ঢাকা সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ড্রেনের পানিতে জীবিকা

ড. লিপন মুস্তাফিজ
ড্রেনের পানিতে জীবিকা

শহর মানেই ব্যস্ততা, কোলাহল আর উন্নয়নের চিত্র। কিন্তু এই উন্নয়নের আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক কঠিন বাস্তবতা, যা আমরা অনেক সময় চোখে দেখেও দেখতে চাই না। শহরের নোংরা ড্রেন, জমে থাকা পচা পানি আর দুর্গন্ধময় পরিবেশের ভেতরেও কিছু মানুষ প্রতিদিন জীবিকার সন্ধানে নামে। ‘ড্রেনের পানিতে জীবিকা’ শুধুমাত্র একটি বাক্য নয়; এটি একদল মানুষের কঠিন জীবনসংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। ভোরবেলা যখন শহরের মানুষ ঘুম থেকে উঠে নতুন দিনের প্রস্তুতি নেয়, তখনই শুরু হয় কিছু মানুষের দিন। তাদের হাতে থাকে বাঁশের লাঠি, বালতি বা পুরোনো সরঞ্জাম। তারা রওনা হয় শহরের বিভিন্ন ড্রেন, নালা বা খালের দিকে। সেখানে নেমে তারা পরিষ্কার করে জমে থাকা ময়লা, তুলে আনে প্লাস্টিক, বোতল কিংবা পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস। এই জিনিসগুলো বিক্রি করেই চলে তাদের সংসার।

ড্রেনের পানি দেখতে যতটা নোংরা, বাস্তবে তার চেয়েও অনেক বেশি বিপজ্জনক। এতে মিশে থাকে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু, রাসায়নিক পদার্থ, পচা বর্জ্য এবং কখনও কখনও বিষাক্ত গ্যাস। এসবের মধ্যে কাজ করা মানে নিজের শরীরকে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে রাখা। তবুও এই মানুষগুলো কাজ করে, কারণ তাদের কাছে অন্য কোনো উপায় নেই। এই কাজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষদের বেশিরভাগই সমাজের নিম্ন আয়ের শ্রেণির। দারিদ্র্য, শিক্ষার অভাব এবং কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা তাদের এই পেশায় ঠেলে দিয়েছে।

অনেকেই গ্রাম থেকে শহরে আসে উন্নত জীবনের আশায়; কিন্তু বাস্তবতা তাদের বাধ্য করে এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত হতে।

রহিম, করিম, আমেনা- এরা এ গল্পের নায়ক। রহিম প্রতিদিন ড্রেনে নেমে কাজ করে, করিম প্লাস্টিক সংগ্রহ করে আর আমেনা বর্জ্য আলাদা করে বিক্রি করে। তাদের জীবনের গল্প আলাদা হলেও সংগ্রাম একই। তারা প্রতিদিন লড়াই করে টিকে থাকার জন্য। রহিমের পরিবারে স্ত্রী ও দুই সন্তান। বড় ছেলে স্কুলে পড়ে, ছোট মেয়ে এখনও ছোট। রহিম চায় তার সন্তানরা যেন লেখাপড়া করে মানুষের মতো মানুষ হয়। সে জানে, তার এই কাজ সম্মানজনক না হলেও সৎ। সে পরিশ্রম করে, কারও কাছে হাত পাতে না- এই গর্বই তাকে বাঁচিয়ে রাখে। ড্রেনে কাজ করার সময় তারা কোনো সুরক্ষা পায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খালি হাতে বা সাধারণ কাপড় পরে তারা নেমে পড়ে নোংরা পানিতে। এতে তাদের শরীরে নানা ধরনের রোগ দেখা দেয়। ত্বকের রোগ, জ্বর, সংক্রমণ, শ্বাসকষ্ট এসব যেন তাদের নিত্যসঙ্গী। তবুও তারা চিকিৎসার সুযোগ পায় না, কারণ তাদের আয়ের বেশিরভাগই চলে যায় সংসারের খরচে। অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটে। ড্রেনের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। কখনও কখনও এই দুর্ঘটনা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। কিন্তু এসব খবর খুব কমই প্রকাশ পায়। তাদের মৃত্যু বা কষ্ট সমাজে তেমন আলোড়ন তোলে না।

সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিও তাদের জন্য বড় বাধা। অনেকেই তাদের ঘৃণার চোখে দেখে, তাদের সঙ্গে মিশতে চায় না। অথচ তারা না থাকলে শহরের নালা-ড্রেন পরিষ্কার থাকত না, জলাবদ্ধতা আরও বাড়ত। তাদের কাজের গুরুত্ব অপরিসীম; কিন্তু সম্মান খুবই কম। এই মানুষগুলোর জীবনে আনন্দও আছে, যদিও তা খুব ছোট ছোট বিষয় নিয়ে। দিনের শেষে যখন তারা কিছু টাকা হাতে পায়, তখনই তাদের মুখে হাসি ফুটে। পরিবারের সঙ্গে একবেলা ভালো খাবার খেতে পারা, সন্তানের মুখে হাসি দেখা এসবই তাদের কাছে বড় সুখ। তাদের স্বপ্নও আছে। কেউ চায় নিজের একটি ছোট দোকান খুলতে, কেউ চায় রিকশা কিনে চালাতে, কেউ চায় সন্তানের পড়াশোনা করাতে। এই স্বপ্নগুলোই তাদের বেঁচে থাকার প্রেরণা জোগায়।

