‘আম্মাজান’ মুক্তির আগেই বস্তায় ভরে টাকা নিয়ে যান ডিপজল

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বিনোদন প্রতিবেদক

মান্না অভিনীত ‘আম্মাজান’ সিনেমাটি মুক্তির আগের দিনই ১ কোটি ৪ লাখ টাকা তুলে ফেলেন এ সিনেমার প্রযোজক ডিপজল। সেদিন বস্তায় ভরে এ টাকা নিয়ে যান তিনি। সিনেমাটি করতে খরচ হয়েছিল মোট ১ কোটি ২ লাখ টাকা। সম্প্রতি নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও কনটেন্টে এসব তথ্য দিয়েছেন ‘আম্মাজানের’ পরিচালক কাজী হায়াৎ। ১৯৯৯ সালের ২৫ জুন মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি নিয়ে ভিডিওতে কাজী হায়াৎ বলেন, আম্মাজান আমার জীবনের সবচেয়ে ব্যবসা সফল ছবি। শুক্রবার ছবিটির রিলিজ ছিল। বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় যখন ছবিটি মুক্তি দিয়ে, মানে সব প্রিন্ট হলে পৌঁছে দিয়ে ঘরে এলাম, তখন ২ লাখ টাকা লাভ। অর্থাৎ ১ কোটি ২ লাখ টাকা খরচ ছিল, ১ কোটি ৪ লাখ টাকা ডিপজল বস্তায় ভরে নিয়ে গেল। এটি ছিল ফিল্মের একটা রেকর্ড। ওই ভিডিওতে কাজী হায়াত আরও জানান, তুমুল আলোচিত এ সিনেমায় আম্মাজান চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল কিংবদন্তি অভিনেত্রী সাবানার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ‘মান্নার মা’ হিসেবে তিনি পর্দায় না আসার সিদ্ধান্ত নেন। পরে এই সিনেমায় নামভূমিকায় ‘আম্মাজান’ চরিত্রে অভিনয় করেন শবনম। এ সিনেমার আরও মজার ঘটনা হলো ডিপজল শুরুর দিকে মান্নাকে নায়ক হিসেবে নিতেই চাননি। কারণ ওই সময় মান্নার সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। কিন্তু মান্নার স্বভাব এমন ছিল যে, ভালো গল্পের কথা শুনলেই নিজে থেকে চলে আসতেন ডিপজলের কাছে। এক্ষেত্রেও তাই। পরে পরিচালক কাজী হায়াতের অনুরোধে ডিপজল রাজী হন। ‘আম্মাজান’ সিনেমার শুটিং শুরু হলো। এখানেও ঘটে বিপত্তি। শুটিংয়ে মান্নার সঙ্গে আবার ডিপজলের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। সেটাও বেশ মজার ঘটনা। সিনেমার জন্য সে সময় এমন একটি ভবন বেছে নেওয়া হয়েছিল যেটা শুটিং শেষ হলেই ভেঙে ফেলা হবে। শুটিংয়ে কিছুটা তাড়া ছিল। সেদিন ডিপজল মান্নাকে বলেন, দুই ঘণ্টা বেশি শুটিং করে ওই ভবনের অংশগুলো শেষ করতে হবে।