আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় পপির জরুরি মানবিক উদ্যোগ

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আলোকিত ডেস্ক

সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের কৃষক পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে স্বনামধন্য উন্নয়ন সংস্থা পিপলস ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন (POPI)। বন্যায় ফসল, গবাদিপশু ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়া মানুষের জন্য সংস্থাটি গত ১৩ মে থেকে জরুরি মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের প্রথম ধাপের বিতরণ শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার দ্বিতীয় ধাপের বিতরণ সম্পন্ন হয় এবং গতকালও হাওরাঞ্চলে এই বিতরণ কার্যক্রম পুরোদমে চলমান রয়েছে। ‘আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা প্রদান প্রকল্প (ALERT-B072)’ শীর্ষক এ কার্যক্রমের আওতায় কিশোরগঞ্জের ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলার মোট ১ হাজার ২২৫টি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারকে এই প্রত্যক্ষ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ইটনা উপজেলার মৃগা, জয়সিদ্ধি, ধনপুর ও বাদলা ইউনিয়ন এবং অষ্টগ্রাম উপজেলার আবদুল্লাহপুর ও পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নে এই ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ পৌঁছানো হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য বহুমুখী নগদ সহায়তা হিসেবে প্রতি পরিবারকে ৬ হাজার টাকা প্রদান করা হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত গবাদিপশুর জন্য ১০০ কেজি (২ বস্তা) গো-খাদ্য এবং প্রতিটি পরিবারকে ১২দ্ধ১৫ ফুট আকারের একটি করে উন্নত মানের ত্রিপল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও সবচেয়ে বেশি পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তি যেন এই সহায়তা পান, সেজন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। শুরুতেই সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে ‘কমিউনিটি কনসালটেশন মিটিং’ বা পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়। এরপর স্থানীয় বাস্তবতার নিরিখে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার বাছাইয়ের সুনির্দিষ্ট ক্রাইটেরিয়া বা সূচক নির্ধারণ করা হয়। এবং নির্ধারিত সূচকের ওপর ভিত্তি করে ১৪৬টি ‘টুলবক্স ইন্ডিকেটর’ ব্যবহার করে প্রতিটি খানা বা পরিবারে (Household Survey) বিস্তারিত জরিপ চালানো হয়। সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি