মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে বন্দরের জেটি এলাকায় গিয়ে তিনি বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা ও কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানো, দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করা এবং আধুনিকায়নের কাজ ত্বরান্বিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে গতকাল সকালে উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বৃদ্ধি এবং মোংলা বন্দরের সক্ষমতা পর্যালোচনায় সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান তারেক রহমান।

সকাল ১০টার দিকে তিনি সেখানে যান। এর আগে খুলনা ও সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা হেলিকপ্টার ও জলযানে ঘুরে দেখেন তিনি। পরে নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি সরাসরি মোংলা বন্দরের জেটি এলাকায় যান। বন্দরের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশের সময় সেখানে জড়ো হওয়া বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান। পরিদর্শনের সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। এদিকে প্রায় আট ঘণ্টার বাগেরহাট ও খুলনা সফর শেষ করে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনব্যাপী সফরে সরকারপ্রধান মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ ও প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোনসহ বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বেশ কিছু নির্দেশনা দেন তিনি। গতকাল সকালে হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে খুলনার দাকোপে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে নৌপথে মোংলা জেটিতে পৌঁছান। সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ঘুরে দেখেন প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোন। এ ছাড়া সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট এলাকায় প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল এলাকাও হেলিকপ্টার থেকে পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। এ সময় সর্বসাধারণের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কুশল বিনিময় করেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা—অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ, ড্রেজিংসহ যেসব প্রকল্প থমকে আছে, দ্রুততম সময়ে তা সম্পন্ন হবে। সরকারের নীতিনির্ধারকেরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে এই অঞ্চলে বিনিয়োগের গতি বাড়বে। পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে কাজ হারানো বিশাল জনগোষ্ঠীর বিকল্প কর্মসংস্থান হবে।