শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত সোহেল রানা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল এ কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গতকাল বুধবার বিকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘সোহেল ওই শিশুকে টয়লেটে নিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে গলাকেটে হত্যা করে বলে স্বীকার করেছে।’

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ দুই আসামিকে গতকাল আদালতে হাজির করেছে। আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে, অজ্ঞাত আসামি এখনও পলাতক। এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলাকেটে লাশ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার লাশ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়। গতকাল সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।