হোয়াইট হাউজের পর এবার নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সঙ্গে মামদানি

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ভিন্ন মতের দুই নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জোহরান মামদানি। প্রায়ই একে অন্যের সমালোচনা করলেও মেয়র হওয়ার পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো মুখোমুখি বসতে যাচ্ছেন তারা।

প্রথমবার মামদানি গিয়েছিলেন ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজে। এবার সেই সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে মামদানির নিজের শহর নিউইয়র্কে। গতকাল সোমবার নিউইয়র্কের গ্রেসি ম্যানশনে ট্রাম্প ও মামদানির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা ও নিউইয়র্কবাসীর প্রয়োজন নিয়ে আলোচনা করবেন তারা। হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা ও মেয়রের প্রেস দপ্তর রোববার এ তথ্য জানিয়েছে। মামদানির প্রেস দপ্তর জানিয়েছে, বৈঠকে নিউইয়র্ক শহর ও নিউইয়র্কবাসীর ওপর প্রভাব ফেলে এমন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

রাজনৈতিকভাবে ট্রাম্প ও মামদানি দুই মেরুর হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তাদের সম্পর্ক বেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ। চলতি বছরের শুরুতে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মামদানি। পরে, ওই বৈঠককে 'ফলপ্রসূ' বলে বর্ণনা করেন তিনি। বৈঠকে নিউইয়র্কে আরও আবাসন নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। নিউইয়র্কই ট্রাম্প ও মামদানি দুজনের শহর।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বরে হোয়াইট হাউজে আরেক বৈঠকের পর তৎকালীন মেয়র নির্বাচিত মামদানির প্রশংসা করেছিলেন ট্রাম্প। তবে, তার আগে ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট মামদানিকে আক্রমণও করেছিলেন তিনি। সাবেক নিউইয়র্ক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রচার চালিয়ে নির্বাচনি লড়াইয়ে উঠে আসা মামদানিকে ট্রাম্প 'কমিউনিস্ট' বলেও মন্তব্য করেছিলেন।

ওই বৈঠকের সময় ওভাল অফিসে মামদানির পাশে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি আশা করেন মামদানি একজন ভালো মেয়র হবেন। মামদানি যত ভালো করবেন, তিনি তত বেশি খুশি হবেন বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। দলীয় পরিচয় বা অন্য কোনো পার্থক্যকে গুরুত্ব না দিয়ে নিউইয়র্ককে শক্তিশালী ও নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তুলতে মামদানিকে সহযোগিতা করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

গত বছর মামদানি মেয়র নির্বাচনে জয় পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট ও বামঘেঁষা বেশ কয়েকজন প্রার্থী জয় পেয়েছেন। একই সময়ে নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে মামদানি দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত ডেমোক্রেটিক নেতাদের একজন হয়ে উঠেছেন। তবে, ডানপন্থিদেরও অন্যতম নিশানা হয়েছেন তিনি।