পারিবারিক বন্ধন

রঙিন জীবন বর্ণিল আনন্দ

মনসুর আজিজ

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

'এই ধরো অনভ্যস্ত হাত/তোমার হাতের কোমল স্পর্শে আমাকে অভ্যস্ত করে তোলো।' আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অতলান্ত নীলচোখ' এর দুটি লাইন দিয়ে শুরু করছি। দুটি অপরিচিত হাত মিলে একটি বন্ধন তৈরি হয়। এই বন্ধন টিকে থাকে আমৃত্যু। মাঝেমধ্যে হোঁচট খায় কেউ কেউ। কেউ আমার সামলে নিয়ে পথটাকে করে তোলে মধুময় কেউবা আটকে যায় জীবনের চোরাবালিতে। মানবসমাজের ক্ষুদ্র ইউনিট বা বিশ্ব হলো পরিবার। এই ইউনিট যদি সুখী হয়, সমৃদ্ধ হয়, তবে তার হাওয়া বিশ্বে লাগবেই। যে দেশের পরিবারগুলো সুখী সেই দেশটাও সুখী। দার্শনিক এরিস্টটল বলেছেন— Man is by nature a social and political animal and a man who is not a member of a society is either god or beast. অর্থাৎ যে মানুষ সমাজের সদস্য নয়, সে হয় দেবতা— না হয় পশু। মানুষ পশুও নয়— দেবতাও নয়। মানুষকে সামাজিকই থাকতে হয়; সমাজ গঠনের মাধ্যমে, সমাজ নির্মাণের মাধ্যমে। নারী-পুরুষের চিরন্তন সম্পর্ক বিবাহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিবাহ ছাড়া একত্র বসবাস সভ্যসমাজে এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হয়নি। পৃথিবীর প্রায় সব জাতি গোষ্ঠীরই বিবাহ সম্পর্কটি প্রতিষ্ঠিত হয় ধর্মীয় আচারের দ্বারা। ভিন্ন ধর্মের দুজন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে আচার পালনে সংসারে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। যদি তারা ধর্ম বিমুখ হয়, তবে ভিন্ন কথা। তাছাড়া সন্তানদের আইডেনটিটি নিয়েও সমাজে নানা ঝামেলা পোহাতে হয়। তবে এক্ষেত্রে ধর্মত্যাগের ঘটনাই বহুল। হয় স্ত্রী-স্বামীর ধর্মগ্রহণ করে, নয়তো স্বামী-স্ত্রীর ধর্ম। এক্ষেত্রে পারিবারিক বঞ্চনাও তাদের কম পোহাতে হয় না। স্বামী-স্ত্রীর একজন যদি গোড়া ধার্মিক হন, তবে আচার পালনে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিপরীত ধর্মের দম্পতি সুখী হয় না। আবার শিক্ষা-দীক্ষা, চাল-চলন, ব্যবহার, পোশাক-পরিচ্ছদ, কালচার, অর্থনৈতিক অবস্থা, শারীরিক গঠন, সৌন্দর্য, গায়ের রং, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের শিক্ষা সামাজিক অবস্থান বিবাহের আগে বিবেচনা করতে হয়। এসব বিষয় বিবেচনা না করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে সারাজীবনই সংসারে যুদ্ধ করে কাটাতে হয়। তবে দু'চারটি ব্যতিক্রম যে নেই— তা নয়।

পারিবারিক সুখনির্ভর করে বোঝাপড়ার উপর, ত্যাগের উপর। ভালোবাসা একমুখী হয় না। চীনা কবি জ্যাঙ জিমিন এর 'তারা দুজন প্রেমে পড়েছিল' কবিতার দুটি লাইন হলো— 'অপলক তাকিয়ে থাকাই ছিল ছেলেটির নিবেদন/ মিষ্টি হাসিটিই ছিল মেয়েটির প্রতিদান'। এই নিবেদন আর আর প্রতিদানই হলো সম্পর্ক। ইজাব বললে কবুল বলতে হয়। না বললে আর বন্ধন হয় না। প্রেম আর কাম এক কথা নয়। কাম মুহূর্তের ঝলকানি। প্রেম শ্বাশ্বত। প্রেমের জন্য একটি জীবন বিলিয়ে দিতে হয়। কামের জন্য তা লাগে না। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটি প্রেমের; কামের নয়। প্রেমময় দুটি চোখ থাকলে অপলক তাকিয়ে থাকা যায়। সন্দেহ থাকলে আর চার চোখের মিলন হয় না। দাম্পত্য জীবন নির্ভর করে দম্পতির ওপর। তারাই ঠিক করতে পারেন তাদের সম্পর্কটি কেমন হবে। আদর্শ দম্পতি উন্নত সভ্যতার ভিত্তি। আদর্শের মাপকাঠি নির্ণয় করা কঠিন। একজনের জীবনে যা আদর্শ তা অন্যজনের জীবনে নাও হতে পারে। আদর্শ বিষয়টিও আপেক্ষিক। একজন যে আদর্শের জন্য প্রাণপাত করতে প্রস্তুত অন্যজন তার জন্য বিন্দু পরিমাণ ত্যাগ স্বীকার করতেও রাজি নন। হয়তো তিনি বিপরীত আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে জীবন বিলিয়ে দিতে পারেন।

