বিতর্কিত অনুষ্ঠানে সেরা হয়ে কোটি টাকা জিতলেন

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বিনোদন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয় মুখ শ্রেয়া কালরা এবার নিজের সাফল্যের মুকুটে যোগ করলেন নতুন পালক। দীর্ঘ প্রতিযোগিতা, বিতর্কের পর নেটফ্লিক্সের রিয়েলিটি শো ‘লক আপ’-এর দ্বিতীয় আসরের বিজয়ী হয়েছেন তিনি। ট্রফির পাশাপাশি জিতেছেন ১ কোটি রুপি পুরস্কার।

১৯৯৭ সালের ১৪ জানুয়ারি ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে জন্ম শ্রেয়া কালরার। এমবিএ ডিগ্রিধারী এ কনটেন্ট নির্মাতা প্রথম জনপ্রিয়তা পান টিকটকে নাচ ও লিপ সিংক ভিডিও প্রকাশ করে। ভারতে টিকটক নিষিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবকে কেন্দ্র করে নিজের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করেন। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল, বিনোদন ও নাচের ভিডিওর মাধ্যমে দ্রুত বড় অনুসারী গড়ে তোলেন।

ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পর ২০২০ সালে ‘এমটিভি রোডিজ রেভোল্যুশন’-এ ওয়াইল্ডকার্ড প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নেন শ্রেয়া। এরপর একাধিক মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেন। কৌতুকশিল্পী ও রিয়েলিটি শো বিজয়ী মুনাওয়ার ফারুকির সঙ্গে ‘দ্য সোসাইটি’-এর দ্বিতীয় মৌসুম সঞ্চালনা করেন। পাশাপাশি ‘ ডোন্ট স্পিল টু মাচ’ নামে একটি পডকাস্টও শুরু করেন। কয়েকটি ওটিটি মিনিসিরিজেও অভিনয় করেছেন তিনি। ‘লক আপ ২’-এ শুরু থেকেই নিজের পরিকল্পিত কৌশল, স্পষ্টভাষ্য এবং মানসিক দৃঢ়তার জন্য আলোচনায় ছিলেন শ্রেয়া। প্রতিদ্বন্দ্বীদের একের পর এক আক্রমণ ও সমালোচনার মুখেও তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে যাননি। বিভিন্ন টাস্কে ভালো পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সংঘাতের মুহূর্তেও আত্মবিশ্বাস ধরে রাখায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা পান।

শুধু খেলার জন্য নয়, বিতর্কের কারণেও মৌসুমজুড়ে আলোচনায় ছিলেন শ্রেয়া কালরা। প্রতিযোগী শিবাঙ্গী জোশী, আকাঙ্ক্ষা চৌধুরী, যোগেশ রাওয়াত ও হর্ষদ চোপড়ার সঙ্গে তার একাধিকবার তীব্র বাগ্?বিতণ্ডা হয়।

সবচেয়ে বড় বিতর্কের জন্ম হয়, যখন তিনি এক প্রতিযোগীর স্পর্শকাতর বিষয়ে মন্তব্য করেন। এ ঘটনার পর বাড়ির বেশির ভাগ সদস্য তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন শ্রেয়া। পরে শিলপা শিন্দের সঙ্গেও তার তীব্র বিরোধ দর্শকদের নজর কাড়ে। শিলপার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে নিজের প্রকৃত মতামত গোপন করার অভিযোগও করেন শ্রেয়া।

তবে এসব বিতর্কের মধ্যেও তিনি প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েননি। বরং প্রতিটি পরিস্থিতিকে নিজের পক্ষে কাজে লাগিয়ে ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে যান।