আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-

বাংলাদেশের সাক্ষরতার তুলনামূলক চিত্র

মো. আনোয়ার হোসেন

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষা জীবনের মৌলিক অধিকার হিসেবে সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত একটি অনন্য বিষয়। এটি মানুষের সুপ্ত মানবিক প্রতিভার সঠিক বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে। সমাজের সব স্তরের মানুষের শিক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি কাজ। দেশের সার্বিক অগ্রগতির জন্য জনশুমারির সঠিক মূল্যায়ন প্রয়োজন হয়। টেকসই উন্নয়নের প্রধান শর্ত হলো দেশের প্রতিটি নাগরিককে শিক্ষিত করা। তাই সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করা একটি অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এ দায়িত্বটি পালন করে। তারা দেশের মানুষের শিক্ষা ও সাক্ষরতার হার পরিমাপ করে। প্রতিষ্ঠানটি জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে এ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের সাক্ষরতার হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি শিক্ষা ক্ষেত্রে আমাদের ইতিবাচক পরিবর্তনের একটি বড় প্রমাণক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

সর্বশেষ জাতীয় শুমারি অনুসারে বাংলাদেশের সামগ্রিক সাক্ষরতার হার ৭৫.০৮ শতাংশ। এ বিশাল পরিসংখ্যানটি আমাদের দেশের অগ্রগতির একটি সুস্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে। দেশের ৬৪টি জেলায় শিক্ষার আলো সমানভাবে ছড়ায়নি। কিছু জেলা শিক্ষায় এগিয়ে থাকলেও অন্য জেলাগুলো এখনো পিছিয়ে রয়েছে। সুষম উন্নয়নের জন্য সকল জেলার শিক্ষার হার বাড়ানো প্রয়োজন। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ঢাকা জেলা শিক্ষায় বেশ এগিয়ে রয়েছে। রাজধানী হওয়ার কারণে এখানে শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা অনেক বেশি পাওয়া যায়। এ জেলায় সাক্ষরতার হার সর্বোচ্চ ৮৪.৬৭ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। তুলনামূলক উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সচেতনতা এখানে মূল ভূমিকা পালন করছে। ঢাকা জেলা একটি দারুণ অনুকরণীয় আদর্শ হতে পারে। সরকারি-বেসরকারি প্রচেষ্টা এ হার বজায় রাখতে সাহায্য করেছে। অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলা অন্যতম অবস্থানে আছে। এ জেলাগুলোর উপজেলাভিত্তিক শিক্ষার হারও বেশ সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে।

অন্যদিকে বান্দরবান জেলায় সাক্ষরতার হার তুলনামূলকভাবে বেশ কম দেখা গেছে। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের কারণে সেখানে শিক্ষার আলো পৌঁছানো কঠিন হয়। এই জেলায় সাক্ষরতার হার হলো মাত্র ৫৪.৪০ শতাংশ। উপজেলা পর্যায়ের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় দেশের সকল উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ সাক্ষরতার হার পিরোজপুরের নেছারাবাদে। এ উপজেলায় সাক্ষরতার হার সর্বোচ্চ ৮৮.৭২ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। স্থানীয় মানুষের সচেতনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ এর প্রধান কারণ। এটি তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষার প্রসারের একটি বড় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বিপরীতে সর্বনিম্ন সাক্ষরতার হার দেখা গেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায়। হাওর অঞ্চলের এ উপজেলায় শিক্ষার আলো এখনো পুরোপুরি পৌঁছায়নি। সেখানে সাক্ষরতার সর্বনিম্ন হার রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ৪৩.৫৫ শতাংশ। ভৌগোলিক পরিবেশ ও অনুন্নত যোগাযোগব্যবস্থা এর জন্য প্রধানত দায়ী। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার হার নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা খুব প্রয়োজন। বাংলাদেশের পাহাড় ও সমতলে অনেক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে। জনশুমারি ২০২২ অনুযায়ী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর গড় সাক্ষরতার হার ৬৫.৫০ শতাংশ। চাকমা ও মারমা জনগোষ্ঠীর মানুষ শিক্ষায় তুলনামূলকভাবে বেশ এগিয়ে রয়েছে। তবে ম্রো ও ত্রিপুরাদের শিক্ষার হার এখনো অনেক কম। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশুদের জন্য মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাঁওতাল ও গারো জনগোষ্ঠীর শিক্ষার হারও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকায় নতুন নতুন বিদ্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ কোটা সুবিধা রয়েছে। এই সুবিধার কারণে উচ্চশিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষার হার আমাদের সমাজের একটি সংবেদনশীল বড় দিক। দেশের প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক সাক্ষরতার হার মাত্র ৪২.১০ শতাংশ। সাধারণ মানুষের তুলনায় এ হার অনেক কম এবং বেশ উদ্বেগজনক। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তবে সুযোগের অভাবে অনেক প্রতিবন্ধী শিশুশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বধির ও বাক-প্রতিবন্ধী মানুষের শিক্ষার হার আরও কম দেখা গেছে। সর্বশেষ শুমারি অনুযায়ী বধির জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৩৫.১৫ শতাংশ। ইশারা ভাষার সঠিক ব্যবহার তাদের শিক্ষার মূল মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। দেশে বধিরদের জন্য বিশেষায়িত বিদ্যালয়ের সংখ্যা খুবই সীমিত পর্যায়ে রয়েছে। এমতাবস্থায়, সব জেলার উপজেলাগুলোর মধ্যে শিক্ষার এ বৈষম্য দূর করতে হবে। পিছিয়ে থাকা অঞ্চলের জন্য বিশেষ আর্থিক বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা আরও জোরদার করা দরকার। গণশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে বয়স্কদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণ শিক্ষার হার বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরক্ষরতা মুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।

