রংপুরে চার খুন
এক সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাবে
জানালেন নতুন পুলিশ কমিশনার
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
রংপুরের চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিলের মাধ্যমে সুবিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) নতুন কমিশনার মু. মাহবুবুর রশীদ। গতকাল শুক্রবার দুপুরে নগরের মাছুয়াপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্য হত্যার আট দিন পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পুলিশ কমিশনার। গত বৃহস্পতিবার রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে যোগ দেন মু. মাহবুবুর রশীদ।
পুলিশ কমিশনার বলেন, মাদক শুধু রংপুরের সমস্যা নয়, এটি বাংলাদেশের সমাজের সমস্যা। মাদকের বিরুদ্ধে রংপুরে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে রংপুরকে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদেরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
২০ আগস্ট দিবাগত রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীকে (১২) হত্যা করা হয়। ২২ আগস্ট রাতে স্বজনদের উদ্যোগে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পরিবারের চার সদস্যের লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে ওই মামলায় একই এলাকার কানু দাসের ছেলে মুগ্ধ দাস ও বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজন হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