এই বিপরীত আদর্শের দম্পতির জীবনে কখনও সুখ বয়ে আনতে পারে না। সারাটি জীবনই তাদের বিষাদে কাটাতে হয়। সেজন্য দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপনের আগেই যদি ব্যক্তিজীবনের আদর্শ জেনে নেওয়া যায়, তবে আর আদর্শিক সমস্যায় নিজেদের জীবন দুর্বিষহ হবে না। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক আদর্শও বিবেচনা করতে হয়। একই ঘরে ভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শের মানুষ তর্কছাড়া চলতে পারেন না। রাজনৈতিক বিতর্ক হানাহানিতেও রূপ নেয়। সংসারটি পরিণত হয় শ্মশানে।

স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে বিশ্বাস করবে ষোলো আনা। কেউ যদি বিশ্বাসের শিকলটি খুলে ফেলে তবে অবিশ্বাস ধেয়ে আসবে বল্গাহীন ঘোড়ার মতো। যার রাশ আর কেউ টেনে ধরতে পারবে না। একবার বিশ্বাসহারা হয়ে গেলে তাদের মধ্যে বিশ্বাস জোড়া লাগানো কঠিন। প্রতিক্ষণে মুচলেকা দিয়ে বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হয়। কেউ কাউকে অশ্রদ্ধা করলে আর সম্পর্কটি মধুময় থাকে না। বিষাদের হেমলকে ভরে ওঠে জীবন। নানা কারণে পারস্পরিক অশ্রদ্ধা চলে আসতে পারে। মিথ্যে বলা, চাতুর্যপূর্ণ কথা, ছলনা, ব্যক্তিত্বহীন আচরণ, শিক্ষা ও কালচারের অভাবজনিত কারণে জীবন বিষিয়ে উঠতে পারে। কেউ কাউকে হেয় বা ছোট করলেও পারস্পরিক অশ্রদ্ধা আসতে পারে। শ্রদ্ধা শুধু স্বামীরই প্রাপ্যধন নয়; স্ত্রীরও প্রসাধন। হয়তো অনেকে মনে করবেন স্ত্রীকে আবার শ্রদ্ধা করা যায় নাকি? যায়; স্ত্রীও চায় স্বামী তাকে সম্মান দিয়ে কথা বলুক, গুরুত্ব দিক। তার কথা মন দিয়ে শুনুক। আপনার স্ত্রীর কথা যদি অযৌক্তিকও হয়, তবে সঙ্গে সঙ্গে নাকচ করার দরকার নেই। আপনি শুনুন তিনি কী বলতে চান এর পর বুঝিয়ে বলুন। অনেকের স্বভাব আছে সবার সামনে স্ত্রীকে ছোট করা। 'তুমি কি বোঝো, চুপ থাকো— ধরনের কথা। অনেক স্ত্রীও পৈত্রিক ঠাট, আভিজাত্য, অর্থ-সম্পদের বড়াই করে স্বামীকে ছোট করেন। স্বামী যদি বিদ্যার দৌড়ে পিছিয়ে থাকে, পদে যদি নিচে থাকে আর সৌন্দর্যে যদি রোশনাই না হয়, তবে স্ত্রী তাকে পদে পদে নাজেহাল করেন। যদি মনে বাজে 'আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ' তবে আর তাকে ছোট করে লাভ কী। আপনি যদি আপনার স্বামী বা স্ত্রীকে মর্যাদা না দেন, সম্মান না করেন, তবে কারও কাছে তা প্রত্যাশা করাটা বোকামি।

