পরীমনির দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বিনোদন প্রতিবেদক

বিতর্ক আর পরীমণি যেন হাত ধরে হাঁটেন। পেশাগত দিক থেকে আলোচনার টেবিলে জায়গা না পেলেও ব্যক্তিগত জীবনের নানা কারণে সমালোচনার টেবিলে রানীর আসন তার। এবার আদালত প্রাঙ্গনেও একের পর এক বিতর্ক জন্ম দিলেন তিনি। তার দেহরক্ষীর বিরুদ্ধেও উঠল বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ।

সংবাদমাধ্যমের কাছে পরীমণির দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে মাথা ফাটানোর অভিযোগ এনেছেন মো. সুজন নামের এক বিচারপ্রার্থীর ভাই। তিনি জানান দুই ভাই আদালতে এসেছিলেন জমিজমা সংক্রান্ত মামলায়। আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তারা। ওই সময় পরীমণির দেহরক্ষীরা ধাক্কা দেন তাদের। সুজনের মাথায়ও আঘাত করেন তারা। এতে তার মাথা থেকে রক্ত বের হতে থাকে।

সুজনের বড় ভাই বলেন, আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ পরীমনির দুজন দেহরক্ষী এসে ধাক্কা দেয় আর মাথায় আঘাত করে। এদিকে পরীমণিও এক সংবাদকর্মীকে দিয়েছেন দেখে নেওয়ার হুমকি। এরইমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সে ভিডিও। তাতে দেখা গেছে, গাড়িতে ওঠার ঠিক আগমুহূর্তে সাংবাদিকদের ভিড়ের মধ্যে এক গণমাধ্যমকর্মীর ওপর বেজায় চটে যান অভিনেত্রী এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। তবে যাকে উদ্দেশ্য করে পরীমণি এ অভিযোগ করেন, সেই সাংবাদিক তাৎক্ষণিকভাবে তা অস্বীকার করে বলেন, আমি কেন আপনার গায়ে হাত দেব? আমার ট্রাইপড ভেঙে দিলেন কেন? এ সময় অভিনেত্রীর সঙ্গে থাকা অন্য এক ব্যক্তির কণ্ঠেও প্রতিবাদ করতে শোনা যায়, যিনি বলেন, আপনি টেনে হাত ছিলে ফেলছেন।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হেনস্তার শিকার ওই জাতীয় দৈনিকের ডিজিটাল বিভাগের সাংবাদিক বলেন, তিনি মূলত একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করতেই আদালতে এসেছিলেন। তিনি গাড়ি থেকে নামার সময় অন্য সংবাদকর্মীদের পাশাপাশি আমিও তার ফুটেজ ধারণ করছিলাম। ঠিক যে মুহূর্তে তিনি লিফটে উঠছিলেন, তার বডিগার্ডরা আমাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এর পরও আমি ফুটেজ নেওয়া চালিয়ে গেলে, তিনি হঠাৎ আমার ফোনে হাত দেন এবং খামচে ধরে ফোনটি কেড়ে নেন। পরে আমি তার হাত থেকেই ফোনটি উদ্ধার করি।

তিনি আরও যোগ করেন, মামলার শুনানি শেষ করে নিচে নামার পর আমাকে দেখে তিনি আবারও তেড়ে আসেন। এ সময় তিনি চরম ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এলোপাতাড়ি অকথ্য ও গালিগালাজপূর্ণ ভাষায় কথা বলতে থাকেন।