মেঘনা-গোমতী সেতু : টোল আদায়ে অনিয়ম
হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ জুন
প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এদিন প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। এ কারণে আদালত নতুন করে আগামী ২৩ জুন প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়মের অভিযোগ এনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওবায়দুল কাদের ও আনিসুল হক। এছাড়া প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, সচিব এমএএন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক জলিল, উপসচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, প্রকৌশলী মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসেন খান ও মো. আব্দুস সালামও এ মামলার আসামি।
এ ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবালকেও মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালে আগের বৈধ দরপত্র বাতিল করে একক উৎসের ভিত্তিতে সিএনএস লিমিটেডকে মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র বা আলোচনা ছাড়াই এই চুক্তি সম্পাদন করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দিষ্ট অর্থের পরিবর্তে আদায়কৃত মোট টোলের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় (ভ্যাট ও আইটি ব্যতীত)।
