অভিবাসী-শরণার্থীদের জন্য কি ইউরোপের দরজা বন্ধ হচ্ছে
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
অভিবাসনবিষয়ক গবেষকরা চান, ইউরোপীয় সরকারগুলো বিচ্ছিন্ন করা বা দূরে রাখার নীতি থেকে সরে আসুক। কিন্তু অনেক রাজনীতিবিদই এতে পাত্তা দিচ্ছেন না। গত সোমবার প্রকাশ পেয়েছে ‘গ্লোবাল রিফিউজি ক্রাইসিস ২০২৬’ নামের একটি প্রতিবেদন। এটা মূলত এক ধরনের সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করেন প্রতিবেদনের সহ-সম্পাদক পেত্রা বেন্ডেল। প্রতিবেদনটি উপস্থাপনের সময় জার্মানির বাভারিয়ার এরলাঙ্গেন-নুরেমবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পেত্রা ‘কমন ইউরোপীয় অ্যাসাইলাম সিস্টেম’ (সিইএএস)-এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সিইএএস কার্যকর হওয়ার আগে পেত্রা বেন্ডেলের আশঙ্কা, ‘ইউরোপের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য বন্দিশিবিরের আদলে তৈরি করা আবাসনের পরিসর আরও বাড়তে পারে।’ যে শরণার্থীদের আশ্রয় পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে মনে হবে, তাদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের তৃতীয় কোনো দেশের ‘রিটার্ন হাব’ বা প্রত্যাবাসন কেন্দ্রে রাখার পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেন পেত্রা বেন্ডেল। তবে ইইউর অভিবাসনবিষয়ক কঠোরতর নীতির এ বৈশিষ্ট্যকে সম্প্রতি জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং রক্ষণশীল ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন (সিএসইউ) দলের নেতা আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট ‘উদ্ভাবনী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
