এ বিজয় গণতন্ত্রকামী মানুষের এবার দেশ গড়ার পালা
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আমিরুল ইসলাম অমর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে হবে এবং কোনো ধরনের সহিংসতা, প্রতিশোধ বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। গতকাল শনিবার বিকালে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান এ কথা বলেন। তিনি নেতাকর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে কোথাও কোথাও ভুল-বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে, তবে তা যেন কোনোভাবেই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়। তারেক রহমান বলেন, ‘আমার বক্তব্য স্পষ্ট, যেকোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো রকমের অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। দলমত, ধর্ম-বর্ণ কিংবা ভিন্নমত যাই হোক- কোনো অজুহাতেই দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ন্যায়পরায়ণতাই হবে আদর্শ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না গেলে সব প্রচেষ্টা বৃথা যেতে বাধ্য। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল, অন্য মত কিংবা ভিন্নমত- প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের জন্যই আইন সমান। আইনের প্রয়োগ হবে বিধিবদ্ধ নিয়মে। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এটা তারেক রহমানের প্রথম সংবাদ সম্মেলন। দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের নিয়ে জণাকীর্ণ এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এতে সূচনা বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সমাপনী বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
সরকারি দল বা বিরোধী দল- সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্য হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন-উত্তর পরিস্থিতিতে কেউ যেন সুযোগ নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
বিএনপিকে বিজয়ী করায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এ বিজয় বাংলাদেশের। এ বিজয় গণতন্ত্রের। এই বিজয় গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন।’ বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙুর অর্থনীতি, অকার্যকর করে দেওয়া সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি- এমন একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে পুনরায় জনগণের সরাসরি ভোটে জনগণের কাছে দায়বদ্ধতামূলক সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। আর কোনো অপশক্তি যাতে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান তারেক রহমান। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের চিন্তাভাবনাও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পথ এবং মত ভিন্ন থাকতে পারে কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। আমি বিশ্বাস করি, জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’ তারেক রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং রাজনীতিতে রাজনৈতিক দলগুলোই মূলত গণতন্ত্রের বাতিঘর। সরকার এবং বিরোধী দল যে যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে অবশ্যই দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে।
সব সংশয় কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত দেশে শান্তিপূর্ণভাবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারসহ নির্বাচনের অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান বিএনপির চেয়ারম্যান।
রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণের রায় পেলে বিএনপি রাষ্ট্র মেরামতের যে রূপরেখা উপস্থাপন করেছিল, অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল এবং সারাদেশে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ৩১ দফা প্রণয়ন করেছিল। ৩১ দফার আলোকে ঘোষণা করা হয়েছিল দলীয় ইশতেহার। একই সঙ্গে কয়েকটি বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে বিএনপি জুলাই সনদেও স্বাক্ষর করেছিল। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রত্যাশিত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব।’
দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘সারাদেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ছাড়াও দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের সামনে আজকের এই সময়টি ভীষণ আনন্দের। এমন এক আনন্দঘন পরিবেশে আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি আমাদের ভারাক্রান্ত করে। রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এমন একটি গণতান্ত্রিক সময়ের প্রত্যাশায় তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়েছিলেন।
স্বৈরাচার কিংবা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে কখনই আপস করেননি। দেশ এবং জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে বরাবরই তিনি ছিলেন অটল-অবিচল। আমরা আল্লাহর দরবারে মরহুম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করছি।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে দেশের জনগণ আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার ম্যান্ডেট দিয়েছে। জনগণ বিএনপির প্রতি যে বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখিয়েছে- এবার জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজের মাধ্যমে জনগণের এই বিশ্বাস এবং ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।’
বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘শত নির্যাতন-নিপীড়নের পরও আপনারা রাজপথ ছাড়েননি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটুট-অনড় ছিলেন। এবার দেশ গড়ার পালা। দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় আপনি, আমি, আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই বিজয়কে শান্তভাবে দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে উদ্যাপন করেছি। নির্বাচন-উত্তর বাংলাদেশে যাতে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, এ জন্য শত উসকানির মুখেও আমি সারাদেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের শান্ত এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
বক্তব্য শেষে তারেক রহমান দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দেন। ‘বাংলাদেশের স্বার্থ এবং জনগণের স্বার্থই আমাদের কাছে প্রথম’ বলে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ আমাদের কাছে প্রথম। বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের স্বার্থ ঠিক রেখে আমরা আমাদের ফরেন পলিসি ডিসাইড করব।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি অনুসরণ করে দি প্রিন্সিপাল অব মাল্টিলেটারিজম। উই ডোন্ট হেম এ্যানি কান্ট্রি সেন্ট্রিক পলিসি এজ সাচ। সো আওয়ার পলিসি এ্যাপলাইজড টু এনাদার কাউন্ট্রি অব দ্যা ওয়ালরড দিস ইজ ফর মিচুয়াল রেসপেক্ট, মিচ্যুয়াল ইন্টারেস্ট, নান অফ ইন্টাফেয়ারেন্স অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অটোনোমি ফর বাংলাদেশ এটা হচ্ছে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি। আইসিটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা বিচার বিভাগের বিষয়। অফ কোর্স উই লাক টু জুডিশিয়ারি সেপাটরেট ফর্ম এক্সিকিউটিভ ফ্যাংশন অ্যান্ড ল্যাজিলেটিভ ফ্যাংশন।
জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং : গত সরকার চলে যাওয়ার পর থেকে আপনি বলে আসছেন যে এই নির্বাচনটা খুব সহজ হবে না। এখন নির্বাচনটা হয়ে গেলো এটা আপনার কাছে সহজ ছিল কি না আপনার কাছে। আর আপনাকে ২০০ এর বেশি আসন পাওয়ার জন্য আপনাকে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হলো কি না? জবাবে তারেক রহমান বলেন, দেশের জনগণকে কনভিন্স করাটাই হচ্ছে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং। আমাদের যে ইঞ্জিনিয়ারিংটা ছিল জনগণকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসা সেটাতে আলহামদুলিল্লাহ আমরা সফল হয়েছি।
আর জনগণকে কনভিন্স করে একটি সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশের এ্যানসিউর করাটাই ছিল আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর। অর্থাৎ যেটা আমি বলেছিলাম কঠিন হবে কি না যেকোনো ভালো কাজের গোল এচিভ করতে গেলে তো কষ্ট করতে হবে, কঠিন হবেই।
ভারত-পাকিস্তান-চীনের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক কী হবে : তারেক রহমান বললেন, আই অলরেডি অ্যানসার দিস। তারপরও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাহেবকে বলতে বলছি। আমীর খসরু বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি এরইমধ্যে আমি বলেছি। দেশের স্বার্থ ঠিক রেখে আমাদের পলিসি হবে।
সরকারের অগ্রাধিকার চ্যালেঞ্জগুলো কী : তারেক রহমান বলেন, আমাদের কাছে কিছু চ্যালেঞ্জ আছে সেগুলো হচ্ছে, অর্থনীতিকে সচল করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা, অবশ্যই আমাদের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আপনি জানেন যে, গত রেজিম তারা দেশে সব প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ করেছে। সেজন্য আমরা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করব। এগুলো আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছি এবং এগুলোকে উই নিড টু টেকেল।
যুবকদের জন্য আপনার পরিকল্পনা কী : তারেক রহমান বলেন, আমরা জনগণের রায় পেয়েছি। অবশ্যই যুবকরা আছেন তবে সমাজের আরও শ্রেণি-পেশার মানুষ আছেন। আমরা সবার বিষয়ে এড্রেস করব। আমরা এরইমধ্যে আমাদের দলের ম্যানিফেস্টো প্রকাশ করেছি সেখানে সব বিষয়ে আমরা এড্রেস করেছি, যুবকদের জন্য কী করব, আমরা নারীদের জন্য কী করব, আমরা ডিজাইবেল পিপলসের জন্য কী করব সব কিছু সেখানে (ইশতেহারে) আছে।
‘দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতা ফোরাম (সার্ক) এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বিএনপি কি করবে’ তারেক রহমান বলেন, ইয়েস আপনি জানেন, সার্ক গঠন হয়েছিল বাংলাদেশের উদ্যোগে। স্বাভাবিকভাবে আমরা সার্ক সক্রিয় করতে চাই। এই বিষয়ে আমরা আলাপ করব। আপনারা দ্বিতীয় প্রশ্ন এটা ডিপেন্ড অন দা লিগ্যাল প্রসেস অফ কোর্স।
চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক : তারেক রহমান বলেন, ডেফিনেটলি উই উইল ট্রাই টু প্রেটেক্ট ইন্টারেস্ট অব পিপল অব বাংলাদেশ, আমাদের দেশের স্বার্থ ঠিক রেখে আমরা সব দেশের সাথে সম্পর্ক গড়ব। আই অ্যাম সিউর মিচ্যুায়াল ইন্টারেস্ট ইজ দি ফাস্ট প্রাইয়োরিটি। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওয়েল আমাদের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে চাইনিজ বন্ধুরা আছেন। আমরা আশা করি, দুই দেশ সামনের দিনগুলো আরও নিবিড়ভাবে একসঙ্গে কাজ করবে।
দেশের অর্থনীতি সচল হবে কীভাবে : তারেক রহমান বলেন, টু ব্রিং মোর বিজনেসেস অ্যান্ড ক্রিয়েট মোর জবস।
আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি রোধ কী ভাবে : তারেক রহমান বলেন, দেখুন আপনি বোধহয় আইনশৃঙ্খলার কথা বলতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি যে, আইন সবার জন্য সমান। আইন যদি সবার জন্য সমান হয়ে থাকে আমরা ইনশাল্লাহ সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আসার পরে আমরা চেষ্টা করব, আইন যাতে আইনের মতো করে চলে। সেটাই আমাদের পজিশন।
বিগত সরকারের সময়ে লুটপাট ও পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে আপনার পরিকল্পনা কী : তারেক রহমান বলেন, আপনি যদি আমাদের ইশতেহার দেখেন সেখানে আপনার এই প্রশ্নের জবাবগুলো আপনি সুন্দরভাবে পাবেন। আমি ইশতেহারে বলেছি যে, গণতান্ত্রিক অর্থনীতি। অর্থাৎ আমরা এমন একটা অর্থনীতি সূচনা করতে চাই যেখানে সবাই সবার যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে সবাই ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবেন। কোনো একটা বিশেষ মহলকে আমরা সুযোগ দিতে চাই না।
এই সংবাদ সম্মেলনের আল-জাজিরা, বিবিসি, এবিসিসহ চীন,ভারত, পাকিস্তান, জাপান, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাবলীলভাবে তাদের প্রশ্নের জবাব দেন। পরে সাংবাদিকদের আপ্যায়নে আমন্ত্রণ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মঞ্চে তারেক রহমানের পাশে ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে তারেক রহমান তার দলকে সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী করার জন্য দেশবাসীদের অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য দেন। এরপর প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।