অর্থনৈতিক টানাপোড়েন দাম্পত্যজীবনে নিদারুণ প্রভাব ফেলে। মেয়েদের ভেতর জেলাসিভাব প্রকট। অমুকের এটা আছে আমার নেই। তমুকের গাড়ি আছে, ফ্ল্যাট আছে— আমার নেই। 'তার স্বামী প্রতি মাসে নতুন নতুন শাড়ি কিনে দেয় তুমি বছরে একটাও দাও না'— এরকম আবদারের আগে নিজের সঙ্গতিটি বিচার করুন। মানুষের চাহিদার কোনো শেষ নেই। আয়ের সাথে সঙ্গতিহীন ব্যয় জীবনকে ঋণের তলায় পিষ্ট করে। এই যাতাকল থেকে আর উদ্ধার পাওয়া যায় না। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে গেলে পারিবারিক জীবনে অশান্তি নেমে আসতে বাধ্য। সন্তানদের ভেতরও তা সংক্রমিত হয়। আপনার সাধ্যমতো আপনি পারিবারিক ও সামাজিক ব্যয় নির্বাহ করুন, দেখবেন অপ্রাপ্তি থাকবে না। অভাবের শেষ নেই চাহিদারও বিরাম নেই। অল্পতে তুষ্ট থাকার চেষ্টা করুন। দেখবেন জীবন কতো আনন্দের। সম্পর্ক কতো মধুর। একটি সুখী দম্পতির অসাধারণ গুণ হলো মেজাজের ভারসাম্য। মেজাজের ভারসাম্যহীন দম্পতি নিজের মেজাজকে পরিমাপ করতে পারে না। কেউ কাউকে মেনে নিতে পারে না। জীবনের চৌহদ্দিতে খিটমিটে ভাব সর্বদা বিরাজমান থাকে তাদের জীবনে। মেজাজ নিয়ন্ত্রণে থাকলে পারিবারিককলহ দূর করা যায়। একজনকে চুপ থাকতেই হয়। একজন ভুল করলে অন্যজনের উচিত শুধরে দেওয়া। তবে এ ক্ষেত্রে দেখা যায় ভুল শোধরানোর চাইতে উপদেশ বাণী বর্ষিত হয় বেশি। কাউন্সেলিং এর কোনো বিকল্প নেই। তবে এটা সময় নিয়ে করতে হয়। অনেকেই তাৎক্ষণিক নসিহত করতে অভ্যস্ত। এটা করলে মেজাজ আরও তিরিক্ষি হয়ে ওঠে। এরপর ভাঙচুরের সিডর নামে সংসারে। ঝড় যখন থামে তখন দু'হাতে সাফ করতে নেমে যায়। লোকসানটি কার হলো? কী কারণে হলো— একবার বিচার করুন, দেখবেন ভবিষ্যতে আর হবে না। যদি নিজের মেজাজকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন তবে আপনি সফল। একটি কথা আছে 'রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন'।

কোনো স্ত্রীই চায় না তার স্বামী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করুক। স্বামীর একাধিক বিয়ে দাম্পত্যজীবনকে বিষিয়ে তোলে। তার প্রভাব পড়ে ব্যক্তিজীবন থেকে কর্মজীবনে, কর্মজীবন থেকে সামাজিক জীবনে। বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানদের টানাপোড়েন চলতে থাকে হরহামেশা। আত্মীয়স্বজনের কটাক্ষ ও টিপ্পনি জীবনকে করে তোলে বিপন্ন। তাই পারতপক্ষে দ্বিতীয় বিয়ে না করাই শ্রেয়।

সন্তানহীনতাও সংসারে অশান্তি ডেকে আনে। একজন আরেকজনের ওপর দোষারোপ করে। সমস্যাটি কার— পরীক্ষা করে দেখে না। এ সমস্যা দূর করার জন্য উভয়েরই চিকিৎসা দরকার। আমরা অনেক সময় ভাগ্যকে দোষারোপ করি। ভাগ্যকে দোষ দিয়ে কী লাভ বলুন? অনেক নিঃসন্তান দম্পতি আছে অসম্ভব সুখী। চেষ্টা করে যান, কাউকে দোষ না দিয়ে। স্মার্ট ফোন বের হবার পর আজকাল একটি সামাজিক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যত্রতত্র ছবি, সেলফি তোলা, ফেসবুকসহ নানা সামাজিকমাধ্যমকে ব্যবহার করে পারিবারিক শান্তি বিনষ্ট করছে কেউ কেউ। বিবাহিত নারী-পুরুষ পরকীয়ায় আসক্ত হচ্ছে। সামাজিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ছে ক্রমশ। পরকীয়া সম্পর্ক রেকর্ড করে ফেসবুক, ইউটিউবে ছেড়ে দিয়ে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। স্বামী-স্ত্রীর দীর্ঘদিনের বিশ্বাস নষ্ট হচ্ছে। আত্মহত্যা, খুন, কলহ, ঝগড়া-ফ্যাসাদ ক্রমশ বাড়ছে। এসব ক্ষেত্রে নিজেদের আরও সংযমী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব রয়েছে তা নিয়ন্ত্রণের।

