ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হওয়ার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিতে অংশ নিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগে সমবেত হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এসময় ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘আমার ভাই মরলো কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘ঢাকা না দিল্লি, ঢাকা ঢাকা’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো, গুলির মুখে কথা কবো’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’সহ নানা স্লোগান দেওয়া হয়।
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচিটি শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে ধানমন্ডি-জিগাতলা, শংকর বাসস্ট্যান্ড, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড (আল্লাহ করিম মসজিদ), পল্লবী ও মিরপুর-১০ গোলচত্বর অতিক্রম করে উত্তরার বিএনএস সেন্টারে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সংগঠনটির নেতারা জানান, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেই ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
ফয়সাল-আলমগীরকে ধরতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে র্যাব - ডিজি : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি ফয়সাল ও আলমগীর গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি একেএম শহিদুর রহমান। একই সঙ্গে আসামিরা ভারতে পলাতক থাকলেও তাদের অবস্থান শনাক্ত হলে ফিরিয়ে আনার অনেক উপায় আছে বলেও জানান তিনি। গতকাল রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান এ কে এম শহিদুর রহমান। তিনি বলেন, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পরপরই আসামি ধরতে সর্বোচ্চভাবে কাজ করছি। এরই মধ্যে ৮ আসামি গ্রেপ্তার ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেপ্তার করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। তারা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত আমরা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কাজ করবো। তিনি বলেন, এ ঘটনায় ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে যারা এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। যে মূল আসামি তাকে গ্রেপ্তার করা আমাদের মূল টার্গেট। ফয়সাল ও আলমগীর দেশের বাইরে পালিয়েছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রযুক্তি ও ম্যানুয়াল সোর্সের মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্তে চেষ্টা করছি। অবস্থান শনাক্ত হলে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। কোনো আসামি যদি দেশের বাইরে পালিয়ে যায় তাকেও ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া আছে। অনেক উপায় আছে। এসব উপায় প্রয়োগ করা যাবে যদি তাদের অবস্থান আমরা শনাক্ত করতে পারি।
