশের নারীরা আজ আর করুণার প্রত্যাশী নন; তাদের একমাত্র দাবি নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের অবিচল নিশ্চয়তা। নির্যাতনের শিকার কোনো নারী যেন আদালতের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নতুন করে অবমাননা, ভয় কিংবা অনিশ্চয়তার ভার বহন করতে না হয় এই আকাঙ্ক্ষাই আজ এক নীরব অথচ দৃঢ় সামাজিক উচ্চারণ। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা, মামলার জট এবং কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে যে বাস্তব ও সময়োপযোগী উপলব্ধির প্রকাশ ঘটেছে, তা জনমনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
জুবাইয়া বিন্তে কবির
অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট
