স্তন ক্যান্সার—

সচেতনতায় গড়ে উঠুক মানসিক শক্তি

ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ক্যান্সার শব্দটি শুনলেই অনেকের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়। তবে আতঙ্কের পরিবর্তে প্রয়োজন রোগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা, সচেতনতা এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যঝুঁকি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে প্রায় ২৪ লাখ নারী নতুন করে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং প্রায় ৭ লাখ নারী এ রোগে মারা গেছেন। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নারীদের মধ্যে এ রোগের উপস্থিতি রয়েছে।

বাংলাদেশেও স্তন ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। কারণ রোগ সম্পর্কে অজ্ঞতা, সামাজিক সংকোচ, স্তনে পরিবর্তনকে গুরুত্ব না দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে দেরি করার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই রোগ শনাক্ত হতে সময় লেগে যায়। অথচ নিজের শরীরের পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্তন ক্যান্সার কী : স্তনের কোষ যখন স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে, তখন স্তন ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। অস্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি থেকে গুটি বা টিউমার তৈরি হতে পারে। তবে স্তনে তৈরি হওয়া প্রতিটি গুটি ক্যান্সার নয়। কিছু গুটি সম্পূর্ণ নিরীহও হতে পারে। ক্যান্সারযুক্ত কোষ আশপাশের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং পরবর্তী সময়ে শরীরের অন্য অংশেও পৌঁছাতে পারে। এজন্য স্তনে নতুন কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা অবহেলা না করে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি : স্তন ক্যান্সারের কোনো একক কারণ নেই। বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, বংশগত বৈশিষ্ট্য, প্রজনন-সংক্রান্ত কিছু বিষয় এবং জীবনযাপনের কয়েকটি উপাদান ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে কোনো ঝুঁকির কারণ থাকলেই যে ক্যান্সার হবে, এমন নয়। আবার কোনো পরিচিত ঝুঁকি না থাকলেও এ রোগ হতে পারে।

বয়স : বয়স বাড়ার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। তাই বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে নারীদের স্তনস্বাস্থ্য সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

পারিবারিক ইতিহাস : মা, বোন বা মেয়ের মতো নিকটাত্মীয়ের স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বাড়তে পারে। পরিবারের একাধিক সদস্যের স্তন বা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বাস্থ্যঝুঁকি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

বংশগত বৈশিষ্ট্য : কিছু বংশগত জিনগত পরিবর্তন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে। বিশেষ করে পরিবারের একাধিক সদস্য অল্প বয়সে স্তন বা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে বংশগত ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

অতিরিক্ত ওজন : বিশেষ করে মেনোপজের পর অতিরিক্ত ওজন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে।

শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা : দীর্ঘ সময় বসে থাকা এবং শারীরিক কর্মকাণ্ডের অভাব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। নিয়মিত হাঁটা, দৈনন্দিন শারীরিক কাজ এবং বয়স ও সক্ষমতা অনুযায়ী শরীরচর্চা সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তামাক ও ধূমপান : ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। জর্দা, গুলসহ তামাকজাত দ্রব্য থেকে দূরে থাকা তাই অত্যন্ত জরুরি।

অ্যালকোহল : অ্যালকোহল গ্রহণের সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা নিরাপদ।

প্রজনন ও হরমোন-সম্পর্কিত বিষয় : অল্প বয়সে মাসিক শুরু হওয়া, তুলনামূলক বেশি বয়সে প্রথম সন্তান হওয়া, কখনো পূর্ণগর্ভধারণ না হওয়া এবং দীর্ঘ সময় মাসিক চলার মতো কিছু বিষয় স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। সন্তান জন্মের পর বুকের দুধ খাওয়ানোর সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কিছুটা কমার সম্পর্কও পাওয়া গেছে।

স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ : স্তন বা বগলের কাছে নতুন কোনো গুটি বা শক্ত অংশ অনুভূত হওয়া, স্তনের আকার বা আকৃতিতে নতুন পরিবর্তন, স্তনের ত্বকে টান পড়া বা গর্তের মতো পরিবর্তন, ত্বক লালচে, খসখসে বা অস্বাভাবিক হয়ে যাওয়া, স্তনবৃন্তের আকার বা অবস্থানে পরিবর্তন, স্তনবৃন্ত ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া, স্তনবৃন্তের চারপাশে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, বুকের দুধ না খাওয়ানোর সময় অস্বাভাবিক, তরল বা রক্তাক্ত তরল বের হওয়া, স্তনের কোনো অংশ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা বা পুরু হয়ে যাওয়া। তবে এসব লক্ষণের কোনো একটি দেখা দিলেই ক্যান্সার নিশ্চিত হয় না। বিভিন্ন নিরীহ কারণেও একই ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। কিন্তু নতুন কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে সেটি উপেক্ষা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ব্যথা না থাকলেও সতর্ক থাকুন : অনেকের ধারণা, স্তনে ব্যথা না থাকলে ক্যান্সারের আশঙ্কা নেই। এটি সঠিক নয়। স্তন ক্যান্সারের অনেক ক্ষেত্রেই প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যথা থাকে না। আবার স্তনে ব্যথা থাকলেই ক্যান্সার হবে— এমনও নয়। হরমোনজনিত পরিবর্তন, সংক্রমণ বা অন্যান্য কারণেও স্তনে ব্যথা হতে পারে। তাই ব্যথা আছে কি নেই, শুধু এই একটি বিষয় দিয়ে রোগের প্রকৃতি নির্ধারণ করা যায় না।

সব গুটি ক্যান্সার নয় : স্তনে গুটি অনুভূত হলেই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। সিস্ট বা অন্যান্য নিরীহ কারণেও স্তনে গুটি হতে পারে। কিন্তু গুটি ক্যান্সারযুক্ত কি না তা শুধু হাত দিয়ে অনুভব করে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নতুন গুটি পাওয়া গেলে ভয় না পেয়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরামর্শ নেওয়া উচিত।

পুরুষেরও হতে পারে স্তন ক্যান্সার : স্তন ক্যান্সারকে শুধু নারীর রোগ মনে করা ঠিক নয়। পুরুষদের মধ্যেও এ রোগ হতে পারে, যদিও তা নারীদের তুলনায় অনেক কম। পুরুষের স্তনে অস্বাভাবিক গুটি, স্তনবৃন্তের পরিবর্তন বা অস্বাভাবিক নিঃসরণ দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়।

নিজের স্তনের স্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকুন : নারীরা নিজের স্তনের স্বাভাবিক আকার ও গঠন সম্পর্কে সচেতন থাকতে পারেন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দুই স্তনের মধ্যে নতুন কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না লক্ষ্য করা যায়। স্বাভাবিকভাবে স্পর্শ করার সময় নতুন কোনো গুটি, শক্ত অংশ বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন অনুভূত হচ্ছে কি না খেয়াল করা যেতে পারে। তবে নিজের পর্যবেক্ষণ কোনো রোগ নির্ণয়ের বিকল্প নয়। কোনো পরিবর্তন সন্দেহজনক মনে হলে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরামর্শ নেওয়া উচিত।

কখন গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে : স্তনে নতুন গুটি, স্তনবৃন্তের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, রক্তাক্ত বা অস্বাভাবিক নিঃসরণ, ত্বকে পরিবর্তন, স্তনের আকারে আকস্মিক পরিবর্তন কিংবা দীর্ঘস্থায়ী অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে বিষয়টি ফেলে রাখা উচিত নয়।

বিশেষ করে পরিবারের কারও স্তন বা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে নিজের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

