বাড়ছে রিজার্ভ

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বর্তমানে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৪ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারে। আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএমণ্ড৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার দিন শেষ রিজার্ভ প্রায় ৩৪.৫৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে। আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএমণ্ড৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভ ছিল প্রায় ২৯ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে।

আর ২ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারে। আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএমণ্ড৬ পদ্ধতিতে মতে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারে। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএমণ্ড৬ পদ্ধতি মতে রিজার্ভ ছিল প্রায় ২৮ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার। আর ৮ জানুয়ারির রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার আর বিপিএমণ্ড৬ পদ্ধতি মতে রিজার্ভ ছিল প্রায় ২৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। তবে আকুর দায় (১.৫৩ বিলিয়ন) পরিশোধের পর তা কমতে থাকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, দেশের রিজার্ভ এখন প্রায় ৩৪ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। আর বিপিএমণ্ড৬ হিসাব পদ্ধতি মতে বর্তমানে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলারে।

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরের ধারাবাহিকতায় জানুয়ারিতেও প্রবাসীরা তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। চলতি মাস ফেব্রুয়ারিতেও রেমিট্যান্সের ধারা অব্যাহত রয়েছে। মাসটির প্রথম ১৬ দিনে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ২২ হাজার ৪৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা।