এক ম্যাচে ১৭ লাল কার্ড

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ক্রীড়া ডেস্ক

ফুটবল নাকি রেসলিং? কোপা বলিভিয়া কোয়ার্টার ফাইনালের রিয়াল অরুরো-ব্লুমিং সান্তা ক্রুজ ম্যাচের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে হাতাহাতিই হলো রেসলিংয়ের মতো। তাতে লাল কার্ড দেখেছেন দুই দলের ১৭ ফুটবলার। হাসপাতালেও ভর্তি হতে হয়েছে একজনকে। ২৫ নভেম্বর রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই হট্টগোল শুরু। কথা কাটাকাটির জেরে দুই দলের ফুটবলাররা একে অন্যের ওপর হামলা করা শুরু করেন। ঘুষি, লাথি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে থাকে দুই দলের খেলোয়াড়, কোচ ও কোচিং স্টাফের কর্মকর্তাদের মধ্যে। পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়েছে।

উত্তপ্ত পরিস্থিতির এক ঘণ্টা পর ম্যাচ রেফারির প্রাথমিক রিপোর্টে ১৭ জনকে লাল কার্ড দেওয়ার কথা জানা যায়। তাদের মধ্যে ১০ জন ব্লুমিং সান্তা ক্রুজের ও অন্য ৭ জন রিয়াল অরুরো দলের। সান্তা ক্রুজের কোচ সরিয়া, চিকিৎসক হেনরি সিয়াস, সহকারী কোচ হোসে লুইস ভাসা, গ্যাব্রিয়েল ভালভার্দে, রিচেট গোমেজ, ফ্রাঙ্কো পোজ, সিজার রোমেরো, হেক্টর সুয়ারেজ, রবার্তো কার্লোস মেলগার, সিজার মেনাকো লাল কার্ড দেখেছেন। রিয়াল অরুরোর লাল কার্ড দেখা সাত জন হলেন কোচ রোবলেদো, সহকারী কোচ ইভান সালিনাস, রাউল গোমেজ, হুলিও ভিলা, ইয়ের্কো ভ্যালেজোস, এদুয়ার্দো আলভারেজ এবং রুবেন পোকেচক।

হট্টগোলের সময় রোবলেদো ঘাড়ে ও মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সেই সময় ব্লুমিং সান্তা ক্রুজের এক কর্মকর্তার চোয়াল ভেঙে গেছে। এল পোতোসির অনলাইন প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফিরতি লেগের ফল মেনে নিতে পারেনি রিয়াল অরুরোর খেলোয়াড়েরা। মেজাজ হারিয়ে তারা এই কাণ্ড ঘটান।

হট্টগোলের ব্লুমিং সান্তা ক্রুজ-রিয়াল অরুরো কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগ ২-২ গোলে ড্র হয়েছে। ২৩ মিনিটে হুলিও ভিলার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল অরুরো। এরপর ৬১ ও ৬৫ মিনিটে জোড়া গোল করে ব্লুমিংকে এগিয়ে নেন পোজ। ৮৪ মিনিটে জেবালোসের গোলে সমতায় ফেরে রিয়াল অরুরো। মেনাকো জোড়া হলুদ কার্ডের কারণে ৭৭ মিনিটের সময় লাল কার্ড পেয়ে যান। বাকি ১৬ জন লাল কার্ড দেখেছেন হাতাহাতির পর। রেফারি রেনান কাস্তিয়ো ম্যাচের সম্পূরক প্রতিবেদন বলিভিয়ার স্পোর্টস ডিসিপ্লিনারি ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর পর শাস্তি আরও বাড়তে পারে।