মহাকাশের অতন্দ্র চোখ ও আধুনিক যুদ্ধনীতি
কানিজ সূবর্ণা বাবলি
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
মহাকাশের বুকে জেগে থাকা কৃত্রিম উপগ্রহগুলো আধুনিক সভ্যতার এমন এক অদৃশ্য জাদুদণ্ড যা এক পলকেই বদলে দিতে পারে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের যুদ্ধক্ষেত্রের ভাগ্যলিপি। একবিংশ শতাব্দীর রণক্ষেত্র আর শুধু স্থল জল কিংবা আকাশসীমার চিরাচরিত দ্বন্দ্বে সীমাবদ্ধ নেই। যুদ্ধের এক বিশাল অংশ এখন নিঃশব্দে স্থানান্তরিত হয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে শত শত কিলোমিটার উপরে মহাকাশের অনন্ত অন্ধকারে। আধুনিক যুদ্ধনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে আজ সবচেয়ে বড় অনুঘটক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে স্যাটেলাইট নজরদারি বা উপগ্রহভিত্তিক গোয়েন্দা প্রযুক্তি। প্রাচীনকালে যুদ্ধের ময়দানে উঁচু পাহাড় কিংবা দুর্গ চূড়া থেকে শত্রুর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা হতো যা সময়ের বিবর্তনে স্থান নেয় স্কাউট বিমান আর ড্রোনে। কিন্তু বর্তমান যুগে যুদ্ধের গতিপথ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে পৃথিবীকে প্রতিনিয়ত প্রদক্ষিণ করা হাজারো কৃত্রিম উপগ্রহ। এই কৃত্রিম উপগ্রহগুলো আজ আধুনিক সামরিক কমান্ডের জন্য মহাকাশের চোখ হিসেবে কাজ করছে যা শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপ, বাঙ্কারের অবস্থানক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন এবং সেনা সমাবেশের নিখুঁত চিত্র তাৎক্ষণিকভাবে তুলে ধরছে। আধুনিক সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয় গোয়েন্দা নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ কৌশল যার মূল ভিত্তিই হলো স্যাটেলাইট।
কানিজ সূবর্ণা বাবলি
শিক্ষার্থী, ইডেন মহিলা কলেজ, অর্থনীতি বিভাগ
