মানবসেবায় মোহাম্মদ আলীর পথচলা

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আহমদ ইসলামাবাদী

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কে হচ্ছেন নিজ এলাকার জনপ্রতিনিধি, এটা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। চায়ের দোকান থেকে অফিস, বাজার থেকে রাস্তাঘাট সর্বত্র চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের পাশাপাশি আলোচনা থেমে নেই ফটিকছড়ির নাজিরহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডেও। আলেম-ওলামা ও বিএনপি অধ্যুষিত এ এলাকায় এরই মধ্যে দৌড়ঝাঁপ করছেন প্রার্থীরা। ভোটারের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকে জাতীয় থেকে স্থানীয় রাজনীতিতে তারুণ্যনির্ভর রাজনীতির উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়। শহর, গ্রাম, সংসদ কিংবা স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সর্বত্র তরুণদের উপস্থিতি। তারুণ্য নেতৃত্বে পিছিয়ে নেই নাজিরহাট পৌরসভা ২নং ওয়ার্ডও।

তারুণ্য নেতৃত্বে চমক দেখাচ্ছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী। কখনও তিনি ছুটছেন কারো অসুস্থতার খবর শুনে, কখনও ছুটছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো অনুষ্ঠানে, কখনও ছুটছেন জানাজায়, কখনও বা সামাজিক কোনো অনুষ্ঠানে, কখনও এলাকার উন্নয়নের জন্য ইউএনও এসিল্যান্ডের কার্যালয়ে, কখনও এলাকার কোনো দাবি আদায়ে ছুটছেন এমপি মহোদয়ের বাড়িতে। থেমে নেই তার নিরলস পদচারণা। এরই মধ্যে ২নং ওয়ার্ডে নিজ অর্থায়নে ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন, খেলার অনুষ্ঠানে ক্রীড়াসামগ্রী প্রদান, স্কুল ও মাদ্রাসায় শিক্ষাসামগ্রী প্রদান, রাস্তায় সড়কবাতি স্থাপন, ২নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তার উভয় পাশে আগাছা পরিষ্কার, কবরস্থান পরিষ্কার, অসহায়, এতিম, বিধবা ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষদের সহায়তা প্রদান, অসহায় মানুষের কন্যার বিয়েতে অনুদান, অসুস্থ রোগীদের পাশে দাঁড়ানোসহ অসংখ্য মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এরই মধ্যে মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন বলে ধারণা ২নং ওয়ার্ডের ভোটারদের। বিশেষত করোনা মহামারি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে নজর কেড়েছেন সবার।

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী মনে করেন, এলাকার শিক্ষিত তরুণ, যুব সমাজকে সঙ্গে নিয়ে সমাজের মুরুব্বিদের সামনে রেখে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ২নং ওয়ার্ড উপহার দিতে বদ্ধপরিকর তিনি। এর আগে মাহে রমজানে হিলফুল ফুজুল সংগঠনের ব্যবস্থাপনায় শতাধিক পরিবারের মাঝে কাঁচা ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন রাতের আঁধারে। শতাধিক মানুষকে কর্জে হাসানা দিয়ে তাদের বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্কুল-মাদ্রাসা, মসজিদ-মন্দির, হিন্দু-মুসলিম, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সহায়তা করছেন নিজ সামর্থ্যানুযায়ী। নির্বাচনে জয়ী হতে দোয়া নিচ্ছেন আলেম-ওলামার, পরামর্শ নিচ্ছেন মুরুব্বিদের।

তিনি জানান, আল্লাহর অনুগ্রহে যদি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারি, সরকারি বরাদ্দ থেকে অতিরিক্ত নিজ পকেট থেকে খরচ করার জন্য চেষ্টা করব। সরকারি বরাদ্দ নিজের পকেটে ভরে জনগণের অধিকার খর্ব করা বা দুর্নীতি করা আমার দ্বারা হবে না, ইনশাআল্লাহ। জনগণের হক জনগণকে যথাযথ পৌঁছে দেওয়ার জন্যই আমার নির্বাচনে আসা।