‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন আজ
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ টাঙ্গাইলে যাবেন। টাঙ্গাইল থেকে তিনি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। এরইমধ্যে প্রস্তুতি পরিদর্শন করতে টাঙ্গাইলে গিয়েছিলেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ। গতকাল সোমবার টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে গিয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, আগামী ৪ বছরের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শেষ হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল কর্মকর্তা-১ মো. উজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত সফরসূচিতে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার সকাল ৮টায় সড়কপথে ঢাকা থেকে রওনা হবেন। প্রথমে সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করবেন। পরে সাড়ে ১০টায় শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি দুপুর সোয়া ১২টায় শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করবেন। পরে সার্কিট হাউসে নামাজের বিরতি শেষে বেলা দুইটায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।
টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের মোট ১ হাজার ৪৭০ জন কৃষক প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে এই কার্ড পাচ্ছেন। এর মধ্যে ১০০ জন কৃষক প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থলে উপস্থিত থাকবেন। ১৫ জন কৃষকের হাতে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড তুলে দেবেন। গতকাল সোমবার সরেজমিন শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম ও পৌর উদ্যানে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল ও কৃষিমেলা প্রাঙ্গণ সাজানো হচ্ছে। শহরজুড়ে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শোভাবর্ধনের কাজ।
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক বলেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তার টাঙ্গাইলে প্রথম সফর। তার আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ। তারা প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত। গতকাল সোমবার দুপুরে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘কালকের দিনটা ঐতিহাসিক দুই অর্থে। এক. বছরের প্রথম দিন। দুই. বাংলাদেশে প্রথম যে কৃষক কার্ড চালু হতে যাচ্ছে, তার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন টাঙ্গাইলেই হতে যাচ্ছে। এদিন টাঙ্গাইলের জন্য ও বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক দিন।’
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একেকটি ইউনিয়নে তিনটি করে ব্লক আছে। সারা বাংলাদেশ থেকে বেছে ১১টি ব্লকে এই কার্ড দেওয়া শুরু হবে। এটাকে আমরা বলি প্রি-পাইলটিং। যেকোনো কাজ শুরু করার আগে আমরা অনেক চিন্তাভাবনা করি। অনেক হিসাব-নিকাশ করে এটা শুরু হয়েছে। তারপরও প্র্যাকটিক্যালি ফিল্ডে যাওয়ার পর অনেক ভুলভ্রান্তি অথবা নতুন কিছু সংযোজন-বিয়োজনের প্রশ্ন আসে। এটার জন্য প্রথম সারা বাংলাদেশে টাঙ্গাইলসহ ১১টি পয়েন্টে প্রি-পাইলটিং শুরু হবে। তারপর পাইলটিং হবে। তারপর র্যামডমলি কার্ড দেওয়া শুরু হবে।
আমরা আশা করছি, আগামী চার বছরের মধ্যে সারা বাংলাদেশে কৃষক কার্ড বিতরণ শেষ হবে।’ এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আবদুস সালাম, জেলা প্রশাসক শরীফা হক, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম ওবায়দুল হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার প্রমুখ।
সিটি করপোরেশনে উন্নীত হচ্ছে বগুড়া পৌরসভা, ‘২০ এপ্রিল উদ্বোধন’ : দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বগুড়া পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বগুড়া সফরেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। ওই দিন অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি নতুন সিটি করপোরেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করার কথা রয়েছে। বগুড়া থেকে নির্বাচিত বিএনপির একাধিক সংসদ সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া গত রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকেও পোস্ট দিয়ে জানানো হয়, ২০ এপ্রিল বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বগুড়া-৭ (গাবতলী ও শাজাহানপুর উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন বলেন, ‘প্রটোকল অফিসার-১ উজ্জল হোসেনের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো সফরসূচি হাতে পেয়েছি। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০ এপ্রিল বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।’
তবে বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সফরের বিষয়টি তার কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হলেও সিটি কর্পোরেশন উদ্বোধনের বিষয়টি এখনও সরকারের পক্ষ থেকে অফিশিয়ালি কেউ জানায়নি।’
