ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদনে শুল্ক-কর ছাড়, সুবিধা থাকবে ২০৩১ সাল পর্যন্ত
প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
বাসস

দেশে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি (ইভি) উৎপাদন শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় ধরনের শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ই-বাইক, ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক ও চার্জিং অবকাঠামোর বিকাশে বিভিন্ন কর-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর পরিবহনের বিকল্প হিসেবে দেশে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদন এবং এর যন্ত্রাংশ স্থানীয়ভাবে তৈরির লক্ষ্যে নতুন করে শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হবে। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠান চার চাকা ও তিন চাকার বিদ্যুৎচালিত যানবাহনের বডি তৈরি, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং ও অ্যাসেম্বলিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে উচ্চ মূল্য সংযোজন করবে, তারা উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া অন্য সব ধরনের শুল্ক-কর থেকে অব্যাহতি পাবে। অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠান পার্টস সংযোজন ও পেইন্টিংয়ের মাধ্যমে তুলনামূলক কম মূল্য সংযোজন করবে, তাদের জন্য ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রেখে অন্যান্য সব শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক উৎপাদনকারী শিল্পের জন্যও বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। এসব শিল্পের উপকরণ ও কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ অগ্রিম ভ্যাট ছাড়া অন্য সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে বলা হয়েছে, ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদন শিল্পের জন্য প্রস্তাবিত এসব রেয়াতি সুবিধা ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে। এ ছাড়া দেশীয় ই-বাইক উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে স্থানীয়ভাবে যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানগুলোকেও উপকরণ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