রোগ শনাক্তকরণে পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ : স্তন ক্যান্সার শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষা করা হতে পারে। বয়স, উপসর্গ এবং ব্যক্তিগত ঝুঁকি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী বা চিকিৎসক কোন পরীক্ষা প্রয়োজন তা নির্ধারণ করেন। শুধু গুটি অনুভব করে কিংবা শুধু বাহ্যিক পরিবর্তন দেখে ক্যান্সার নিশ্চিত করা যায় না। প্রয়োজন অনুযায়ী চিত্রভিত্তিক পরীক্ষা এবং সন্দেহজনক অংশের টিস্যু পরীক্ষা করা হতে পারে।

প্রতিরোধে জীবনযাপনের ভূমিকা : স্তন ক্যান্সার শতভাগ প্রতিরোধের নিশ্চয়তা কোনো পদ্ধতিই দিতে পারে না। তবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা এ রোগের সম্ভাবনা কমাতে সহায়ক হতে পারে।

নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতে হবে। দীর্ঘ সময় একটানা বসে না থেকে নিয়মিত হাঁটা, দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে হবে। বিশেষ করে মেনোপজের পর অতিরিক্ত ওজন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য পরিহার করতে হবে। সিগারেটের পাশাপাশি জর্দা, গুল ও অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য থেকেও দূরে থাকতে হবে। অ্যালকোহল এড়িয়ে চলতে হবে। অ্যালকোহল গ্রহণের সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকির সম্পর্ক রয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এটি পরিহার করা গুরুত্বপূর্ণ। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফল, ডাল, পূর্ণশস্যসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার রাখতে হবে।

অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার কমাতে হবে। অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামের অভ্যাস বজায় রাখতে হবে। নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি বজায় রাখা এবং দীর্ঘদিনের অনিয়মিত জীবনযাপন এড়িয়ে চলা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নিজের স্তনের স্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। স্তনের আকার, আকৃতি, ত্বক বা স্তনবৃন্তে নতুন কোনো পরিবর্তন, গুটি কিংবা অস্বাভাবিক নিঃসরণ দেখা দিলে তা অবহেলা করা যাবে না।

পারিবারিক ইতিহাসকে গুরুত্ব দিতে হবে। মা, বোন, মেয়ে বা অন্য নিকটাত্মীয়ের স্তন বা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে বিষয়টি চিকিৎসককে জানাতে হবে। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরীক্ষা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। বয়স, ব্যক্তিগত ঝুঁকি ও পারিবারিক ইতিহাস অনুযায়ী কখন এবং কী ধরনের পরীক্ষা প্রয়োজন, সে বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন হরমোনভিত্তিক ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশেষ করে মেনোপজ-সংক্রান্ত হরমোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ঝুঁকি ও সম্ভাব্য উপকার-ক্ষতি সম্পর্কে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন।

সন্তান জন্মের পর সম্ভব হলে বুকের দুধ খাওয়ানোকে উৎসাহিত করতে হবে। বুকের দুধ শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস এবং মায়ের জন্যও বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত উপকারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক জীবনের অতিরিক্ত চাপ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত বিশ্রাম, বিনোদন, সামাজিক যোগাযোগ ও ইতিবাচক জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।

দীর্ঘদিনের অনিয়মিত জীবনযাপন পরিহার করতে হবে। অনিয়মিত ঘুম, অতিরিক্ত বসে থাকা, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ধীরে ধীরে পরিবর্তন করে স্বাস্থ্যকর রুটিন তৈরি করা উচিত।

গুজব ও ভুল তথ্য থেকে সতর্ক থাকতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো খাবার, ভেষজ বা ঘরোয়া পদ্ধতিকে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধের নিশ্চিত উপায় মনে করা উচিত নয়। স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে নির্ভরযোগ্য তথ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে। কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে দেরি না করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে হবে। স্তনে নতুন গুটি, ত্বক বা স্তনবৃন্তের পরিবর্তন কিংবা অস্বাভাবিক নিঃসরণ দেখা দিলে ভয় না পেয়ে দ্রুত স্বাস্থ্য পেশাজীবীর পরামর্শ নেওয়াই সচেতনতার পরিচয়।

 

লেখক : জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক