বিশেষ সম্পাদকীয়
আলোর পথে ১৭ বছর আগামীর বাংলাদেশ
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দাঁড়িয়ে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ ফিরে দেখছে তার দীর্ঘ পথচলা। 'উন্নয়নের মূলধারা' স্লোগানে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের উদ্যোগে যাত্রা শুরু করেছিল পত্রিকাটি। সোয়া যুগেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিতভাবে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া— প্রতিটি ক্ষেত্রে পাঠকের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে দৈনিকটি। দীর্ঘ পথচলায় পাঠকপ্রিয় দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ যেভাবে দেশের উন্নয়নের খবর প্রকাশ করেছে, তেমনি বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত অপরাধ, দুর্নীতি ও নানা অসংগতির খবর ছাপতেও দ্বিধাবোধ করেনি।
আলোকিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে তার পাঠক। পাঠকদের কথা মাথায় রেখে নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হচ্ছে ধর্ম পাতা; যার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে— ৭দিন সাতটি বিভাগে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও চেতনায় পাঠকদের উজ্জীবিত করা। সারা দেশব্যাপী আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের পাঠানো সমৃদ্ধ ও তথ্যবহুল খবর মফস্বল পাতায় প্রকাশিত হওয়ার কারণে দৈনিকটির প্রতি পাঠকদের আগ্রহের পারদ সবসময় উঁচু। এ ছাড়া রয়েছে ক্রীড়া, বিনোদন, কৃষি, শিক্ষা, লাইফস্টাইল, প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক ও সাহিত্যের ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের বিষয়।
আলোকিত বাংলাদেশকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে দেশের অন্যতম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। 'স্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টির সেবা'র লক্ষ্য নিয়ে ১৯৫৮ সালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষা সংস্কারক, সমাজহিতৈষী, সাহিত্যিক ও প্রখ্যাত সুফি সাধক খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা এটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশের বৃহৎ উন্নয়ন সংস্থাগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের এই দিনে সংবাদকর্মী, লেখক, কলামিস্ট, আলোকচিত্রী, হকার, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং পত্রিকার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত সবার প্রতি রইল অনেক শুভকামনা। পত্রিকাটির স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলমসহ সাবেক সম্পাদকীয় সদস্য এবং এই দীর্ঘ পথচলায় যারা তাদের শ্রম, মেধা, নিষ্ঠা ও ভালোবাসা দিয়ে আলোকিত বাংলাদেশ-এর পথচলায় অবদান রেখেছেন, তাদের সবার প্রতিও রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা। একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে দৈনিকটি। উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত থেকে পাঠকের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকুক আলোকিত বাংলাদেশ—এ প্রত্যাশা।
—অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
