‘দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি না সিদ্ধান্ত সংসদে’
প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি না- প্রথম সংসদ অধিবেশনে সেই সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল মঙ্গলবার ছয় সিটি কর্পোরেশনের নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকরা যোগ দিতে এলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি হবে না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইট উইল বি ডিসাইডেড ইন দ্য পার্লামেন্ট (সে সিদ্ধান্ত সংসদে হবে)। আর এখানে (সিটি কর্পোরেশনগুলোতে) যেহেতু সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বশীল ছিলেন, আমরা মনে করছি যে এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে জনগণের সেবা বেশি পাবে এবং ভালোভাবে পাবে। এটা আমাদের বিশ্বাস আর কী। সেই কারণেই আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি। এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়বে।
আপনার পরামর্শ কি? স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে, অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া দরকার কি না- এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, না, আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনো সুযোগ নেই এখানে। এখানে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আছে, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করব।
দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কি আগামী ১২ মার্চ যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে, সেখানে হবে- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অবশ্যই।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, যেসব স্থানীয় সরকারগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেই নির্বাচন শুরু হবে। ঢাকার আগে হওয়ার সম্ভাবনা আছে দুটোতে। আর কয়েকটা আছে যে, যাদের মেয়াদ মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদেরটা আগে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করে কতদিনের ভেতর শেষ করার পরিকল্পনা- এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই তো এভাবে, এখনই বলা যাবে না। এটা তো আমরা যখন দেখবো একেক করে বাই ফেজ, এটা তো চলমান প্রক্রিয়া। লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশনও কিন্তু একটা চলমান প্রক্রিয়া। কারও মেয়াদ শেষ হয় আবার নির্বাচন হয়। ইউনিয়ন পরিষদেও তাই হয়, উপজেলাতেও তাই হয়। সুতরাং ইট ইজ আ কন্টিনিউয়াস প্রসেস।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সরকারি কর্মকর্তার চেয়ে রাজনৈতিক প্রশাসকরা সিটি কর্পোরেশনে ভালো কাজ করতে পারবে। তাই অকার্যকর স্থানীয় সরকারকে সচল করার জন্য সিটি কর্পোরেশনে রাজনৈতিক প্রশাসক বসানো হয়েছে।
মশা নিধন, যানজট, রাস্তাঘাট মেরামতসহ জনদুর্ভোগ এড়াতে কাজ করার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন ছয় প্রশাসক। তারা জানান, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের অঙ্গীকার। দ্রুত কাজ করার জন্য ৬০ দিনের কর্মসূচি নেবেন নতুন প্রশাসকরা।
