গুলি করে সেনাবাহিনীর মেজরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ট্রাম্পের অনুমোদন
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো মার্কিন সেনাবাহিনী একজন সাবেক অফিসারকে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে ১৩ জন নিরস্ত্র সৈন্যকে গুলি করে হত্যা ও আরও ৩২ জনকে আহত করার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক মেজর ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিডাল মালিক হাসানের মৃত্যুদণ্ড এখন কার্যকরের পথে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল গত সোমবার সামাজিক মাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ফায়ারিং স্কোয়াডের সুপারিশ করেছিলেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাতে অনুমোদন দিয়েছেন। পার্নেল লিখেছেন, 'হাসানের বিচারের চূড়ান্ত দিন এসে গেছে।' তবে মৃত্যুদণ্ডের সময় ও স্থান এখনো ঠিক হয়নি। সেনাবাহিনীর সচিব সেই সিদ্ধান্ত নেবেন। ৫৬ বছর বয়সি হাসান যদি এই পদ্ধতিতে মারা যান, তবে তিনি ১৯৪৫ সালের পর প্রথম মার্কিন সেনাসদস্য হবেন যাকে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ১৯৬১ সালের পর যেকোনো পদ্ধতিতে এটি হবে প্রথম সামরিক মৃত্যুদণ্ড। বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজন বন্দির মধ্যে তিনি অন্যতম। ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর ফোর্ট হুডের একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে লেজার-সাইটযুক্ত হ্যান্ডগান নিয়ে হামলা চালিয়েছিলেন হাসান। এতে ১২ জন কর্মরত সৈন্য ও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য নিহত হন। এটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে যুদ্ধছাড়া সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে পরিচিত। ২০১৩ সালে সামরিক আদালত তাকে ৪৫টি পূর্বপরিকল্পিত হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