এই সমস্যার সমাধানে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এই শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। তাদের সুরক্ষা সরঞ্জাম যেমন গ্লাভস, বুট, মাস্ক প্রদান করা জরুরি। এতে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে। তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের নতুন দক্ষতা শেখানো যেতে পারে, যাতে তারা অন্য পেশায় যেতে পারে। এতে তাদের জীবনমান উন্নত হবে। সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের বুঝতে হবে, কোনো কাজই ছোট নয়। যারা ড্রেনে নেমে কাজ করে, তারা আমাদের সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের প্রতি সম্মান ও সহানুভূতি দেখানো আমাদের দায়িত্ব।

সরকারের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা যদি এই শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক সহায়তা এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে, তবে তাদের জীবন অনেকটাই সহজ হয়ে উঠবে। পাশাপাশি, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রেন পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা হলে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের প্রয়োজন কমে আসবে। বেসরকারি সংস্থা ও সামাজিক সংগঠনগুলোও এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা সচেতনতা তৈরি করতে পারে, প্রশিক্ষণ দিতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে পারে। একটি সভ্য সমাজের পরিচয় তার দুর্বল মানুষের প্রতি আচরণে প্রকাশ পায়। আমরা যদি সত্যিই উন্নত হতে চাই, তবে এই মানুষগুলোর কথা ভাবতে হবে। তাদের জীবনমান উন্নত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ড্রেনের পানিতে জীবিকা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় সমাজের বৈষম্য।

একদিকে উন্নত জীবন, অন্যদিকে নোংরা পানিতে ডুবে থাকা জীবন। এই বৈষম্য দূর করা সহজ নয়, কিন্তু অসম্ভবও নয়। আমরা যদি একটু সচেতন হই, একটু মানবিক হই, তবে পরিবর্তন সম্ভব। ছোট ছোট উদ্যোগ থেকেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে। যেমন তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা, তাদের কাজের প্রতি সম্মান দেখানো, কিংবা তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসা। শেষ পর্যন্ত, এই মানুষগুলো আমাদেরই অংশ। তাদের ছাড়া শহরের জীবন কল্পনা করা কঠিন। তাই তাদের অবদান স্বীকার করা এবং তাদের জীবনমান উন্নত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

ড্রেনের নোংরা পানিতে নেমে যারা প্রতিদিন জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে, তারা নিঃসন্দেহে এই শহরের নীরব যোদ্ধা।

তাদের কষ্ট, তাদের ত্যাগ এবং তাদের পরিশ্রম আমাদের কাছে অমূল্য। একদিন হয়তো এমন সময় আসবে, যখন কেউ আর ড্রেনের পানিতে নেমে জীবিকা নির্বাহ করতে বাধ্য হবে না। সেই দিনই হবে আমাদের সত্যিকারের উন্নয়নের দিন। এই বাস্তবতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো শিশুদের জীবন। ড্রেনের পাশে বড় হওয়া অনেক শিশুই ছোটবেলা থেকেই এই পরিবেশের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তারা খেলার মাঠ পায় না, পরিষ্কার পানি পায় না, নিরাপদ পরিবেশও পায় না। অনেক সময় তারা বাবা-মায়ের সঙ্গে ড্রেনের পাশে গিয়ে বসে থাকে, কিংবা ছোটখাটো কাজে সাহায্য করে। ফলে খুব অল্প বয়সেই তারা শ্রমের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, যা তাদের শৈশব কেড়ে নেয়। শিক্ষা থেকেও তারা বঞ্চিত হয়।

স্কুলে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও অনেক সময় দারিদ্র্যের কারণে তা সম্ভব হয় না। বই-খাতা কেনার টাকা থাকে না, কিংবা পরিবারের আয়ের জন্য কাজ করতে হয়। ফলে একটি প্রজন্ম একই চক্রে আটকে পড়ে দারিদ্র্য থেকে শ্রম, আর শ্রম থেকে আবার দারিদ্র্য। এই চক্র ভাঙা খুব কঠিন হয়ে যায়। নারীদের অবস্থাও এখানে খুব একটা ভালো নয়। অনেক নারীও এই কাজে জড়িত থাকে, বিশেষ করে বর্জ্য আলাদা করা বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস সংগ্রহের কাজে। তারা একদিকে ঘরের কাজ সামলায়, অন্যদিকে বাইরে কঠিন পরিবেশে কাজ করে। তবুও তাদের আয় তুলনামূলক কম এবং সম্মানও কম পায়। স্বাস্থ্যঝুঁকিও তাদের জন্য দ্বিগুণ শারীরিক ও মানসিক দুই দিক থেকেই। পরিবেশগত দিক থেকেও এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ড্রেনের নোংরা পানি শুধু এই শ্রমিকদের নয়, পুরো শহরের মানুষের জন্যই ক্ষতিকর।

