২ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ কমেছে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নে

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নে (এলজিআরডি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট কমেছে ২ হাজার ১১৪ কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরের জন্য ৪১ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ৪৩ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। এর আগে অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যা ৪৬ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা ছিল।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে বাজেট উপস্থাপন শুরু হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বীক্রম।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, নগর ও গ্রামীণ সেবার সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপগুলো হলো- সুপেয় পানি, শতভাগ স্যানিটেশন, ড্রেনেজ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সম্প্রসারণ। গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম জোরদারকরণ। সড়ক, সেতু, গ্রোথ সেন্টার ও সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধি করা।

এছাড়াও জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ ও ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা, ডিজিটাল জন্মণ্ডমৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাগুলোতে বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন, ড্রেন সংস্কার এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় খাতে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা? হচ্ছে। একইসঙ্গে নারী, যুবক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপগুলো হলো- দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার করা, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, নারী ও যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন, সহজ ঋণপ্রাপ্তি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান তৈরিতে সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।