রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানি নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বারভিডার কর্মসূচি

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে সারা দেশে শোরুম বন্ধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। গতকাল বৃহস্পতিবার বারভিডার ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় সংগঠনের সদস্যদের সব শোরুম দিনব্যাপী বন্ধ রাখা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে সদস্যদের বিক্রি করা গাড়ির নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং কাস্টমস হাউসের মাধ্যমে আমদানি করা গাড়ির শুল্ক-কর পরিশোধ, ই-পেমেন্ট ও বন্দর থেকে গাড়ি খালাস কার্যক্রম স্'গিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

গত ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতি আদেশে পাঁচ বছরের বেশি পুরোনো গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের পাশাপাশি পুরোনো বা ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বারভিডা বলছে, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে বয়সসীমা, ব্যাটারির সক্ষমতা, নিরাপত্তা ও পরিবেশগত মানসহ নির্দিষ্ট শর্তে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। বারভিডার নেতারা দাবি করেন, জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ির খুচরা যন্ত্রাংশ দেশের বিভিন্ন স্'ানে সহজলভ্য এবং এসব গাড়ির বাজারে দীর্ঘদিনের চাহিদা রয়েছে। তাঁদের মতে, নতুন ইভির পাশাপাশি রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ থাকলে ক্রেতাদের জন্য তুলনামূলক কম দামে বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। জাপানি রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী গাড়ি কেনার সুযোগ থাকা উচিত এবং বাজারে সব পক্ষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানি বন্ধ হলে এ খাতের সঙ্গে জড়িত কর্মীদের কর্মসংস্'ানও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই সরকারের কাছে আমদানি নীতির সংশ্লিষ্ট বিধান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

বারভিডার নেতারা বলেন, রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানিতে সরাসরি নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে নিয়ন্ত্রিত ও শর্তসাপেক্ষ আমদানির ব্যবস্'া করা যেতে পারে। সংগঠনটি এর আগে পাঁচ বছর পর্যন্ত পুরোনো ইভি এবং ব্যাটারির ন্যূনতম ৭০ শতাংশ সক্ষমতা নিশ্চিত করার মতো শর্তের প্রস্তাব দিয়েছে। বারভিডার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।