রাশিয়া-মিয়ানমার সম্পর্ক ‘দৃঢ়-পরীক্ষিত’
বিশ্বমঞ্চে সহযোগিতার বার্তা
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত রাশিয়া ও মিয়ানমারের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে বিকশিত হয়েছে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা আরও বেশি আস্থাশীল হয়ে উঠেছে। দেশ দুটির মধ্যে পরীক্ষিত বন্ধুত্ব, অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃঢ? সম্পর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দুই দেশ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে। মস্কো সফরে থাকা মিয়ানমারের নেতা মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা বলেছেন ভ্লাদিমির পুতিন।
পুতিন বলেন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আপনাকে দেখে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আপনাকে স্বাগতম।
রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, মিয়ানমার প্রজাতন্ত্রের ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট এবং আমাদের প্রিয় বন্ধু মিন অং হ্লাইংকে সরকারি সফরে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। রাশিয়া ও মিয়ানমার সত্যিকার অর্থেই দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধুত্ব, অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃঢ? বন্ধনে আবদ্ধ। সমতা, পারস্পরিক সুবিধা, সম্মান এবং একে অপরের স্বার্থের প্রতি শ্রদ্ধার নীতির ভিত্তিতে বহুমুখী সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমাদের ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তখন থেকেই তা ধারাবাহিকভাবে বিকশিত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সম্পর্ক বিশেষভাবে আস্থাভিত্তিক চরিত্র ধারণ করেছে। পুতিন উল্লেখ করেন, ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে মিয়ানমারের রাষ্ট্র উন্নয়নে রাশিয়া গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। বিশেষ করে দেশটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে রাশিয়া ভূমিকা রাখে।
আসিয়ানের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নে সহযোগিতার জন্য মিন অং হ্লাইংকে পুতিন ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা তাস। পুতিন বলেন, সোভিয়েত বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে নির্মিত বৃহৎ অবকাঠামো, চিকিৎসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনও সফলভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং মিয়ানমারের জনগণের জন্য বাস্তব উপকার বয়ে আনছে।