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব ইমতিয়াজ মোরশেদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে জানা যায়, বগুড়া পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীতকরণ, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা বন্দরকে নতুন উপজেলা ঘোষণাসহ আটটি উন্নয়ন প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য গত রোববার প্রাক-নিকার (প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি) সচিব কমিটির সভা হয়। সেখানে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন উন্নীতকরণের বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে গত বছর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি কর্পোরেশন-২ শাখার নির্দেশনা অনুযায়ী বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের সীমানা অক্ষুণ্ণ রেখে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এরপর মতামত বা আপত্তি নিষ্পত্তি করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হলেও বিষয়টি এত দিন সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম গত রোববার বলেন, ‘সোমবার দুই দিনের সফরে বগুড়া যাচ্ছি। বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার বিষয়ে বিস্তারিত জানাব।’
বগুড়ায় পহেলা বৈশাখে প্রাক্-পাইলটিং পর্যায়ে ‘কৃষক কার্ড’ পাচ্ছেন ৩ হাজার ১৪৭ জন : বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রাক্-পাইলটিং পর্যায়ে ‘কৃষক কার্ড’ পাচ্ছেন ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষক। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এরইমধ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৩ হাজার ৫১৬ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ করেছে। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষক ব্যাংক হিসাব খুলেছেন। প্রথম পর্যায়ে তাঁদের হাতেই কৃষক কার্ড পৌঁছানো হবে। আজ মঙ্গলবার পয়লা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বেলা ১১টায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উথলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রীর ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হবে। অনুষ্ঠানে ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর ১৫ জন কৃষক ও কিষানির হাতে প্রতীকী কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হবে।
বগুড়ায় কৃষক কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক (মিলন)। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। অনুষ্ঠানে বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান ও পুলিশ সুপার সায়েম মাহমুদ বক্তব্য দেবেন।
বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করে গতকাল সোমবার দুপুরে জানান, প্রাক্-পাইলটিং (পরীক্ষামূলক), পাইলটিং ও দেশব্যাপী কার্যক্রমণ্ডএই তিন ধাপে পর্যায়ক্রমে সব কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ দেবে সরকার। পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করে দেওয়া হবে এই কার্ড। এর মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ–সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কার্ডধারী কৃষকেরা। প্রাক্-পাইলটিং পর্যায়ে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষি বা আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারি, দুগ্ধ উৎপাদনকারী খামারিসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির কৃষকও কৃষি কার্ড পাবেন। তবে বার্ষিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রণোদনাসুবিধা পাবেন শুধু ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক।
বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আরও জানান, প্রাক্-পাইলটিং পর্যায়ে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লকে নির্বাচিত ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষকের মধ্যে ১ হাজার ১৪১ জনই ভূমিহীন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক। তাদের প্রত্যেকের ব্যাংক হিসাব নম্বরে এরইমধ্যে এক বছরের প্রণোদনা বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে গতকাল দুপুরে বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে শিবগঞ্জ উপজেলার ৩০ জন কৃষকের মধ্যে সার ও বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রাক্-পাইলটিং শেষে আগামী আগস্ট থেকে ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ ও তথ্যভান্ডার তৈরির কাজ সম্পন্ন হবে। প্রাক্-পাইলটিং কর্মসূচির আওতায় কৃষক কার্ড বিতরণে সরকারের ব্যয় হবে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।
মীর শাহে আলম জানান, প্রাক্-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ১১টি ব্লকের কৃষক, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও লবণচাষিকে যে কৃষক কার্ড দেওয়া হচ্ছে, সেটি একধরনের ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড। কৃষকেরা সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখায় যে হিসাব খুলেছেন, এর বিপরীতে কৃষক কার্ড দেওয়া হচ্ছে। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন উল্লেখ করে সমবায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, কার্ড পাওয়া কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচণ্ডসুবিধা, সহজশর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মুঠোফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজারের তথ্য, কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগবালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বিমা-সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছে সরবরাহ করা পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন ব্যবহার করে সার, বীজ, মৎস্য বা প্রাণিখাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে পারবেন।
