ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর উপায় খুঁজতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর উপায় খুঁজে বের করতে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠক হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, ঢাকায় গণপরিবহনের বিশৃঙ্খল অবস্থা এবং যানজট পরিস্থিতি ইত্যাদি সমস্যাগুলো থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে এবং সড়কে কার্যকর শৃঙ্খলা ফেরানোর লক্ষ্যেই এ সভা হয়।

প্রধানমন্ত্রী এই উপ প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং রাজধানীর গণপরিবহনের বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা কীভাবে দূর করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 'এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন।'

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, স্থানীয় সরকার সচিব শহীদুল হাসান, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ।

আবরার হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রয়াত শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরারের পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আশ্বাস দেন।

পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইলে তারেক রহমান বলেন, মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত স্বাধীনভাবে মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ভারত-বাংলাদেশের অসম চুক্তি ও পানিবণ্টন নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে নির্মম-নির্যাতন করে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তখনকার বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। হত্যা মামলায় তাদের সাজা দেওয়া হয়।