যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পুনর্মূল্যায়ন হবে
হামের টিকার সংকট নিয়ে রাষ্ট্রীয়-আন্তর্জাতিক তদন্ত হবে : তথ্য উপদেষ্টা
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের সুযোগ থাকলেও সরকার সে পথে যাচ্ছে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে, সরকার চুক্তিটি পুনর্মূল্যায়ন করবে বলে জানান তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য বলেন। ডা. জাহেদ বলেন, ‘চুক্তিটি পর্যালোচনা নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে চুক্তিটির সার্বিক মূল্যায়ন করবে। পর্যালোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্ত পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।’ প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘চুক্তি বাতিলের পরিবর্তে সেটিকে আরও কার্যকর ও দেশের স্বার্থবান্ধব করার দিকেই সরকারের অগ্রাধিকার থাকবে।’ এর আগে, ব্রিফিংয়ে হামের বিষয়ে কথা বলেন ডা. জাহেদ। তিনি বলেন, ‘কেন হামের টিকার সংকট তৈরি হলো, টিকা কার্যক্রমে কোনও অবহেলা বা ত্রুটি ছিল কি না, এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব পাবে। তদন্তে কোনও ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হামের টিকার সংকট নিয়ে রাষ্ট্রীয়-আন্তর্জাতিক তদন্ত হবে : হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকট নিয়ে রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
জাহেদ উর রহমান বলেন, হামের কারণে চার শতাধিক শিশু মারা গেছে। এটি একটি বড় বিষয়। কী কারণে হামের টিকার সংকট হয়েছে, টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা ছিল কি না, এসব বিষয় নিয়েই তদন্ত করা হবে।
তিনি বলেন, দায়সারাভাবে কারো ওপর দায় চাপাতে নয়, প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানেই এ তদন্ত হবে। অবহেলার প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি হামের চিকিৎসায় সরকারের পক্ষ থেকে আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার। জাহেদ আরও বলেন, হামের কারণে জরুরি অবস্থা জারির প্রয়োজন নেই। সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সতর্কতার সঙ্গে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে টিকাদান কর্মসূচির প্রচারণা আরও বাড়ানো এবং টিকার বাইরে থাকা শিশুদের আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