এটি পানিদূষণ, বায়ুদূষণ এবং রোগব্যাধির অন্যতম কারণ।

সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় ড্রেনগুলো দ্রুত ভরে যায়, এবং তখনই প্রয়োজন হয় এই শ্রমিকদের। অর্থাৎ সমস্যার মূল কারণ দূর না করলে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ কখনোই পুরোপুরি বন্ধ হবে না। এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার বড় পরিবর্তন আনতে পারে। উন্নত দেশগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করা হয়, ফলে মানুষের সরাসরি নোংরা পানিতে নামার প্রয়োজন হয় না। আমাদের দেশেও যদি ধীরে ধীরে এই প্রযুক্তি চালু করা যায়, তাহলে এই শ্রমিকদের জীবন অনেকটাই নিরাপদ হবে। একই সঙ্গে তাদের এসব যন্ত্র পরিচালনার প্রশিক্ষণ দিলে তারা নতুন দক্ষতা অর্জন করতে পারবে।

সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। আমরা অনেক সময় নিজেরাই ময়লা ফেলে ড্রেন বন্ধ করি, আবার সমস্যার জন্য অন্যদের দায়ী করি। যদি আমরা সবাই সচেতন হই এবং সঠিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করি, তাহলে ড্রেনের ওপর চাপ অনেক কমে যাবে। এতে এই শ্রমিকদের কাজও সহজ হবে। সবশেষে বলা যায়, ড্রেনের পানিতে জীবিকা শুধু একটি পেশার গল্প নয়; এটি একটি সামাজিক বাস্তবতা, যা আমাদের দায়িত্ব ও মানবিকতার প্রশ্ন তোলে। আমরা যদি সত্যিই পরিবর্তন চাই, তাহলে শুধু সহানুভূতি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তাহলেই হয়তো একদিন এই কঠিন জীবনের গল্প বদলে যাবে আশার গল্পে।

এই মানুষগুলোর জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক ধরনের অদৃশ্য মানসিক সংগ্রামও, যা বাইরে থেকে বোঝা যায় না। প্রতিদিন নোংরা পরিবেশে কাজ করা, মানুষের অবহেলা সহ্য করা এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ভয়- সব মিলিয়ে তাদের মনে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়। তবুও তারা ভেঙে পড়ে না। কারণ তারা জানে, তাদের থেমে যাওয়ার সুযোগ নেই। পরিবারের দায়িত্ব, সন্তানের মুখ, আর বেঁচে থাকার তাগিদ তাদের এগিয়ে যেতে বাধ্য করে। তাদের জীবনে বিনোদন বা বিশ্রামের সুযোগ খুবই সীমিত। দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করার পরও তারা তেমন কোনো স্বস্তি পায় না। অনেকেই আবার সমাজের মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে তাদের আত্মবিশ্বাস কমে যায়, তারা নিজেদের গুরুত্ব কম মনে করতে শুরু করে। এই মানসিক অবস্থাও তাদের জীবনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তবুও আশার কথা হলো পরিবর্তনের সম্ভাবনা এখনও আছে। কিছু কিছু জায়গায় এরই মধ্যে এই শ্রমিকদের নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। তাদের জন্য স্বাস্থ্য ক্যাম্প, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যদিও এই প্রচেষ্টা এখনও পর্যাপ্ত নয়, তবে এটি একটি ভালো সূচনা। আমাদের তরুণ সমাজও এখানে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তারা যদি এগিয়ে আসে, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশ নেয়, কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিষয়গুলো তুলে ধরে তাহলে ব্যাপক পরিবর্তন সম্ভব। সচেতনতা ছড়িয়ে পড়লে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিও ধীরে ধীরে বদলাবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। ছোটবেলা থেকেই যদি শিশুদের মানবিকতা, সহানুভূতি এবং সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে শেখানো হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠবে। তখন হয়তো তারা এই ধরনের বৈষম্য মেনে নেবে না।

সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের প্রত্যেকের ছোট ছোট আচরণও বড় পরিবর্তন আনতে পারে। যেমন রাস্তার পাশে ময়লা না ফেলা, ড্রেনে আবর্জনা না দেওয়া, কিংবা এই শ্রমিকদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করা। এই ছোট কাজগুলোই একসময় বড় পরিবর্তনের ভিত্তি গড়ে তোলে। ড্রেনের পানিতে জীবিকা আমাদের শুধু একটি কষ্টের গল্প শোনায় না; এটি আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়। এটি মনে করিয়ে দেয় সমাজ তখনই সত্যিকারের উন্নত হয়, যখন তার সবচেয়ে অবহেলিত মানুষগুলোও সম্মান ও নিরাপত্তা পায়। তাই পরিবর্তন শুরু হোক আমাদের থেকেই, আমাদের চিন্তা ও আচরণ থেকেই।

লেখক : অর্থনীতিবিদ, কলামিস্ট ও সহযোগী অধ্যাপক, সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত