অবৈধ তেল মজুতকারীদের দমনে কঠোর প্রশাসন
প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অবৈধভাবে মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে প্রশাসন। এরইমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে। যারা অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযানে এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি পেট্রোলপাম্প ও গুদামে অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে এবং পুনরাবৃত্তি ঘটলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের অভিযানে ৩ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৬৪ জেলায় মোট ৩ হাজার ১৬৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে অবৈধভাবে মজুত করা ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৫৩টি মামলা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬টিতে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী। জ্বালানি বিভাগের উপস্থাপনায় বলা হয়, উদ্ধার করা জ্বালানি তেলের মধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬৫ লিটার ডিজেল। এ ছাড়া ২২ হাজার ৫৩৯ লিটার অকটেন, ৪৬ হাজার ১৪৬ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়েছে। অবৈধ মজুতকারীদের কাছ থেকে ৭৫ লাখ ১৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
সরবরাহ সংকটের বিষয়ে জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র বলেন, জাহাজ নিয়মিত আসছে বলেই মার্চ শেষেও ১ লাখ ৩৩ হাজার টন ডিজেল উদ্বৃত্ত আছে। ৫৪ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে ৩০ মার্চ ও ৩ এপ্রিল দুটো জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এরমধ্যে ভারত থেকে পাইপলাইনে সাত হাজার টন যুক্ত হচ্ছে। এ মাসে চীন, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর থেকে আরও প্রায় দেড় লাখ টন ডিজেল যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। পর্যাপ্ত মজুত আছে, সংকটের কারণ নেই। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে কৃষকের তালিকা আছে। তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ডিজেল সরবরাহ করার কথা বলা হয়েছে। কোনো জেলা থেকে এখন পর্যন্ত অভিযোগ আসেনি। বছরে সরবরাহ করা তেলের মাত্র ৬ শতাংশ অকটেন সরবরাহ করা হয় আর ৬৩ শতাংশ ডিজেল। লাইন কিন্তু ডিজেলের জন্য নয়, অকটেনের জন্য। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, প্রতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়। আগামী মাসের জন্য মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব জ্বালানি বিভাগে এসেছে। প্রতি লিটারে কত টাকা বাড়ালে সরকারের কত ভর্তুকি লাগবে; এমন কয়েকটি আলাদা চিত্র আছে প্রস্তাবে। এখন এগুলো মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ৩০ দিনের জন্য শিথিল করায় আগামী দুই মাসে রাশিয়া থেকে ছয় লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে অতিরিক্ত তেল আমদানি করতে এরইমধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া থেকে শিগগিরই ৬০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার পাশাপাশি নাইজেরিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, অ্যাঙ্গোলা, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে অপরিশোধিত বা পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালী ব্যবহারের অনুমতি ও নিরাপত্তা প্রদানের জন্য ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলমান আছে। এ বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে বলে আশা করছে জ্বালানি বিভাগ।
জ্বালানি বিভাগের উপস্থাপনায় বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহ পার করছে। এতে বিশ্বে নজিরবিহীন জ্বালানিসংকট তৈরি হয়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তানে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। সংকট মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগ নিয়ে জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র বলেন, অবৈধ মজুতদারি, ভীতি থেকে বাড়তি কেনার কারণে কিছুটা সংকট তৈরি হয়েছে। তবে মার্চে সরবরাহ ব্যাহত হয়নি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ বেশি সরবরাহ করা হয়েছে, বিশেষ করে ঈদের সময়। বিপিসির একার পক্ষে সংকট সামলানো সম্ভব নয়। তাই জেলা প্রশাসনকে যুক্ত করা হয়েছে। ভিজিল্যান্স দল গঠন করা হয়েছে। গত রোববার সব জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও সভা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে সাশ্রয়ের কথা বলা হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত-পাচারকারীদের তথ্য দিলে লাখ টাকা পুরস্কার : জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারকারীদের ব্যাপারে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পুরস্কার দেবে সরকার। গতকাল সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারকারীদের সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসনকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীর জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। সরকার কর্তৃক উচ্চ মূল্যে আমদানি করা জ্বালানি তেলের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তথ্য প্রদানকারীর যাবতীয় পরিচয় গোপন রাখা হবে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক তথ্য প্রদানকারীর পুরস্কারের অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিত করবেন। আর্থিক সম্মানী সব ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান-সংস্থার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গত ২৪ ঘণ্টায় জ্বালানি সংক্রান্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার তথ্যে বলা হয়, এই সময়ে ৩৮৬টি অভিযান চালানো হয়। মামলা হয় ২১৪টি। সর্বোমোট অর্থদণ্ডের পরিমাণ ৯ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা। এই সময়ে নীলফামারী জেলায় তিনজনকে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ম্যাজিস্ট্রেটরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন বলে ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের সোর্সে নজর দিচ্ছে সরকার : মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। দেশে দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ‘বাংলাদেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই’ বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। এ সংক্রান্ত উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের সোর্স থেকে জ্বালানি আমদানির বিষয়ে সরকার নজর দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। গতকাল সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও যেসব সোর্স থেকে জ্বালানি আনা যেতে পারে সে ব্যাপারে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ্, আমরা সফল হবো।
শামা ওবায়েদ বলেন, জ্বালানির কোনো সংকট বর্তমানে বাংলাদেশে নেই। আমরা যেন মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও অন্য সোর্স থেকে জ্বালানি নিয়ে আসতে পারি সেজন্য এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার আমাদের সঙ্গে বসেছেন। জ্বালানি মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে উনি বসেছেন। তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের লাশ দেশে ফেরত আনা হয়েছে- পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইরান থেকে ১৮৬ জন বাংলাদেশিকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে এনেছে সরকার।
উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই, তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে : জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেছেন, আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই, তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আমরা ক্লিয়ার নির্দেশনা দিয়েছি, কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনওর মাধ্যমে যাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষকরা ডিজেলটা পায় সে চেষ্টা করছি। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ কথা বলেন তিনি। যুগ্মসচিব বলেন, রাশিয়া থেকে ২ মাসের জন্য ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির জন্য প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে আমেরিকার কাছেও অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিছু দেশে আমেরিকার স্যাংশন থাকায় অনুমতির এই প্রক্রিয়ায় যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা ভারত থেকে ২২ হাজার টন ডিজেল পেয়েছি। তাদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি রয়েছে।
এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকেও তেল আনা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল আমদানির জন্যও আমরা ইরানের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের জাহাজ হরমুজ দিয়ে আসতে সমস্যা নেই। কিন্তু সব জাহাজ বাংলাদেশের পতাকাবাহী হয় না। এখানেই সমস্যা তৈরি হতে পারে। যুগ্মসচিব বলেন, আমরা আপাতত সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বলছি। এজন্য ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যােগ নিচ্ছি। সরবরাহ চেইনে যাতে কোনো সংকট তৈরি না হয় সরকার সেই চেষ্টা করছে।
চুয়াডাঙ্গায় তেল পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণ শুরু : চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং কালোবাজারি রোধে ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার সকাল ৯টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক উজ জামান জানিয়েছেন। ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে সকাল ৬টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে লাইনে দাঁড়াতে শুরু করেন গ্রাহকরা। বেলা গড়ালে লাইনও দীর্ঘ হয়। সেখানে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় তাদের। এর আগে রোববার জেলা প্রশাসনের এক সভায় জানানো হয়, ৩০ ও ৩১ মার্চ জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে যানবাহনের জন্য ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু হবে। কার্ড সংগ্রহ করতে হলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
পহেলা এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র ফুয়েল কার্ডধারী যানবাহনেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী তেল দেওয়া হবে এবং প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলার ২২টি পাম্পে একযোগে তেল বিক্রি চলবে। তবে কৃষকদের জন্য এ নিয়ম শিথিল রাখা হয়েছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত ডিজেল আগের মতোই ২৪ ঘণ্টা বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারিক জামান বলেন, ‘ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ শুরু হলে তেলপাম্পগুলোতে বিশৃঙ্খলা রোধ করা যাবে। এমনকি কালোবাজারির চেষ্টা যারা করছে তাদেরও নিয়মের মধ্যে আনা সম্ভব হবে। ফলে জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা অনেকটাই স্বাভাবিক হবে।
