হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত নির্বাচনে বাধা নেই

ডাকসু নির্বাচন : ভিসির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, পরে উচ্ছ্বাস * শিবিরের ৩৬ দফা ইশতেহার ঘোষণা

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিত করা হাইকোর্টের আদেশটি স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে ডাকসু নির্বাচন করার কোনও বাধা নেই।

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন। আদালতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। ফলে ডাকসু নির্বাচন আয়োজনে কোনো বাধা নেই। একইদিনে বিকেলে ডাকসু নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকার কার্যক্রম স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি হাবিবুল গনি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ ওই আদেশ দিয়েছিলেন।

তফসিল অনুযায়ী, ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের কথা রয়েছে। এই নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যে ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ আলাদা প্যানেল দিয়েছে। বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো দুটি প্যানেল দিয়েছে। পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে মোট প্যানেল ১০টির মতো। এবার ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে মোট ৪৭১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। সদস্য পদে সবচেয়ে বেশি ২১৭ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৮টি হলে ১৩টি পদে মোট ১ হাজার ৩৫ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।

ঢাবিতে বিক্ষোভ, পরে উচ্ছ্বাস : এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ডাকসু নির্বাচন স্থগিত করেছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিকেল সোয়া চারটা থেকে বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে তারা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আসেন। বিকেল সাড়ের চারটার মধ্যে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে হাজারো শিক্ষার্থী অবস্থান নেন। তাঁরা ‘হাইকোর্ট না ডাকসু, ডাকসু ডাকসু’, ‘ডাকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ প্রভৃতি বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তবে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে খবর আসে, ডাকসু নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় চেম্বার আদালত স্থগিত করেছেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তারা বিজয়সূচক ‘ভি’ চিহ্ন দেখিয়ে ‘ডাকসু ডাকসু’, ‘৯ তারিখ ৯ তারিখ’ প্রভৃতি বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন। বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে শিক্ষার্থীদের অনেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে চলে যেতে শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদণ্ডসমর্থিত বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেল থেকে ডাকসুর ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের। পরে বিক্ষোভে যোগ দেন একই প্যানেলের জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদারও।

ভিসির বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ : ডাকসু নির্বাচন স্থগিতের খবরে ভিসির বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে ঝটিকা মিছিল নিয়ে ডাকসু প্রাঙ্গণ হয়ে রোকেয়া হলের সামনে দিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আসেন। সেখানে ডাকসু স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা। পরে হাইকোর্টের স্থগিত আদেশটি আপিল বিভাগ স্থগিত করায় শিক্ষার্থীরা ভিসির বাসভবন থেকে আনন্দ মিছিল করে নিজ নিজ হলে ফিরে যান।

ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের ৩৬ দফা ইশতেহার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন, ফ্যাসিবাদী কাঠামো, সংস্কৃতি ও চর্চার পুনরুৎপাদন রোধ করাসহ ৩৬ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট। গতকাল ডাকসু কার্যালয়ের সামনে ইশতেহার পাঠ করেন প্যানেলের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী (এজিএস) প্রার্থী মহিউদ্দিন খান। ৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে ইশতেহার বাস্তবায়ন করবে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট। প্রথম যে ৬টি বিষয় অগ্রাধিকার দিবে তা হল- নিরাপদ ক্যাম্পাস, আবাসন সংকট সমাধান, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, চিকিৎসা সুবিধা ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, উন্নত পরিবহন, কারিয়ার গঠনে পর্যান্ত তথ্য ও সেবা। এ ছাড়া বাকি ৬টি বিষয়ে তারা না-বোধক বিষয় উল্লেখ করে বলেন, কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি, নির্যাতন ও সহিংসতা, গণরুমণ্ডগেস্টরুম কালচার, বৈষম্যমূলক নীতি ও আচরণ, মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, লাঞ্চের পরে আসেন কালচার, ইসলামোফোবিয়া ও সাইবার বুলিং বন্ধের করবেন বলে ইশতেহারে ঘোষণা করেন তারা। এজিএস প্রার্থী মহিউদ্দিন মোট ৩৬টি ইশতেহার ঘোষণা করেন। এসবের মধ্যে রয়েছে ডাকসু নির্বাচনকে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত করে প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন বাস্তবায়ন করা। ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্তৃর্ক নৃশংস হামলায় জড়িত সন্ত্রাসীদের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আইনি শাস্তি নিশ্চিত করা। একই সাথে সামা, মোফাজ্জল ও আবু বকর হত্যাসহ ফ্যাসিবাদী আমলে সংঘটিত সকল নিপীড়নের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা।