স্বামী-স্ত্রীর কেউ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়লে পারিবারিক জীবনে অশান্তি নেমে আসে চরম। নেশা জীবনকে ঘূণপোকার মতো ধীরে ধীরে খায়। কেউ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়লে তার চিকিৎসার চেয়ে আওয়াজটি বেশি শোনা যায় গালিগালাজের, ঝগড়াঝাটির। নিরাময়ের চিন্তা করে না কেউ। শারীরিক মানসিক অবসাদ, অর্থনৈতিক দৈন্যদশা, সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যা, পদোন্নতি না পাওয়া, অসৎসঙ্গ— নেশাগ্রস্ত হবার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। তাছাড়া পারস্পরিক সম্পর্ক মধুর না হলেও স্বামী বা স্ত্রী নেশাগ্রস্ত হতে পারে। চিকিৎসার পাশাপাশি পরস্পরকে সময় দিলে এই সমস্যা কেটে যেতে পারে। আদর্শ দম্পতি সমাজ কাঠামোরই অংশ। আদর্শ দম্পতির প্রভার তার সন্তানদের ওপর পড়ে সবচেয়ে বেশি। আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর উপর তারা রোল মডেল হিসেবে কাজ করেন। আদর্শ দম্পতির সংখ্যা যতই বৃদ্ধি পাবে একটি রাষ্ট্র ততই এগিয়ে যাবে। আদর্শ দম্পতিকে হতে হয় সংযমী, দায়িত্বশীল, নির্লোভ মনোভাবের অধিকারী। তাদের সুন্দর ব্যবহার আত্মীয়স্বজনের ওপর দারুণ প্রভাব ফেলে। সংসারের প্রতিটি কাজে তাদের ভূমিকা অনুসরণীয়। দুজন-দুজনকে বুঝতে শেখার ভেতর দিয়ে সম্পর্কটি আরও মজবুত করা যায়। পারিবারিক বিষয়াদী পরামর্শ করে করলে অশান্তি দূর করা যায়। কাজেও সফলতা আসে। মাঝে মাঝে দূরে কোথাও বেড়াতে গিয়ে নিজেদের সম্পর্ককে আরও মধুময় করা যায়। আমরা সবসময় মনে করি স্ত্রীগণই স্বামীদের সেবা করবে। কিন্তু স্ত্রীও যে একজন মানুষ, তিনিও যে অসুস্থ হতে পারেন, তারও যে সেবার দরকার হতে পারে— এটি চিন্তায়ও আনি না। স্ত্রী অসুস্থ হলে তার সেবা করা স্বামীরও কর্তব্য। স্ত্রী হলো সংসার নামক বৃত্তটির কেন্দ্র। তিনি সুস্থ থাকলে পরিবার সুস্থ থাকে। তিনি অসুস্থ হলে পুরো সংসারটাই এলোমেলো হয়ে যায়। সংসারের ছোটখাটো কাজে আপনি হাত লাগান দেখবেন, আপনার স্ত্রী মহাখুশি। ছুটির দিনগুলোতে বাইরের ব্যস্ততা কমিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান— দেখবেন পারিবারিক বন্ধন ও ভালোবাসা অনেক মধুর হবে।

মাঝেমধ্যে ছোটখাটো উপহার দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আরও গাঢ় করা যায়। নির্মল আনন্দের মধ্য দিয়ে নিজেদের সম্পর্ক আরও মধুময় করা যায়। বন্ধন যদি প্রগাঢ় হয়— দাম্পত্য জীবন হয়ে উঠবে আরও রঙিন, আরও বর্ণিল।

 

লেখক : কবি ও কথাসাহিত্যিক

সম্পাদক : আড্ডাপত্র