রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নির্দিষ্ট বয়সসীমা ও কারিগরি সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ন্ত্রিত ও শর্তসাপেক্ষে আমদানির সুযোগ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)।
গতকাল শনিবার রাজধানী পুরানা পল্টনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। বারভিডা বলেছে, গত ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতিতে ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে তুলনামূলক কম দামে নতুন প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ থেকে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা বঞ্চিত হচ্ছেন। সংগঠনটির দাবি, বিশ্বের বিভিন? দেশে ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইভির আমদানি-রপ্তানি হচ্ছে। জাপান থেকে টয়োটা, নিশান, সুবারু, লেক্সাস ও হোন্ডাসহ বিভিন? ব্র্যান্ডের গাড়ি এবং চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে ইভি রপ্তানি বাড়ছে। বারভিডা জানায়, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিভিন? দেশে ব্যবহৃত ইভি আমদানির সুযোগ রয়েছে। যুক্তরাজ্যে সর্বোচ্চ ১০ বছর, জর্জিয়ায় ৬ বছর, কেনিয়ায় ৮ বছর, সৌদি আরবে ৫ বছর, পাকিস্তানে ৩ বছর এবং শ্রীলঙ্কায় ৫ বছর বয়সী ব্যবহৃত ইভি আমদানির সুযোগ রয়েছে।
মানববন্ধনে বারভিডার পক্ষ থেকে ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানিতে কয়েকটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত ব্যবহৃত ইভি আমদানির অনুমতি, ব্যাটারির ন্যূনতম 'স্টেট অব হেলথ' (এসওএইচ) ৭০ শতাংশ নির্ধারণ এবং আমদানির আগে অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে গাড়ি পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করার দাবি রয়েছে। এ ছাড়া বন্যা, অগি?কাণ্ড, গুরুতর দুর্ঘটনা বা কাঠামোগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি আমদানি নিষিদ্ধ করা এবং ইভি ব্যাটারির নিরাপদ পুনর্ব্যবহার ও নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর কাঠামো প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।