প্রথম বর্ষ থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বৈধ সিট নিশ্চিত করা। আবাসন সংকটের অস্থায়ী সমাধান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে অস্থায়ী হোস্টেল বা মাসিক আবাসন ভাতার ব্যবস্থা করা এবং স্থায়ী সমাধান হিসেবে হল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খামা নিশ্চিতকরণে হল ও অন্যান্য ক্যান্টিন-ক্যাফেটেরিয়াতে পুষ্টিবিদের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে পুষ্টিকর বাবারের মেন্যু প্রণয়ন এবং ৩ মাস অন্তর খাবার মান পরীক্ষা করা। প্রত্যেক ফ্যাকাল্টিতে মানসম্মত ক্যাফেটেরিয়া ও ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করা। আর্থিক সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ‘মিল ভাউচার’ চালু করা। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করা। ছাত্রী হলে পুরুষ কর্মচারী যথাসম্ভব কমিয়ে আনা এবং প্রক্টরিয়াল টিমে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নারী সদস্য নিয়োগ দেওয়া। কমনরুমে নারী কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া। মা শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেস্ট ফিডিং রুম এবং চাইল্ড কেয়ার কর্নার স্থাপন করা। ছাত্রীদের জন্য ছাত্রী হলে প্রবেশের বিধি-নিষেধ শিথিল করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র প্রদর্শন-সাপেক্ষে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া। ছাত্রী হলে অভিভাবকদের জন্য ‘গার্ডিয়ান লাউঞ্জ’ স্থাপন করা। ছাত্রীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটির বিধান কার্যকর করা। মাতৃত্বকালীন সমায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ক্লাসে উপস্থিতির বাধ্যবাধকতা শিথিল করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সেবাকেন্দ্রিক লাল ফিতার দৌরাত্ম্য নিরসন করে ‘পেপারলেস রেজিস্ট্রার বিল্ডিং’ গড়ে তোলা। উচ্চশিক্ষায় বিদেশে গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করা। ডাকসু ওয়েবসাইট উন্নতকরণ এরং অ্যাপের মাধ্যমে ‘অ্যাকসেস টু রিসোর্সেস’ নিশ্চিত করা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা। শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতিকে আরও কার্যকর করা এবং প্রতিটি বিভাগে উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আদলে ‘মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম’ চালু করা। প্রত্যেক ফ্যাকাল্টিতে ই-লাইব্রেরি ও কম্পিউটার সেন্টার স্থাপন করা। মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও কাউন্সেলিং সেবার পরিসর বৃদ্ধি করা। বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার মেরামত ও আধুনিকীকরণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি করা এবং ডিইউএমসি চালুর মাধ্যেমে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও বেশি সহজলভ্য করা। মেডিকেল সেন্টারে চুক্তিভিত্তিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়োগ দেওয়া। বিশেষ করে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ নারী চিকিৎসাকর ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের নিয়ে রিসার্চবিষয়ক কর্মশালা করা। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ফেষ্ট আয়োজন করা। স্মল রিসার্চ গ্র্যান্ট ও রিসার্চ ট্রাডেল গ্র্যান্ট চালু করা। গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করা ও গবেষণা সহজলভ্য করা। নিয়মিত সেমিনার ও কনফারেন্স আযোজন করা এবং উচ্চমানের প্রকাশনা নিশ্চিত করা। মহিউদ্দিন খান আরও বলেন, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, বিজ্ঞান লাইব্রেরি, হল লাইব্রেরি ও পাঠকক্ষে এবং ডিপার্টমেন্টের সেমিনার কক্ষ সম্প্রসারণ করা। এগুলোর আধুনিকায়ন নিশ্চিত করে রিসোর্সগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সহজলভ্য করা। লাইব্রেরিসমূহ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসা। সারাদেশে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালের সাথে স্মারকচুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবকদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা। স্বাস্থ্যবিমা-কেন্দ্রিক ভোগান্তি নিরসনে প্রশাসন বীমা প্রতিষ্ঠানের সাথে স্মারকচুক্তি করা। হলভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্বাসেবা চালু করা। ক্যাম্পাসের বিপণীকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ফার্মেসি স্থাপন করা। ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জেড শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অদম্য মেধাবী শিক্ষাবৃত্তি’ চালু করা। আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউটকে বৈশ্বিক মানদন্ডে উন্নীত করা। প্রত্যেক বিভাগে অন্তত একজন বিদেশি শিক্ষক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া। ল্যাংগুয়েজ রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা।

ইশতেহারে মহিউদ্দিন আরও উল্লেখ করে বলেন, সফট স্কিল ডেভলপমেন্টের ওপর ওয়ার্কশপ আয়োজন করা। উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার-বিষয়ক সেমিনার, কর্মশালার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে জব ফেয়ার আয়োজন করা। তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে স্টার্ট-আপ সামিট আয়োজন করা। অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়নে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে লাইব্রেরিগুলোতে উন্নত ও আধুনিক যন্ত্রপাতি নিশ্চিত করা। সায়েনা ওয়ার্কশপ, ঈঅজঝ এবং ঈঅজঅঝঝ-এর আধুনিকায়ন নিশ্চিত করা। গবেষণা সহায়ক সফটওয়্যার ও টুলসমূহের সহজলভাতা নিশ্চিত করা। বিশেষত, ইনিস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনলোজির (আইএলইটি) ল্যাবে আধুনিক মেশিনারিজ ক্রয় করার মাধ্যমে ল্যাবের কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সমন্বয় করার মাধ্যমে চামড়াশিল্পে অবদান রাখার সুযোগ-ক্ষেত্র বৃদ্ধি করা।

কেন্দ্রীয় মসজিদ, হল মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয় সমূহের অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন করা। ছাত্রীদের ইবাদতের জন্য অ্যাকাডেমিক এরিয়া বিশেষ করে কার্জন হল এলাকায় উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ। ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে বহিরাগত যান-নিয়ন্ত্রণ, ভাসমান চক্র ও ভবঘুরেদের উচ্ছেদ করা। ক্যাম্পাস এরিয়ায় রেজিস্ট্রার্ড রিকশা প্রবর্তন ও ভাড়া তালিকা প্রণয়ন করা। ইশতেহার পাঠের শেষে সমাপনী বক্তব্য দেন ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, ‘আমাদের জোট হচ্ছে শিক্ষার্থীদের জোট। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা যেটিকে নো বলেছি, সেটি থেকে মুক্তি পেয়েছি।’