কাঁপছে ভোটের মাঠ

ধানের শীষে সিল দিন, ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিন

বললেন তারেক রহমান

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ ১৯ বছর পর নিজের জন্মভূমি ও রাজনীতির আতুড়ঘর বগুড়ায় ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপির চেয়ারম্যান নেতা তারেক রহমান। নিজ এলাকার প্রথম নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেছেন, গত ১৫ বছর শুধু বগুড়া নয়, সারাদেশই বঞ্চিত ছিল। এবার বগুড়াবাসীকে দেশের নেতৃত্ব দিতে হবে। গত বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়ায় আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করে বলেন, প্রায় দুই দশক পর আল্লাহ তাকে নিজের মাটিতে ফেরার তৌফিক দিয়েছেন। আবেগতাড়িত ভাষায় তারেক রহমান বলেন, প্রিয় বগুড়াবাসী, নিজের ঘরে এসে কি বলব, আসলে আমি নিজেও একটু তাল হারিয়ে ফেলেছি। নিজেও অনেকটা ইমোশনাল হয়ে গিয়েছি আমি। সেজন্য নির্বাচনি জনসভা, বক্তব্য রাখার কথা, কিন্তু কী বক্তব্য আমি রাখবো ঠিক আমি নিজেও বুঝে উঠতে পারছি না। ঘরের মানুষের কাছে তো বলবার কিছু নেই। বক্তব্যে তারেক রহমান তার ২০০১-২০০৬ উন্নয়নের স্মৃতিচারণ করেন।

তিনি বলেন, প্রিয় বগুড়াবাসী, আজ থেকে ১৯ বছর আগে, কম বেশি এখানে প্রত্যেকটা মানুষ যারা সেদিন আমার বয়সী ছিলেন বা আমার থেকে একটু ছোট ছিলেন বা আমার থেকে বড় ছিলেন। নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে যে বগুড়া সদরসহ সমগ্র জেলায় মানুষের প্রয়োজনে যেই কাজগুলো করা দরকার ছিল আমরা চেষ্টা করেছি সব কাজগুলো কমবেশি করার জন্য। হয়তো আমরা ১০০ পারসেন্ট সাকসেসফুল হইনি, কিন্তু যতটুকু পেরেছি সরকারের আইন-কানুন রীতিনীতির মধ্য থেকে যতটুকু সম্ভব হয়েছে আমরা চেষ্টা করেছি সেদিন। বনানী-মাটিডালি রাস্তা প্রশস্তকরণ, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ এবং গ্যাস লাইন সংযোগের কথা উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বগুড়ায় যে পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে, তা বাংলাদেশের অন্য যে কোনো জেলার চেয়ে বেশি। আজ বগুড়া শহরে একজন মানুষের মৌলিক সব প্রয়োজন মেটানোর অবকাঠামো বিদ্যমান। তারেক রহমান বলেন, ‘বগুড়া আমার কাছে একটি মডেল জেলার মতো। আমি সবসময় চিন্তা করতাম, দেশের বাকি ৬৩ জেলাকে কীভাবে সাজাব, সেই পরিকল্পনাগুলো আমি বগুড়ায় বাস্তবায়ন করতাম। শুধু বগুড়া নয়, বিগত ১৫ বছর সারাদেশ বঞ্চিত ছিল বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘একজন প্রার্থী বলেছেন গত ১৫ বছর বগুড়া বঞ্চিত ছিল। আমি বলব, শুধু বগুড়া নয়, গত ১৫ বছর সমগ্র বাংলাদেশ বঞ্চিত ছিল। মানুষ চিকিৎসা পায়নি, কৃষকরা সুযোগ-সুবিধা পায়নি, শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে। আমরা যদি এভাবে দেখি প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে একটি সরকার বা দেশের যতগুলো সেক্টর থাকে গত ১৫-১৬ বছরে কল কারখানা মিল কারখানা কোনো কিছু সঠিকভাবে গড়ে উঠতে দেয় নাই।

বিএনপির এই কাণ্ডারি বলেন, শুধু একটি কাজ হয়েছে মেগা প্রজেক্ট হয়েছে তথাকথিত এবং মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। কাজেই আমাদের সকলকে আগামী দিন আল্লাহ রহমত দিলে আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে যেভাবেই হোক এই দুর্নীতিকে আমাদের টুঁটি চেপে ধরতে হবে। এই দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমেই আমাদের দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বগুড়াবাসীকে দেশের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী দিনে আল্লাহ চায় তো আমরা সরকার গঠন করলে শুধু নিজের এলাকার কথা চিন্তা করলে চলবে না। সমগ্র বগুড়াবাসীকে নিজের জেলার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র দেশের কথা চিন্তা করতে হবে। আপনাদেরকে সমগ্র দেশের নেতৃত্ব দিতে হবে। চাকরি-বাকরি বা ব্যবসা-বাণিজ্য, সবকিছুই হবে যোগ্যতার ভিত্তিতে। আমরা চাই না মানুষ বিতর্কিত কোনো কথা বলুক যে, বগুড়া বলেই সব পাচ্ছে। আমরা আমাদের জেলার নাম খারাপ করতে চাই না। বগুড়া তার ন্যায্য অধিকার পাবে, কিন্তু অন্য কারও অধিকার নষ্ট করে নয়।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তারেক রহমান তার পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উন্নয়নের দর্শনের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘দেশ গড়তে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি স্লোগান দেন, করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, আজ এই মুহূর্তে আপনাদের কিছু দেবার নেই আমার, আজ আপনাদের কাছে শুধু চাইবার আছে আমার। ঘরের মানুষ, এই যে আমি এত রাত্রে মিটিং করছি, এই যে রাজনীতি করছি; আমার স্ত্রী যদি সহযোগিতা না করতেন, আমি কিন্তু পারতাম না, পারতাম? উনি (জুবাইদা রহমান) আছেন বলেই আমি পেরেছি। তারেক রহমান প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বলেন, এই আসন ছিল আমার মায়ের। সেই আসনেই আমি নির্বাচন করছি। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সারাদেশে সুষম উন্নয়ন হবে। তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের এ সফরে তার সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান। প্রচার গাড়ি থেকে জনসভার মঞ্চণ্ডদুজনকে সবসময়ই কাছাকাছি দেখা গেছে। বক্তব্যের শেষে বগুড়ার বাকি ছয়টি আসনের প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। একই সঙ্গে ধানের শীষের প্রার্থীদের নির্বাচনে বিজয়ী করার আহবান জানান। তারেক রহমান বগুড়া সদর আসনে তার জন্য বগুড়াবাসীর কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।

এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে গণদোয়া করা হয়। আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে বগুড়া জেলা বিএনপি আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপি সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই জনসভায় হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়। বক্তব্য শেষে তিনি ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ এবং ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ’ ধ্বনি দিয়ে বিদায় নেন।

এদিকে, গতকাল শুক্রবার বেলা ১২টায় শহরের নাজ গার্ডেনে সিএসএফ গ্লোবালের আয়োজনে ডা. জুবাইদা রহমানের পক্ষ থেকে হুইল চেয়ার বিতরণ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তারেক রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দিতে পারলে তারা স্বাভাবিক মানুষের মতো সমাজে চলাফেরা করতে পারবে। তারাও সমাজেরই অংশ এবং তাদের ভেতরে অনেক প্রতিভা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান সিএসএফ গ্লোবালের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, শিশু-কিশোরদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ক্রীড়াক্ষেত্রে সম্পৃক্ত করতে পরিকল্পিত রাজনীতির প্রয়োজন রয়েছে, যাতে তারা ভবিষ্যতে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। হুইল চেয়ার বিতরণের আগে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরা তাদের বক্তব্য দেন এবং শেষে গান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেনসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১টায় বগুড়া শহরের সেন্ট্রাল মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন।

বেলা ৩টায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে অবস্থিত হযরত শাহ সুলতান বলখী মাহীসাওয়ার (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মীর শাহে আলমসহ দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। শিবগঞ্জে পৌঁছালে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাজারো মানুষ তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও হাত নেড়ে স্বাগত জানান। এতে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পথে শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় অংশ নেন।

জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান বগুড়া বরাবরই বিএনপির ঘাঁটি। সেটা আবারও প্রমাণ করতে বগুড়াবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের মোকামতলা বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ধানের শীষ যতবারই জনগণের ভোটে সরকার গঠনের সুযোগ পেয়েছে, ততবারই দেশ ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছে। প্রিয় মোকামতলাবাসী, আমরা আবারও আপনাদের এলাকার উন্নয়ন করতে চাই। এসময় আরও বক্তব্য দেন বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলম।

শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান : চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে প্রথম শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রংপুরে যাওয়ার পথে পীরগঞ্জে শহিদ আবু সাঈদের গ্রামের বাড়িতে যান তিনি। সেখানে উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের বাবনপুরে দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন তারেক রহমান। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণার জন্য বগুড়া থেকে সড়কপথে রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে বিএনপি আয়োজিত বিভাগীয় জনসভায় যোগ দিতে তিনি রংপুরের উদ্দেশ্যে গাড়িবহরে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে তিনি কয়েকটি পথসভায় বক্তব্য দেন।

কবর জিয়ারত শেষে শহিদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি শহিদ আবু সাঈদের ত্যাগ ও সাহসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। এ সময় শহিদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ পরিবারের সদস্যদের সান্ত¡না দেন তিনি। ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেন শহিদ আবু সাঈদের বাবা। এ সময় রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী সাইফুল ইসলাম দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কবর জিয়ারত শেষে সড়ক পথে রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে জনসভায় যোগ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কও ছিলেন আবু সাঈদ।

রংপুরে জনসমুদ্রে তারেক রহমান - ধানের শীষে সীল দিন, হ্যাঁ’র পক্ষে রায় দিন : ধানের শীষের পাশাপাশি গণভোটে হ্যাঁ’র পক্ষে রায় দেয়া আহবান জানিয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল শুক্রবার রাতে রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি নেতাকর্মী ও ভোটারদের এই আহবান জানান। তারেক রহমান বলেন, আপনারা জানেন, আমরা ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। অন্তবর্তীকালীন সরকার একটি সংস্কার কমিশন করে। কমবেশি সব রাজনৈতিকদল সে সংকার কমিশনে তাদের সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করে। আমরা সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করেছি। হতে পারে কিছু সংস্কার প্রস্তাবে দ্বিমত আছে। আমরা লুকুচাপা করেনি, কোনটিতে সম্মতি দিয়েছি, কোনটিতে ডিসএগ্রিমেন্ট (দ্বিমত) আছে। লুকুচাপার কোন বিষয় নয়-যে অধিকার ফেরানোর জন্য আবু সাঈদ ওয়াসিমসহ হাজারো ছাত্রজনতা জীবন উৎসর্গ করেছে-তাদের এই জীবনের মূল্য দিতে আমরা জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেছি।

নেতাকর্মী ও ভোটারদের উদ্দেশ্য তারেক রহমান বলেন, এখন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে একটি ব্যালটেলটে ধান শীষের সিল মারুন, অন্য ব্যালটে হ্যাঁ’র পক্ষে রায় দেন।