যেটুকু ভাগ্যে লেখা, সেটুকুই শেষ পর্যন্ত নিজের হয়ে আসে

প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বিনোদন প্রতিবেদক

একটা সময় তাকে সবাই চিনত ‘আয়নাবাজির নাবিলা’ নামে। এরপর দীর্ঘ বিরতি। অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো আর বড় পর্দায় দেখা যাবে না তাকে। কিন্তু তিনি ফিরলেন এমন এক সিনেমা দিয়ে, যা দেশের সিনেমা ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত বাণিজ্যিক ছবিতে পরিণত হলো। সেটি ‘তুফান’। আর এখন তিনি পরিচিত সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের চলচ্চিত্র ‘বনলতা সেন’ দিয়ে। এই তিনটি সিনেমা যেন মাসুমা রহমান নাবিলার অভিনয়জীবনের তিনটি আলাদা অধ্যায়। ফলে তিনটি ভিন্ন সময়ের ভিন্ন চরিত্র এবং ভিন্ন অভিজ্ঞতার গল্প জমা হয়েছে তার ঝুলিতে।

মজার ব্যাপার হলো, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নাবিলার চলচ্চিত্রের সংখ্যা হাতে গোনা। অথচ সেই অল্প কাজই তাকে এনে দিয়েছে স্থায়ী পরিচিতি। সংখ্যার চেয়ে মানের ওপর বিশ্বাস রাখা এই অভিনেত্রী এখন মনে করেন, তার ভাগ্যটাই হয়তো এমন ছিল।

সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় নাবিলা বলেন, এখন ফিরে তাকালে তার মনে হয়, কম কাজ করলেও তিনি ভীষণ ভাগ্যবান। কারণ তাঁর করা তিনটি সিনেমার কোনোটিই এমন হয়নি যে মুক্তি পেয়েই হারিয়ে গেছে; বরং প্রতিটি সিনেমাই দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।