
বাসক একটি ভারত উপমহাদেশীয় ভেষজ উদ্ভিদ। এ উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম আড়াটোডা বাসিকা। ভারত উপমহাদেশের প্রায় সর্বত্র এটি জন্মে। দেশে অনেক জায়গায় বাসক গাছ বাণিজ্যকভাবে চাষ করা হচ্ছে। এর পাতা অর্থাৎ বাসক পাতা ওষুধ কোম্পানিগুলো কিনে থাকে। বাসক পাতার এক থেকে দুই চামচ রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিলিয়ে খেলে শিশুর সর্দি-কাশির উপকার পাওয়া যায়। এই পাতার রস গোসলের আধা ঘণ্টা আগে মাথায় মাখলে উকুন মরে যায়। এছাড়া আমবাত ও ফোঁড়ার প্রাথমিক অবস্থায় বাসক পাতা বেটে প্রলেপ দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়। বুকে কফ এবং এর জন্য শ্বাসকষ্ট হয় বা কাশি হয় তখন বাসক পাতার রস এক-দুই চামচ মধুসহ খেলে কফ সহজে বেরিয়ে আসে। প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রণা থাকলে বাসকের ফুল বেটে দুই-তিন চামচ এবং মিছরি মিলিয়ে সরবত করে খেলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়। জ্বর হলে বাসকের মূল ৫-১০ গ্রাম ধুয়ে থেঁতো করে পানিতে ফুটিয়ে খেয়ে নিন। দিনে দুইবার করে খেলে জ্বর এবং কাশি দুটোই চলে যাবে।
বাসকের কচিপাতা ১০ থেকে ১২টি ও এক টুকরো হলুদ এক সঙ্গে বেটে দাদ বা চুলকানিতে লাগালে কয়েক দিনের মধ্যে তা সেরে যায়। বাসক পাতার রস নিয়মিত খেলে খিঁচুনি রোগ দূর হয়। সূত্র : ওয়েবসাইট