দেশের অনগ্রসর উপজেলাগুলোর শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা খুব দরকার। চরাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকার উপজেলাগুলোতে শিক্ষার আলো ছড়াতে হবে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমানোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা জরুরি কাজ। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা অনেক প্রয়োজন। তবেই দেশের প্রতিটি উপজেলার সাক্ষরতার হার দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার উন্নত জেলাগুলোর অভিজ্ঞতা অনুন্নত জেলাগুলোতে কাজে লাগানো অনেক দরকার। জেলা ও উপজেলাভিত্তিক এ পরিসংখ্যানটি আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় সাহায্য করবে। শিক্ষার এ তুলনামূলক চিত্রটি দূরদর্শিতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা দরকার। সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় সামাজিক সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার আলো প্রতিটি ঘরে পৌঁছানোই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার এ সফলতার মডেলটি দেশের অন্যান্য উপজেলায় প্রয়োগ করা যেতে পারে। অন্যদিকে অনগ্রসর সুনামগঞ্জ জেলা নেছারাবাদ উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়া দরকার। এই ধরনের সফলতার মডেলটি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা যেতে পারে।

দেশের প্রতিটি নাগরিকের শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক বড় দায়িত্ব। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাক্ষরতার হার শতভাগ করা প্রয়োজন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সন্তানদের বিদ্যালয়মুখী করার জন্য নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে হবে। আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এখন সময়ের সবচেয়ে  দাবি। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে দক্ষ করে তুলতে হবে। তবেই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে মাথা তুলবে।

সাক্ষরতার এ সামগ্রিক পর্যালোচনা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার শক্তি ও দুর্বলতা দেখায়। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন হারের এ ব্যবধান কমিয়ে আনা আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। প্রতিটি জেলা ও উপজেলার মানুষ যেন সমান সুযোগ-সুবিধা পায়। শিক্ষার আলো থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয় তা দেখতে হবে। দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের শিক্ষা নিশ্চিত করা দরকার। একটি সুশিক্ষিত জাতিই পারে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা দরকার। শিক্ষা ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ জাতীয় উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে। সবার জন্য সমতা নিশ্চিত করতে তাদের শিক্ষার হার আরও বাড়াতে হবে। পাহাড়ি এলাকার মানুষের জন্য বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ করা জরুরি।

প্রতিবন্ধীদের জন্য উপযুক্ত ও প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো তৈরি করা দরকার। প্রতিটি বিদ্যালয়ে তাদের যাতায়াতের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের পাঠদানের উপযোগী করে তুলতে হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষিত করে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব।

দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা প্রয়োজন। ব্রেইল পদ্ধতির বই ও উন্নত প্রশিক্ষণ তাদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে। তাদের সমাজের মূল স্রোতধারায় ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ।

বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মানুষরা সমাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের অবহেলা করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কখনও সম্ভব নয়। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তাদের শিক্ষাব্যবস্থা আরও সহজ করা যায়। ডিজিটাল মাধ্যমে ইশারা ভাষার কোর্স আরও বাড়াতে হবে। পরিবার ও সমাজকে এ বিশেষ শিশুদের প্রতি আরও সহনশীল হতে হবে। তাদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি অনুদান বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তাদের জন্য পর্যাপ্ত ইশারা ভাষার শিক্ষক তৈরি করা খুব প্রয়োজন। এ অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আলোয় নিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার কমাতে হবে। তাদের জন্য উপবৃত্তি ও বিনামূল্যে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা দরকার। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলা অনেক সহজ হবে। অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমেই শুধু এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য বিষয় অত্যন্ত সময়োপযোগী। ইউনেস্কো নির্ধারিত এবারের প্রতিপাদ্য হলো 'মানুষ, গ্রহ এবং সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা'। ইংরেজিতে এটিকে বলা হয় Literacy for people, the planet and prosperity। এ প্রতিপাদ্যটি মানব উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শিক্ষার গুরুত্ব বোঝায়। সমৃদ্ধ পৃথিবী গড়তে সাক্ষরতার কোনো বিকল্প নেই তা এখানে স্পষ্ট। এটি বিশ্ববাসীকে শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন করে অনুপ্রাণিত করবে। সকল অনগ্রসর ও বিশেষ জনগোষ্ঠীর শিক্ষার হার বৃদ্ধি করা আবশ্যক। বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই বললেই চলে। প্রতিটি মানুষের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের সবার হোক অঙ্গীকার। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ হার শতভাগে নেওয়া যেতে পারে। শিক্ষার আলো ছড়ানোর মাধ্যমে সমাজের সব অন্ধকার দূর করা সম্ভব হতে পারে। তবেই আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের মূল উদ্দেশ্য পুরোপুরি সফল ও সার্থক হবে।

পরিশেষে বলা যায়, সাক্ষরতা হলো একটি জাতির সার্বিক অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি। দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছানো আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। জেলা, উপজেলা ও বিশেষ জনগোষ্ঠীর শিক্ষার বৈষম্য দ্রুত দূর করতে হবে। ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য আমাদের সেই পথই দেখায়।

লেখক : প্রাবন্ধিক ও কথা সাহিত্যিক।