মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল, মমতার বিদায়

প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আলোকিত ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। এর ফলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদে নেই। ভারতীয় ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ভারতের সংবিধানের ১৭৪ (২) (বি) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা বলে রাজ্যপাল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আর এন রবি বলেন, ‘আমি এতদ্বারা ২০২৬ সালের ৭ মে থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিচ্ছি।’ ৭১ বছর বয়সী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এত দিন পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বহাল ছিলেন।

তার অভিযোগ, ভোট লুট ও ইভিএম কারচুপির মাধ্যমে বিজেপি এই রাজ্যে জয়লাভ করেছে। নির্বাচন কমিশন বিজেপির সঙ্গে যোগসাজশ করে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে এবং এই জয় ‘অনৈতিক’ বলেও দাবি করেন তিনি। গত বুধবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ভারত সরকারের সাবেক সচিব জহর সরকার বলেন, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ না নেওয়া পর্যন্ত রাজ্যপাল রাজ্যের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করবেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের টানা শাসনের পতন, রাজ্য শাসনে প্রথমবারের মতো বিজেপির উত্থান- সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদল এখন পুরো ভারতে আলোচনার কেন্দ্রে। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্যে পালাবদলের কড়া প্রভাব দেখা যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটেছে রাজ্যজুড়েই। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সিদ্ধনাথ গুপ্ত গতকাল বুধবার জানান, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংস ঘটনা ঘটছে। সর্বশেষ ৪৮ ঘণ্টায় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে চার শতাধিক মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন। আটক করা হয়েছে আরও প্রায় ১ হাজার ১০০ জনকে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ৪ মে ভোটের ফলাফল ঘোষণা হয়। এর পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রতিপক্ষকে হুমকি, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। সিদ্ধনাথ গুপ্ত আরও বলেন, ‘পুলিশের কাছে ২০০টির বেশি প্রাথমিক অভিযোগ (এফআইআর) জমা পড়েছে। এখন পর্যন্ত ৪৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা আগাম সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করেছি।’ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর সহিংসতায় দুজনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে বলেও জানান সিদ্ধনাথ গুপ্ত। এর একটি নান্নুর এলাকায়। অন্যটি নিউ টাউনে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দুটি ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আমরা এ দুটি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।’

কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা যেই করুক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুষ্কৃতকারীদের ধরতে ‘বিশেষ অভিযান’ চলছে জানিয়ে পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, কলকাতা পুলিশের আওতাধীন এলাকাগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৫ জন সুনির্দিষ্ট মামলায়, বাকি ১৫ জন আগাম সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এদিকে গতকাল রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী দল বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় তার গাড়িতে থাকা আরও এক যুবক গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে কলকাতার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর মধ্যমগ্রাম ও সংলগ্ন এলাকায় প্রবল উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

শুভেন্দুর সহকারীকে হত্যার পর এবার বিজেপি কর্মীদের ওপর বোমা হামলা : পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা থামার কোনো লক্ষণ নেই। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দলটির কর্মীদের ওপর বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরে এই বর্বরোচিত হামলায় অন্তত পাঁচজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পানিহাটি বিধানসভার অন্তর্গত সোদপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডের দত্ত রোডে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজেপি কর্মী শুভব্রত বসু তার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে অন্য কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। সে সময় মোটরসাইকেলে করে আসা একদল দুষ্কৃত তাদের লক্ষ্য করে কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করে।

বোমা বিস্ফোরণে শুভব্রতসহ পাঁচজন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলা চালিয়েই দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে দুষ্কৃতরা।

বিস্ফোরণের শব্দে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজে নিয়ে যান। তবে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাদের কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানেই চিকিৎসাধীন।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় খড়দহ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দোষীদের শনাক্ত করতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশি তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। এই হামলার ঘটনায় যথারীতি রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং একে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছে দলটি।

তবে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তীর্থঙ্কর ঘোষ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ বিজেপির অভ্যন্তরীণ বিষয়। নতুন বিজেপি বনাম পুরোনো বিজেপির দীর্ঘদিনের কোন্দলের জেরেই এই অশান্তি ঘটেছে।’

বিজয় মিছিলে বুলডোজার নিষিদ্ধ করল কলকাতা পুলিশ : কলকাতায় নির্বাচনি বিজয় উদযাপনের মিছিলে বুলডোজার বা জেসিবি (এক্সকাভেটর) ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার বিজেপি সমর্থকদের বুলডোজার নিয়ে নিউ মার্কেট এলাকায় প্রবেশ এবং তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে ক্ষতির চেষ্টা করার ঘটনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।

কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ জানিয়েছেন, নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো ধরনের রাজনৈতিক মিছিলে আর জেসিবি ব্যবহার করা যাবে না। তিনি জানান, কোনো জেসিবি মিছিলে অনুমতি দেওয়া হবে না। জেসিবি মালিকদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, তারা যেন রাজনৈতিক মিছিলে তাদের যান ভাড়া না দেন। যদি কেউ রাজনৈতিক দলের কাছে জেসিবি ভাড়া দেন, তাহলে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত মঙ্গলবারের ওই বুলডোজার মিছিলে শতাধিক বিজেপি সমর্থক অংশ নেন। মিছিলে থাকা একটি বুলডোজারের স্কুপারে চড়ে অনেকেই দলীয় পতাকা উড়াতে দেখা যায়। বুধবার এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মিছিলের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। তিনি বলেন, কর্তব্যরত যেসব পুলিশ সদস্য সে সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেননি, তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিজয় মিছিলের জন্য এখন থেকে পুলিশের অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানান তিনি। কমিশনার নন্দ বলেন, শহরজুড়ে ‘অপরাধীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান’ চালানো হচ্ছে। এদিকে লালবাজার সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের পরও কলকাতায় ৬৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং ৪০টি মোটরসাইকেল টহল দল দিনরাত শহরজুড়ে নজরদারি চালাচ্ছে। গত দুই দিনের সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচিতদের ৬১ শতাংশ কোটিপতি, ৬৫ শতাংশের বিরুদ্ধে মামলা : ভারতের অলাভজনক ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস (এডিআর) নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে কাজ করে। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে এডিআরের একটি প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গেছে, নির্বাচিত এমএলএদের বেশিরভাগের নামেই আছে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ। আবার তাদের অনেকেই বেশ ধনী- কোটির ঘরে তাদের সম্পদ। গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিউজ ১৮-এর প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে জয়ী ২৯২ বিধায়কের এফিডেভিট নিরীক্ষা করেছে এডিআর। এই নিরীক্ষায় উঠে আসে এক ভয়ংকর চিত্র। নির্বাচিতদের মধ্যে ১৯০ জনের বিরুদ্ধেই ফৌজদারি মামলা চলছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচিত বিধায়কদের মধ্যে ৪৯ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলছিল। ২০২৬ সালে এসে তা ৬৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বিজেপির ২০৬ বিজয়ীর মধ্যে ১৫২ জনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে (৭৪ শতাংশ)। অপরদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০ জন নির্বাচিত বিধায়কের মধ্যে ৩৪ জনের বিরুদ্ধে (৪৩ শতাংশ) চলছে ফৌজদারি মামলা। সার্বিকভাবে, ১৭০ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে (৫৮ শতাংশ) গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। গতবারের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ছিল ৩৯ শতাংশ। বিজেপির ১৪১ জন ও তৃণমূল কংগ্রেসের ২৫ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের দায় আছে। অন্যান্য ছোট দলগুলোতেও একই ধারা লক্ষ্য করা গেছে। আম জনতা উন্নয়ন পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সবাদী) এবং অল ইন্ডিয়া সেকিউলার ফ্রন্ট-এর নির্বাচিত বিধায়কদের প্রত্যেকের নামেই ফৌজদারি মামলা চলছে। তবে কংগ্রেসের দুই বিজেতার নামে কোনো মামলা হয়নি। ১৪ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা এবং ৫৪ জনের বিরুদ্ধে ‘হত্যা প্রচেষ্টার’ মামলা চলছে। নারী নির্যাতনের মামলার মুখোমুখি হয়েছেন ৬৩ জন বিধায়ক। দুইজন বিধায়কের নামে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এডিআরের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচিত বিধায়কদের অনেকেই বেশ ধনী। কোটির ঘরে সম্পদ আছে এমন বিধায়কের সংখ্যা ২০২১ সালে ছিল ৫৪ শতাংশ। এবার তা বেড়ে ৬১ শতাংশ হয়েছে । বিধায়কদের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ৯১ কোটি। গড় সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৭৩ লাখ রুপি। গড় সম্পদের দিক দিয়ে এগিয়ে আছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা। নির্বাচিত বিধায়কদের গড় সম্পদ ৫ কোটি ৩৬ লাখ রুপি। অপরদিকে, বিজেপির বিধায়কদের গড় সম্পদ জন প্রতি ২ কোটি ৯৭ লাখ রুপি। কংগ্রেসের দুই বিধায়কের গড় সম্পদ সবচেয়ে বেশি- ১৭ কোটি ৯২ লাখ রুপি। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক দিয়ে ৬৩ শতাংশ বিধায়ক স্নাতক বা তারচেয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারী। ৩২ শতাংশ বিধায়কের শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পাসের মধ্যে। একই প্রতিবেদনে প্রকাশ, বিধানসভার সদস্যদের মধ্যে মাত্র ১৩ শতাংশ নারী।

এডিআর রাজনীতির সঙ্গে অপরাধের ওতপ্রোত সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, ‘শুধু ধনীরাই রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছেন’, এমন উদ্বেগও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।