গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গাজার ভবিষ্যৎ ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন তদারকির লক্ষ্যে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদে যোগ দেওয়ার জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আঙ্কারা ও কায়রোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এই আমন্ত্রণ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মূলত গাজা উপত্যকায় শান্তি স্থাপন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য গঠিত এই উচ্চপর্যায়ের পর্ষদে মুসলিম বিশ্বের দুই প্রভাবশালী নেতাকে যুক্ত করতে চাইছেন ট্রাম্প।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা নিয়ে তার নিজস্ব শান্তি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছিলেন। পরবর্তীতে অক্টোবরে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এই পরিকল্পনায় তাদের সম্মতি জানায়।
ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজায় একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট বডি বা অন্তর্বর্তী প্রশাসন কাজ করবে, আর তাদের কার্যক্রম তদারকি ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে এই ‘বোর্ড অব পিস’। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই শান্তি পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই দায়িত্ব পালন করবেন।
গত শুক্রবার হোয়াইট হাউস থেকে এই শান্তি পর্ষদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তালিকায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের নাম রয়েছে। এছাড়াও রয়েছেন মার্কিন ধনকুবের মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, ট্রাম্পের উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল এবং জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ। এই পর্ষদ গঠনের ঘোষণার পরপরই এরদোগান ও সিসিকে যুক্ত করার বিষয়টি সামনে আসে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্টের একজন মুখপাত্র শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিশ্চিত করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট এরদোগান পর্ষদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হওয়ার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন। অন্যদিকে একই দিনে মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রেসিডেন্ট আল-সিসি ট্রাম্পের পক্ষ থেকে পর্ষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। তিনি আরও জানান, মিশর সরকার বর্তমানে এ প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে।
